অধ্যায়-১ : প্রাকৃতিক ভূগোল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) Geography 1st Paper

HSC Geography 1st Paper এর অধ্যায়-১ : প্রাকৃতিক ভূগোল (শর্ট সিলেবাস বহির্ভূত) অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১৪৩

প্রশ্ন

Geography 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একাদশ শ্রেণির ছাত্ররা একটি সেমিনারে অংশগ্রহণ করে যে সেমিনারে আলোচ্য বিষয় ছিল ভূমিতত্ত্ব, সমুদ্রতত্ত্ব, জলবায়ুতত্ত্ব। বিষয়গুলো আলোচনা করতে আরও অনেক বিষয় ওঠে আসে। যাতে ছাত্ররা বুঝতে পারে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব রয়েছে।
ক
বায়ুমণ্ডল কী?

উত্তর

পৃথিবীর চারপাশে হাজার হাজার কিলোমিটার পুরু বায়ুর যে স্তর আছে তাই বায়ুমণ্ডল।
খ
জলবায়ুর নিয়ামক কাকে বলে?

উত্তর

যে সকল উপাদান জলবায়ুর পরিবর্তন সাধনে প্রভাববিস্তার করে থাকে, তাকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ অক্ষাংশ, উচ্চতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র থেকে, দূরত্ব প্রভৃতি। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে এ নিয়ামকগুলোর প্রভাব ভিন্ন হওয়ায় স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য দেখতে পাওয়া যায়।
গ
উক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও প্রাকৃতিক ভূগোলে আর কী কী বিষয় আলোচনা করা হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়; যথা- ভূমিরূপতত্ত্ব, সমুদ্রতত্ত্ব, জলবায়ুতত্ত্ব রয়েছে। এগুলো ছাড়াও রয়েছে মৃত্তিকাবিদ্যা ও উদ্ভিদবিদ্যা। পৃথিবীর বহিরাবরণ ও ভূত্বকের গঠন উপাদান মৃত্তিকা ভূগোলের আওতায় পড়ে। মৃত্তিকার উৎপত্তি, গঠন, ভূতাত্ত্বিক সময় মাপনি অনুযায়ী মৃত্তিকার গঠন ও বিন্যাস, অঞ্চল ও সময়ভেদে মৃত্তিকার বিস্তরণ, নৈসর্গিক প্রক্রিয়া, মাটির পার্শ্বচিত্র, মাটির ভৌত গুণাবলি, ঘনত্ব, মৃত্তিকার ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের বিন্যাস প্রভৃতি সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়; যা প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্গত। প্রাকৃতিক ভূগোলের আরেকটি বিষয় হচ্ছে উদ্ভিদবিদ্যা। এ শাখায় সময় ও স্থানভেদে উদ্ভিদের ক্রমবিকাশ, পরিবেশের ওপর উদ্ভিদের প্রভাব, সময় ও স্থানভেদে উদ্ভিদের বিন্যাস, উদ্ভিদ বাস্তববিদ্যা, উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বাস্তুসংস্থান অভিযোজন, উদ্ভিদ ক্রমাগমনের নিয়ামক প্রভৃতি বিষয় আলোচনা করা হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোলের মাধ্যমে প্রকৃতিপ্রদত্ত ভূপৃষ্ঠের ভূঅভ্যন্তর এবং ভূপৃষ্ঠের বাইরের অবয়ব সম্বন্ধে ধারণা লাভ করা যায়।
ঘ
প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে-এর সপক্ষে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

প্রাকৃতিক ভূগোল ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এটি পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীপৃষ্ঠের গঠন, এর বিভিন্ন স্তর বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। প্রাকৃতিক ভূগোলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বায়ুমণ্ডল। হাজার হাজার কিলোমিটার পুরু যে বায়ু সমগ্র পৃথিবীর চারপাশে বেষ্টন করে আছে তাই বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডলের গভীরতা, বায়ুর স্তরবিন্যাস, বায়ুর উপাদান,' বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও চাপ, বায়ুপ্রবাহের কারণ, বায়ুপ্রবাহের দিক, বায়ুর শ্রেণিবিভাগ, বিভিন্ন প্রকার ঘূর্ণিবাত, জলীয়বাষ্প, বায়ুর আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের কারণ, বৃষ্টিবলয়, বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ এবং বিভিন্ন প্রকার আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়। ভূত্বকের অবনত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশিকে বারিমণ্ডলের অংশ। অর্থাৎ সাগর-মহাসাগরের উৎপত্তি, সমুদ্রতলদেশের ভূপ্রকৃতি, সমুদ্রের পানির বৈশিষ্ট্য, সমুদ্রস্রোত, জোয়ারভাটা, কীভাবে স্থলমণ্ডল ও বারিমণ্ডল সৃষ্টি হলো, ভূপৃষ্ঠের সুবিশাল এলাকা সম্পর্কে ধারণা, বিভিন্ন প্রকার শৈবাল, সমুদ্র তরঙ্গ ও তার কাজ প্রভৃতি যাবতীয় সমুদ্রবিদ্যা বিষয়ক তথ্য প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। পৃথিবীর উপরিভাগ যা স্থলভাগ নামে পরিচিত। একে অশ্মমণ্ডল বলা হয়। অশ্ম অর্থ শিলা। তাই একে শিলামণ্ডলও বলা হয়। এটি প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের মাধ্যমে জানতে পারি। অর্থাৎ পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, তার উপাদানসমূহ, পৃথিবীর জন্ম, শিলার উৎপত্তি, ভূ-আন্দোলন, পৃথিবীর জন্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন ভূগোলবিদের মতবাদ, কীভাবে পাহাড় থেকে নদীর উৎপত্তি, হিমবাহ ও বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে কীভাবে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় প্রভৃতি যাবতীয় বিষয় প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। পরিশেষে বলা যায়, মানবজীবনে প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্ব অপরিসীম

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

একাদশ শ্রেণির ছাত্ররা একটি সেমিনারে অংশগ্রহণ করে যে সেমিনারে আলোচ্য বিষয় ছিল ভূমিতত্ত্ব, সমুদ্রতত্ত্ব, জলবায়ুতত্ত্ব। বিষয়গুলো আলোচনা করতে আরও অনেক বিষয় ওঠে আসে। যাতে ছাত্ররা বুঝতে পারে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের গুরুত্ব রয়েছে।
ক
বায়ুমণ্ডল কী?

উত্তর

পৃথিবীর চারপাশে হাজার হাজার কিলোমিটার পুরু বায়ুর যে স্তর আছে তাই বায়ুমণ্ডল।
খ
জলবায়ুর নিয়ামক কাকে বলে?

উত্তর

যে সকল উপাদান জলবায়ুর পরিবর্তন সাধনে প্রভাববিস্তার করে থাকে, তাকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বায়ুর তাপ, বায়ুর চাপ অক্ষাংশ, উচ্চতা, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র থেকে, দূরত্ব প্রভৃতি। পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে এ নিয়ামকগুলোর প্রভাব ভিন্ন হওয়ায় স্থানভেদে জলবায়ুর পার্থক্য দেখতে পাওয়া যায়।
গ
উক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও প্রাকৃতিক ভূগোলে আর কী কী বিষয় আলোচনা করা হয় ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়; যথা- ভূমিরূপতত্ত্ব, সমুদ্রতত্ত্ব, জলবায়ুতত্ত্ব রয়েছে। এগুলো ছাড়াও রয়েছে মৃত্তিকাবিদ্যা ও উদ্ভিদবিদ্যা। পৃথিবীর বহিরাবরণ ও ভূত্বকের গঠন উপাদান মৃত্তিকা ভূগোলের আওতায় পড়ে। মৃত্তিকার উৎপত্তি, গঠন, ভূতাত্ত্বিক সময় মাপনি অনুযায়ী মৃত্তিকার গঠন ও বিন্যাস, অঞ্চল ও সময়ভেদে মৃত্তিকার বিস্তরণ, নৈসর্গিক প্রক্রিয়া, মাটির পার্শ্বচিত্র, মাটির ভৌত গুণাবলি, ঘনত্ব, মৃত্তিকার ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠা প্রাণী ও উদ্ভিদজগতের বিন্যাস প্রভৃতি সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়; যা প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্গত। প্রাকৃতিক ভূগোলের আরেকটি বিষয় হচ্ছে উদ্ভিদবিদ্যা। এ শাখায় সময় ও স্থানভেদে উদ্ভিদের ক্রমবিকাশ, পরিবেশের ওপর উদ্ভিদের প্রভাব, সময় ও স্থানভেদে উদ্ভিদের বিন্যাস, উদ্ভিদ বাস্তববিদ্যা, উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য, বাস্তুসংস্থান অভিযোজন, উদ্ভিদ ক্রমাগমনের নিয়ামক প্রভৃতি বিষয় আলোচনা করা হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোলের মাধ্যমে প্রকৃতিপ্রদত্ত ভূপৃষ্ঠের ভূঅভ্যন্তর এবং ভূপৃষ্ঠের বাইরের অবয়ব সম্বন্ধে ধারণা লাভ করা যায়।
ঘ
প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে-এর সপক্ষে তোমার মতামত দাও।

উত্তর

প্রাকৃতিক ভূগোল ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এটি পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীপৃষ্ঠের গঠন, এর বিভিন্ন স্তর বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। প্রাকৃতিক ভূগোলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বায়ুমণ্ডল। হাজার হাজার কিলোমিটার পুরু যে বায়ু সমগ্র পৃথিবীর চারপাশে বেষ্টন করে আছে তাই বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডলের গভীরতা, বায়ুর স্তরবিন্যাস, বায়ুর উপাদান,' বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও চাপ, বায়ুপ্রবাহের কারণ, বায়ুপ্রবাহের দিক, বায়ুর শ্রেণিবিভাগ, বিভিন্ন প্রকার ঘূর্ণিবাত, জলীয়বাষ্প, বায়ুর আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের কারণ, বৃষ্টিবলয়, বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাগ এবং বিভিন্ন প্রকার আবহাওয়া ও জলবায়ু সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়। ভূত্বকের অবনত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশিকে বারিমণ্ডলের অংশ। অর্থাৎ সাগর-মহাসাগরের উৎপত্তি, সমুদ্রতলদেশের ভূপ্রকৃতি, সমুদ্রের পানির বৈশিষ্ট্য, সমুদ্রস্রোত, জোয়ারভাটা, কীভাবে স্থলমণ্ডল ও বারিমণ্ডল সৃষ্টি হলো, ভূপৃষ্ঠের সুবিশাল এলাকা সম্পর্কে ধারণা, বিভিন্ন প্রকার শৈবাল, সমুদ্র তরঙ্গ ও তার কাজ প্রভৃতি যাবতীয় সমুদ্রবিদ্যা বিষয়ক তথ্য প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। পৃথিবীর উপরিভাগ যা স্থলভাগ নামে পরিচিত। একে অশ্মমণ্ডল বলা হয়। অশ্ম অর্থ শিলা। তাই একে শিলামণ্ডলও বলা হয়। এটি প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের মাধ্যমে জানতে পারি। অর্থাৎ পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, তার উপাদানসমূহ, পৃথিবীর জন্ম, শিলার উৎপত্তি, ভূ-আন্দোলন, পৃথিবীর জন্ম সম্পর্কিত বিভিন্ন ভূগোলবিদের মতবাদ, কীভাবে পাহাড় থেকে নদীর উৎপত্তি, হিমবাহ ও বায়ুপ্রবাহের ক্ষয়কার্যের ফলে কীভাবে ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় প্রভৃতি যাবতীয় বিষয় প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। পরিশেষে বলা যায়, মানবজীবনে প্রাকৃতিক ভূগোলের গুরুত্ব অপরিসীম

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ভূগোল ও পরিবেশ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ভূগোলকে কেউ বলেছেন পৃথিবীর বর্ণনা, আবার কেউ বলেছেন প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান। পরিবেশের বিজ্ঞানের সম্পৃক্ততা ছাড়া ভূগোলকে ভাবা যায় না।
ক
ভূগোল কাকে বলে?

উত্তর

মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে ভূগোল বলে।
খ
প্রাকৃতিক ভূগোল ও মানবিক ভূগোলের পার্থক্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রাকৃতিক ভূগোল মূলত প্রকৃতিপ্রদত্ত ভূপৃষ্ঠের যে সব অবয়ব রয়েছে তার বর্ণনাকে বোঝায় এবং মানবীয় ভূগোল বলতে মানুষ ও তার কর্মের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের বর্ণনাকে বোঝায়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরীণ গঠন, প্রকৃতি, ভূঅভ্যন্তরের শিলাস্তরের গঠনপ্রণালি, পৃথিবীর উৎপত্তি; ভূআলোড়ন, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা প্রভৃতি বিষয় জানা যায়। পক্ষান্তরে, মানবীয় ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের জনগণ, জনবসতি, বসতির ঘনত্ব, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পেশা প্রভৃতি মানবীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এককথায় বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোল প্রকৃতিপ্রদত্ত পৃথিবীর অবয়ব বর্ণনা করে এবং মানবীয় ভূগোল এ অবয়বের ওপর মানুষের কর্মকান্ড সম্পর্কে আলোচনা করে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে ভূগোলকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে পৃথিবীর বর্ণনাকারী এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান হিসেবে। ভূগোল মূলত মানুষ ও প্রকৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। একে প্রধান দুটি শাখায় ভাগ করা যায়। একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল অন্যটি মানবীয় ভূগোল। দুটি শাখারই যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত তিনটি শাখা অর্থাৎ অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও বারিমণ্ডল প্রত্যেকটি শাখাই মানবজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- অশ্মমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত যেসব বিষয় রয়েছে অর্থাৎ ভূমিরূপবিদ্যা, ভূঅভ্যন্তরীণ গঠন ও প্রকৃতি, পর্বত, মালভূমি প্রভৃতি সম্বন্ধে জানতে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠ করতে হবে। অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশের ভিত্তিতে কোনো একটি অঞ্চলের অবস্থান নির্ণয়, সময় গণনা প্রভৃতি জানা যায়, যা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। সমুদ্রস্রোত, জোয়ারভাটা, সমুদ্রতলদেশে কী ধরনের ভূপ্রকৃতি রয়েছে তা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। পৃথিবীর চারপাশে বায়ুর যে বিশাল স্তর রয়েছে যাকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। এর অন্তর্গত বিষয় বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, উত্তাপ, ঋতু পরিবর্তন, আহ্নিক গতি প্রভৃতি বিষয়গুলো জানার জন্য প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠ অত্যাবশ্যক।
ঘ
ভূগোলকে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলার সার্থকতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ভূগোলকে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলার অন্যতম কারণ হলো ভূগোল প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্তর্গত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। ভূগোল ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সংজ্ঞা নিরূপণ করলে আমরা দেখতে পাব, ভূগোলের সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞানের আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। একটি ছাড়া অন্যটি চলতে পারে না। আমরা ভূগোল বলতে বুঝি স্থান ও সময়ের প্রেক্ষাপটে ভূপৃষ্ঠস্থ, ভূঅভ্যন্তরস্থ ও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে বায়ুমণ্ডলীয় যে স্তর রয়েছে তার অন্তর্গত বিভিন্ন অবয়বের বর্ণনা ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা। প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলতে এ পৃথিবীতে প্রাকৃতিক যেসব উপকরণ রয়েছে অর্থাৎ ভূমিরূপ, নদী, হ্রদ, সাগর-মহাসাগর, উদ্ভিদ ও প্রাণী, পানিচক্র ও পানি সম্পদ প্রভৃতির মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের অবস্থাকে বোঝায়। মোটকথা আমাদের চারপাশে যা কিছু প্রকৃতিগতভাবে রয়েছে তা প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞান আলোচনা করে থাকে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞানে। আর ভূগোলের কাজ হলো পৃথিবীতে যা কিছু আছে অর্থাৎ ভূত্বক, ভূপৃষ্ঠের চারপাশে যত উপাদান রয়েছে, ভূঅভ্যন্তরের গঠন ও উপাদান এবং ভূপৃষ্ঠের বাইরের' অবয়বেরও বর্ণনা করা। ভূগোল পৃথিবীর অন্তর্গত সমগ্র বিষয়গুলো সম্বন্ধে আলোচনা করে যার মধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশেরও বিভিন্ন উপাদান অন্তর্ভুক্ত থাকে। সুতরাং সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় ভূগোলকে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলতে পারি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

ভূগোল ও পরিবেশ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ভূগোলকে কেউ বলেছেন পৃথিবীর বর্ণনা, আবার কেউ বলেছেন প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান। পরিবেশের বিজ্ঞানের সম্পৃক্ততা ছাড়া ভূগোলকে ভাবা যায় না।
ক
ভূগোল কাকে বলে?

উত্তর

মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে ভূগোল বলে।
খ
প্রাকৃতিক ভূগোল ও মানবিক ভূগোলের পার্থক্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

প্রাকৃতিক ভূগোল মূলত প্রকৃতিপ্রদত্ত ভূপৃষ্ঠের যে সব অবয়ব রয়েছে তার বর্ণনাকে বোঝায় এবং মানবীয় ভূগোল বলতে মানুষ ও তার কর্মের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের বর্ণনাকে বোঝায়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরীণ গঠন, প্রকৃতি, ভূঅভ্যন্তরের শিলাস্তরের গঠনপ্রণালি, পৃথিবীর উৎপত্তি; ভূআলোড়ন, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা প্রভৃতি বিষয় জানা যায়। পক্ষান্তরে, মানবীয় ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের জনগণ, জনবসতি, বসতির ঘনত্ব, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পেশা প্রভৃতি মানবীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এককথায় বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোল প্রকৃতিপ্রদত্ত পৃথিবীর অবয়ব বর্ণনা করে এবং মানবীয় ভূগোল এ অবয়বের ওপর মানুষের কর্মকান্ড সম্পর্কে আলোচনা করে।
গ
উদ্দীপকের আলোকে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর

উদ্দীপকে ভূগোলকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে পৃথিবীর বর্ণনাকারী এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান হিসেবে। ভূগোল মূলত মানুষ ও প্রকৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। একে প্রধান দুটি শাখায় ভাগ করা যায়। একটি হচ্ছে প্রাকৃতিক ভূগোল অন্যটি মানবীয় ভূগোল। দুটি শাখারই যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত তিনটি শাখা অর্থাৎ অশ্মমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল ও বারিমণ্ডল প্রত্যেকটি শাখাই মানবজীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- অশ্মমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত যেসব বিষয় রয়েছে অর্থাৎ ভূমিরূপবিদ্যা, ভূঅভ্যন্তরীণ গঠন ও প্রকৃতি, পর্বত, মালভূমি প্রভৃতি সম্বন্ধে জানতে প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠ করতে হবে। অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশের ভিত্তিতে কোনো একটি অঞ্চলের অবস্থান নির্ণয়, সময় গণনা প্রভৃতি জানা যায়, যা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা জানতে পারি। সমুদ্রস্রোত, জোয়ারভাটা, সমুদ্রতলদেশে কী ধরনের ভূপ্রকৃতি রয়েছে তা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানতে পারি। পৃথিবীর চারপাশে বায়ুর যে বিশাল স্তর রয়েছে যাকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়। এর অন্তর্গত বিষয় বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাত, উত্তাপ, ঋতু পরিবর্তন, আহ্নিক গতি প্রভৃতি বিষয়গুলো জানার জন্য প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠ অত্যাবশ্যক।
ঘ
ভূগোলকে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলার সার্থকতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

ভূগোলকে প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলার অন্যতম কারণ হলো ভূগোল প্রাকৃতিক পরিবেশের অন্তর্গত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে। ভূগোল ও প্রাকৃতিক পরিবেশের সংজ্ঞা নিরূপণ করলে আমরা দেখতে পাব, ভূগোলের সাথে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞানের আন্তঃসম্পর্ক রয়েছে। একটি ছাড়া অন্যটি চলতে পারে না। আমরা ভূগোল বলতে বুঝি স্থান ও সময়ের প্রেক্ষাপটে ভূপৃষ্ঠস্থ, ভূঅভ্যন্তরস্থ ও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে বায়ুমণ্ডলীয় যে স্তর রয়েছে তার অন্তর্গত বিভিন্ন অবয়বের বর্ণনা ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করা। প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলতে এ পৃথিবীতে প্রাকৃতিক যেসব উপকরণ রয়েছে অর্থাৎ ভূমিরূপ, নদী, হ্রদ, সাগর-মহাসাগর, উদ্ভিদ ও প্রাণী, পানিচক্র ও পানি সম্পদ প্রভৃতির মধ্যে আন্তঃসম্পর্কের অবস্থাকে বোঝায়। মোটকথা আমাদের চারপাশে যা কিছু প্রকৃতিগতভাবে রয়েছে তা প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞান আলোচনা করে থাকে। অর্থাৎ প্রাকৃতিক পরিবেশ সম্পর্কিত বিষয়গুলো সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় প্রাকৃতিক পরিবেশ বিজ্ঞানে। আর ভূগোলের কাজ হলো পৃথিবীতে যা কিছু আছে অর্থাৎ ভূত্বক, ভূপৃষ্ঠের চারপাশে যত উপাদান রয়েছে, ভূঅভ্যন্তরের গঠন ও উপাদান এবং ভূপৃষ্ঠের বাইরের' অবয়বেরও বর্ণনা করা। ভূগোল পৃথিবীর অন্তর্গত সমগ্র বিষয়গুলো সম্বন্ধে আলোচনা করে যার মধ্যে প্রাকৃতিক পরিবেশেরও বিভিন্ন উপাদান অন্তর্ভুক্ত থাকে। সুতরাং সার্বিক বিষয়াদি বিবেচনায় ভূগোলকে আমরা প্রাকৃতিক পরিবেশের বিজ্ঞান বলতে পারি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আকাশ শীতের ছুটিতে বান্দরবানে ঘুরতে গেল। সে এখানে উঁচু উঁচু পাহাড়, পাহাড়ি নদী এবং পাহাড়ি বনাঞ্চল দেখে মুগ্ধ হলো। সে ভাবল ঢাকা শহর থেকে এখানের পরিবেশ কত আলাদা।
ক
প্রাকৃতিক ভূগোল কী?

উত্তর

ভূগোলশাস্ত্রের যে শাখায় পৃথিবীর জন্ম, পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ এবং এর পরিবর্তন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জীবমণ্ডল প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
খ
প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয় কী?

উত্তর

প্রাকৃতিক, ভূগোলে যেসব উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়। প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসর সাধারণভাবে প্রকৃতির স্থানিক বিশ্লেষণ অপেক্ষা অনেক বৃহত্তর। সাধারণত ভূমিরূপবিদ্যা, জলবায়ুবিদ্যা, সমুদ্রবিদ্যা, মৃত্তিকাবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিজ ভূগোল প্রভৃতি প্রাকৃতিক ভূগোলোর আলোচন্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
গ
আকাশ বান্দরবানে যে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখেছে তা ভূগোলের কোন অংশে কীভাবে আলোচিত হয়?

উত্তর

পৃথিবীতে প্রকৃতির সকল বিষয়ই প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্গত। উদ্দীপকে উল্লিখিত আকাশ বান্দরবান অঞ্চলে ঘুরতে গিয়েছিল। এখানকার যে প্রাকৃতিক পরিবেশ লক্ষ করা গেছে তাও মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত। বান্দরবান অঞ্চলে অনেক উঁচু উঁচু পাহাড়, পাহাড়ি নদী এবং পাহাড়ি বনাঞ্চল রয়েছে যা মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত ভূপ্রকৃতি অংশে ঐ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি সম্পর্কিত বিষয় আলোচিত হয়। মূলত জলবায়ু ও মৃত্তিকাজনিত কারণে এ অঞ্চলে উদ্ভিজ্জ বেশি পরিলক্ষিত হয়। যা প্রাকৃতিক ভূগোলের অংশ। আবার পাহাড়ি অঞ্চলের চূড়ায় অনেক বরফ জমে এবং এর ফলে এ অঞ্চল অনেক শীতল থাকে। এসব বরফখণ্ড বিচূর্ণীভবনের মাধ্যমে ক্ষয়ীভূত হয়ে ছোট গর্তের সৃষ্টি করে এবং কালক্রমে তা নদী সৃষ্টি করে থাকে যা পাহাড়ি নদী নামে পরিচিত। এসব নদী কীভাবে সৃষ্টি হলো তা প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের আকাশ বান্দরবানের যে প্রাকৃতিক পরিবেশ অর্থাৎ পাহাড়, নদনদী, জঙ্গল প্রভৃতি দেখে মুগ্ধ হয়েছে; তা ঐ অঞ্চলে কীভাবে গড়ে ওঠে তা মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের ভূপ্রকৃতি, উদ্ভিজ্জ ও নদনদী অংশের মাধ্যমে আলোচিত হয়।
ঘ
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক ভূগোলের বিষয়বস্তুর সম্প্রসারণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুগুণে বেড়েছে। কীভাবে পৃথিবী বিভিন্ন বাষ্পীয় ও তরল অবস্থার মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে তা আমরা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে ভূত্বকের স্থানিক গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। ভূপৃষ্ঠ অনেকগুলো প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন জায়গায় এ প্লেটগুলোর চলন বিভিন্ন ধরনের হয়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে এ প্লেটগুলোর চলনের ধরন সম্পর্কে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের অন্যতম গুরুত্ব হলো পৃথিবীর জলবায়ু সম্পর্কে বিশদভাবে জানা। এর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের গভীরতা, বায়ুর প্রকারভেদ, স্তরবিন্যাস, বায়ুর উপাদান, বায়ুর তাপ ও চাপ প্রভৃতি। সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমনকি বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প, বায়ুর আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের কারণ, বৃষ্টি বলয়, বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ প্রভৃতি বিষয়ও জানা যায়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া পৃথিবীর মহাসাগরসমূহের অবস্থান, আকৃতি, জোয়ারভাটা, সমুদ্রস্রোত এবং এদের প্রভাব সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বাইরের সৌরজগৎ ও লক্ষ কোটি তারকারাজি সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। তাই মানবকল্যাণে প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCGeography 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

আকাশ শীতের ছুটিতে বান্দরবানে ঘুরতে গেল। সে এখানে উঁচু উঁচু পাহাড়, পাহাড়ি নদী এবং পাহাড়ি বনাঞ্চল দেখে মুগ্ধ হলো। সে ভাবল ঢাকা শহর থেকে এখানের পরিবেশ কত আলাদা।
ক
প্রাকৃতিক ভূগোল কী?

উত্তর

ভূগোলশাস্ত্রের যে শাখায় পৃথিবীর জন্ম, পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় ভূমিরূপ এবং এর পরিবর্তন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জীবমণ্ডল প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
খ
প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয় কী?

উত্তর

প্রাকৃতিক, ভূগোলে যেসব উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাই প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়। প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিসর সাধারণভাবে প্রকৃতির স্থানিক বিশ্লেষণ অপেক্ষা অনেক বৃহত্তর। সাধারণত ভূমিরূপবিদ্যা, জলবায়ুবিদ্যা, সমুদ্রবিদ্যা, মৃত্তিকাবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণিজ ভূগোল প্রভৃতি প্রাকৃতিক ভূগোলোর আলোচন্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
গ
আকাশ বান্দরবানে যে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখেছে তা ভূগোলের কোন অংশে কীভাবে আলোচিত হয়?

উত্তর

পৃথিবীতে প্রকৃতির সকল বিষয়ই প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্গত। উদ্দীপকে উল্লিখিত আকাশ বান্দরবান অঞ্চলে ঘুরতে গিয়েছিল। এখানকার যে প্রাকৃতিক পরিবেশ লক্ষ করা গেছে তাও মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত। বান্দরবান অঞ্চলে অনেক উঁচু উঁচু পাহাড়, পাহাড়ি নদী এবং পাহাড়ি বনাঞ্চল রয়েছে যা মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের আওতাভুক্ত। প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত ভূপ্রকৃতি অংশে ঐ অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি সম্পর্কিত বিষয় আলোচিত হয়। মূলত জলবায়ু ও মৃত্তিকাজনিত কারণে এ অঞ্চলে উদ্ভিজ্জ বেশি পরিলক্ষিত হয়। যা প্রাকৃতিক ভূগোলের অংশ। আবার পাহাড়ি অঞ্চলের চূড়ায় অনেক বরফ জমে এবং এর ফলে এ অঞ্চল অনেক শীতল থাকে। এসব বরফখণ্ড বিচূর্ণীভবনের মাধ্যমে ক্ষয়ীভূত হয়ে ছোট গর্তের সৃষ্টি করে এবং কালক্রমে তা নদী সৃষ্টি করে থাকে যা পাহাড়ি নদী নামে পরিচিত। এসব নদী কীভাবে সৃষ্টি হলো তা প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের আকাশ বান্দরবানের যে প্রাকৃতিক পরিবেশ অর্থাৎ পাহাড়, নদনদী, জঙ্গল প্রভৃতি দেখে মুগ্ধ হয়েছে; তা ঐ অঞ্চলে কীভাবে গড়ে ওঠে তা মূলত প্রাকৃতিক ভূগোলের ভূপ্রকৃতি, উদ্ভিজ্জ ও নদনদী অংশের মাধ্যমে আলোচিত হয়।
ঘ
প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক ভূগোলের বিষয়বস্তুর সম্প্রসারণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুগুণে বেড়েছে। কীভাবে পৃথিবী বিভিন্ন বাষ্পীয় ও তরল অবস্থার মধ্য দিয়ে বর্তমান রূপ ধারণ করেছে তা আমরা প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে ভূত্বকের স্থানিক গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। ভূপৃষ্ঠ অনেকগুলো প্লেটের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন জায়গায় এ প্লেটগুলোর চলন বিভিন্ন ধরনের হয়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে এ প্লেটগুলোর চলনের ধরন সম্পর্কে জানতে পারি। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের অন্যতম গুরুত্ব হলো পৃথিবীর জলবায়ু সম্পর্কে বিশদভাবে জানা। এর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলের গভীরতা, বায়ুর প্রকারভেদ, স্তরবিন্যাস, বায়ুর উপাদান, বায়ুর তাপ ও চাপ প্রভৃতি। সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করতে পারি। এমনকি বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প, বায়ুর আর্দ্রতা, বৃষ্টিপাতের কারণ, বৃষ্টি বলয়, বৃষ্টিপাতের প্রকারভেদ প্রভৃতি বিষয়ও জানা যায়। প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে সমুদ্র সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া পৃথিবীর মহাসাগরসমূহের অবস্থান, আকৃতি, জোয়ারভাটা, সমুদ্রস্রোত এবং এদের প্রভাব সম্পর্কে জানা যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বাইরের সৌরজগৎ ও লক্ষ কোটি তারকারাজি সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। তাই মানবকল্যাণে প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো