উদ্দীপকের শেষ লাইনটি হলো বর্তমানে এর (প্রাকৃতিক ভূগোলের) গুরুত্ব আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। নিচে উক্তিটির সপক্ষে যুক্তি। উপস্থাপন করা হলো-
বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক ভূগোলের বিষয়বস্তুর সম্প্রসারণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুগুণে বেড়েছে।
কীভাবে পৃথিবী বিভিন্ন বাষ্পীয় ও তরল অবস্থার মধ্য দিয়ে বর্তমান- রূপ ধারণ করেছে তা আমরা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে ভূত্বকের স্থানিক গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। ভূপৃষ্ঠ অনেকগুলো প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন জায়গায় এ প্লেটগুলোর চলন বিভিন্ন ধরনের হয়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে এ প্লেটগুলোর চলনের ধরন সম্পর্কে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের অন্যতম গুরুত্ব হলো পৃথিবীর জলবায়ু সম্পর্কে. বিশদভাবে জানা। এর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের গভীরতা, বায়ুর প্রকারভেদ, স্তরবিন্যাস, বায়ুর উপাদান, বায়ুর তাপ ও চাপ প্রভৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমনকি বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প, বায়ুর আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের কারণ, বৃষ্টি বলয়, বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ প্রভৃতি বিষয়ও জানা যায়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া পৃথিবীর মহাসাগরসমূহের অবস্থান, আকৃতি, জোয়ারভাটা, সমুদ্রস্রোত এবং এদের প্রভাব সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বাইরের সৌরজগৎ ও লক্ষ কোটি তারকারাজি সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়।
তাই মানবকল্যাণে প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।