প্রাকৃতিক ভূগোল মূলত প্রকৃতিপ্রদত্ত ভূপৃষ্ঠের যে সব অবয়ব রয়েছে তার বর্ণনাকে বোঝায় এবং মানবীয় ভূগোল বলতে মানুষ ও তার কর্মের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের বর্ণনাকে বোঝায়।
প্রাকৃতিক ভূগোল পাঠের মাধ্যমে আমরা ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরীণ গঠন, প্রকৃতি, ভূঅভ্যন্তরের শিলাস্তরের গঠনপ্রণালি, পৃথিবীর উৎপত্তি; ভূআলোড়ন, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্রতলদেশের ভূমিরূপ, অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা প্রভৃতি বিষয় জানা যায়। পক্ষান্তরে, মানবীয় ভূগোল পাঠের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের জনগণ, জনবসতি, বসতির ঘনত্ব, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পেশা প্রভৃতি মানবীয় কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। এককথায় বলা যায়, প্রাকৃতিক ভূগোল প্রকৃতিপ্রদত্ত পৃথিবীর অবয়ব বর্ণনা করে এবং মানবীয় ভূগোল এ অবয়বের ওপর মানুষের কর্মকান্ড সম্পর্কে আলোচনা করে।