Chapter 6 : সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ Psychology 1st Paper

HSC Psychology 1st Paper এর Chapter 6 : সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩৮৭

প্রশ্ন

Psychology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মনোযোগ কী?

উত্তর

যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে।
মূল্যবোধ কীভাবে মনোযোগকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

মনোযোগ নির্ধারণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের নির্ধারক বা শর্ত বা কারণ রয়েছে। এ সকল শর্ত সমুহকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, বস্তুনিষ্ঠ বা ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্ত এবং ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলি। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি হচ্ছে মূল্যবোধ। সমাজকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত, ধর্মবেত্তাগণ ধর্ম সংক্রান্ত কথা শুনলে সেদিকে মনোযোগ দেন। অর্থাৎ যার যেরকম মূল্যবোধ সে তৎসংক্রান্ত বস্তু বা ঘটনার প্রতি অতি সহজেই মনোযোগী হয়ে পড়েন। তাই মূল্যবোধ মনোযোগের সাথে জড়িত এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
প্রত্যক্ষণ সংগঠনে 'AA^{\prime} এর যেকোনো তিনটি শর্ত ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ A চিহ্নিত অংশটি প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিম্নে তিনটি উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্ত ব্যাখ্যা করা হলো- ১. নৈকট্য: যে সকল বস্তু কাছাকাছি সেগুলোকে আমরা একত্রে প্রত্যক্ষণ করি। আবার যে বস্তুগুলো একই রকম হলেও দূরে দূরে অবস্থান করে তাদেরকে আমরা ভিন্নভাবে প্রত্যক্ষণ করি। ২. সাদৃশ্য: বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো বস্তুর মধ্যে মিল যুক্ত একই ধরনের বস্তুগুলো আমরা একত্রে প্রত্যক্ষ করি। অর্থাৎ প্রত্যক্ষণের সংগঠনে বস্তুর সাদৃশ্য এক বিশ্বের ভূমিকা পালন করে। ৩. ফাঁকা স্থান পূরণ: প্রত্যক্ষনের সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এই যে প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁকা স্থান থাকলে আমরা তা পূরণ করে প্রত্যক্ষণ করে থাকি।
মনোযোগের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ B ও C মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিচে মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: বাহ্যিক জগতের যে সকল উপাদান আমাদের মনোযোগ আকর্ষণকে নির্ধারণ করে তাদের মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত বা বাহ্যিক শর্ত বলা হয়। মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত সমূহ নিম্নরূপ- ১. উদ্দীপকের আকার বড় না ছোট তার উপর মনোযোগের মাত্রা নির্ভর করে। ২. উদ্দীপকে তীব্রতার মাত্রা অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষিত হয় ৩. যে কোনো নতুন উদ্দীপকের প্রতি আমাদের মনোযোগ সহজে আকৃষ্ট হয়। ৪. যে কোনো রঙিন বস্তু বা উদ্দীপক সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৫. স্থির বস্তুর তুলনায় গতিশীল বস্তু সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে। এছাড়াও পুনরাবৃত্তি, বৈপরীত্য, সাদৃশ্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব, উদ্দীপকের অবস্থান, সামঞ্জস্যহীনতা, উজ্জ্বলতা, গোপনীয়তা প্রভৃতি বাহ্যিক উপাদান বা শর্তগুলি মনোযোগ নির্ধারণ করে থাকে। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তি নিষ্ঠুর উপাদান সমূহ আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে, যেমন- ১. আমরা কোন ব্যক্তি বিষয় বা বস্তুর প্রতি কিরূপ মনোযোগী হব তা নির্ভর করবে আমাদের মধ্যে বিদ্যমান প্রেষণার উপর। ২. আমাদের আবেগ মনোযোগ নিয়ন্ত্রণে আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩. কোন ব্যক্তির যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি তা ব্যক্তিকে সে বিষয়ে অধিক মনোযোগী করে তোলে। ৪. ব্যক্তির কোন বিষয়ের প্রতি অনুকূল ও প্রতিকূল মনোভাব তার মনোযোগকে আকর্ষণ করে। এছাড়াও অভিজ্ঞতা, অভ্যাস ও শিক্ষা, কামনা, স্বাস্থ্য, ক্লান্তি ও অবসাদ প্রভৃতি মনোযোগকে নির্ধারণ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মনোযোগ কী?

উত্তর

যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে।
মূল্যবোধ কীভাবে মনোযোগকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

মনোযোগ নির্ধারণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের নির্ধারক বা শর্ত বা কারণ রয়েছে। এ সকল শর্ত সমুহকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, বস্তুনিষ্ঠ বা ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্ত এবং ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলি। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি হচ্ছে মূল্যবোধ। সমাজকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত, ধর্মবেত্তাগণ ধর্ম সংক্রান্ত কথা শুনলে সেদিকে মনোযোগ দেন। অর্থাৎ যার যেরকম মূল্যবোধ সে তৎসংক্রান্ত বস্তু বা ঘটনার প্রতি অতি সহজেই মনোযোগী হয়ে পড়েন। তাই মূল্যবোধ মনোযোগের সাথে জড়িত এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
প্রত্যক্ষণ সংগঠনে 'AA^{\prime} এর যেকোনো তিনটি শর্ত ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ A চিহ্নিত অংশটি প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিম্নে তিনটি উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্ত ব্যাখ্যা করা হলো- ১. নৈকট্য: যে সকল বস্তু কাছাকাছি সেগুলোকে আমরা একত্রে প্রত্যক্ষণ করি। আবার যে বস্তুগুলো একই রকম হলেও দূরে দূরে অবস্থান করে তাদেরকে আমরা ভিন্নভাবে প্রত্যক্ষণ করি। ২. সাদৃশ্য: বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো বস্তুর মধ্যে মিল যুক্ত একই ধরনের বস্তুগুলো আমরা একত্রে প্রত্যক্ষ করি। অর্থাৎ প্রত্যক্ষণের সংগঠনে বস্তুর সাদৃশ্য এক বিশ্বের ভূমিকা পালন করে। ৩. ফাঁকা স্থান পূরণ: প্রত্যক্ষনের সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এই যে প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁকা স্থান থাকলে আমরা তা পূরণ করে প্রত্যক্ষণ করে থাকি।
মনোযোগের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ B ও C মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিচে মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: বাহ্যিক জগতের যে সকল উপাদান আমাদের মনোযোগ আকর্ষণকে নির্ধারণ করে তাদের মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত বা বাহ্যিক শর্ত বলা হয়। মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত সমূহ নিম্নরূপ- ১. উদ্দীপকের আকার বড় না ছোট তার উপর মনোযোগের মাত্রা নির্ভর করে। ২. উদ্দীপকে তীব্রতার মাত্রা অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষিত হয় ৩. যে কোনো নতুন উদ্দীপকের প্রতি আমাদের মনোযোগ সহজে আকৃষ্ট হয়। ৪. যে কোনো রঙিন বস্তু বা উদ্দীপক সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৫. স্থির বস্তুর তুলনায় গতিশীল বস্তু সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে। এছাড়াও পুনরাবৃত্তি, বৈপরীত্য, সাদৃশ্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব, উদ্দীপকের অবস্থান, সামঞ্জস্যহীনতা, উজ্জ্বলতা, গোপনীয়তা প্রভৃতি বাহ্যিক উপাদান বা শর্তগুলি মনোযোগ নির্ধারণ করে থাকে। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তি নিষ্ঠুর উপাদান সমূহ আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে, যেমন- ১. আমরা কোন ব্যক্তি বিষয় বা বস্তুর প্রতি কিরূপ মনোযোগী হব তা নির্ভর করবে আমাদের মধ্যে বিদ্যমান প্রেষণার উপর। ২. আমাদের আবেগ মনোযোগ নিয়ন্ত্রণে আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩. কোন ব্যক্তির যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি তা ব্যক্তিকে সে বিষয়ে অধিক মনোযোগী করে তোলে। ৪. ব্যক্তির কোন বিষয়ের প্রতি অনুকূল ও প্রতিকূল মনোভাব তার মনোযোগকে আকর্ষণ করে। এছাড়াও অভিজ্ঞতা, অভ্যাস ও শিক্ষা, কামনা, স্বাস্থ্য, ক্লান্তি ও অবসাদ প্রভৃতি মনোযোগকে নির্ধারণ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: যদিও যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম -প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও, এখন আর সে রকম মনে হয় না। দৃশ্যকল্প-২: বারান্দায় বসে বই পড়ার সময় ছিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান। পরে বুঝতে পারেন, এটি ভাত পোড়ার গন্ধ।

Chittagong · 2025

সংবেদন কাকে বলে?

উত্তর

সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রাথমিক চেতনা বা বোধ।
সংবেদনে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

সংবেদনের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব। কোন সংবেদন কতটুকু স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে উদ্দীপকের স্থায়িত্বের উপর। সাধারণত কোনো উদ্দীপক যতক্ষণ পর্যন্ত ইন্দ্রিয়কে উত্তেজিত রাখে ততক্ষণ পর্যন্ত সংবেদন স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন-কলেজ ছুটির ঘন্টা একটু বেশি সময় ধরে এক নাগাড়ে বাজানো হয়। ফলে সংবেদনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।
রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো সংবেদনের সমতা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীলতার পর্যায়ক্রমিক ক্রমাবনতি হলো সংবেদন সমতা। যেহেতু বিভিন্ন ইন্দ্রিয় আমাদের সংবেদনের সাথে জড়িত তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন বা সমতা দেখতে পাই। সংবেদন সমতা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন- অন্ধকার অভিযোজন, আলো অভিযোজন, গন্ধ অভিযোজন, শব্দ অভিযোজন, তাপ ও শৈত্য অভিযোজন ইত্যাদি। উদ্দীপকে দেখা যায়, যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও এখন আর এরকম মনে হয় না। অর্থাৎ রায়হান সাহেবের বেলায় সংবেদন সমতা সম্পন্ন হয়েছে এবং যে অভিযোজনটি সম্পন্ন হয়েছে তা হলো শব্দ অভিযোজন।
ছিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট ধারণা দু'টি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া দুটি হলো যথাক্রমে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ। নিচে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনা হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু। কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুত গতিতে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষনের মধ্যে সুক্ষ্ম সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়। উদ্দীপকে দেখা যায় বারান্দায় বই পড়ার সময় সিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান, এ সময় তার গন্ধ পাওয়া এটি সংবেদন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন এ গন্ধ ভাত পোড়ার গন্ধ। যখন তিনি ভাত পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এ বিষয়টি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: যদিও যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম -প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও, এখন আর সে রকম মনে হয় না। দৃশ্যকল্প-২: বারান্দায় বসে বই পড়ার সময় ছিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান। পরে বুঝতে পারেন, এটি ভাত পোড়ার গন্ধ।

Chittagong · 2025

সংবেদন কাকে বলে?

উত্তর

সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রাথমিক চেতনা বা বোধ।
সংবেদনে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

সংবেদনের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব। কোন সংবেদন কতটুকু স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে উদ্দীপকের স্থায়িত্বের উপর। সাধারণত কোনো উদ্দীপক যতক্ষণ পর্যন্ত ইন্দ্রিয়কে উত্তেজিত রাখে ততক্ষণ পর্যন্ত সংবেদন স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন-কলেজ ছুটির ঘন্টা একটু বেশি সময় ধরে এক নাগাড়ে বাজানো হয়। ফলে সংবেদনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।
রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো সংবেদনের সমতা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীলতার পর্যায়ক্রমিক ক্রমাবনতি হলো সংবেদন সমতা। যেহেতু বিভিন্ন ইন্দ্রিয় আমাদের সংবেদনের সাথে জড়িত তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন বা সমতা দেখতে পাই। সংবেদন সমতা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন- অন্ধকার অভিযোজন, আলো অভিযোজন, গন্ধ অভিযোজন, শব্দ অভিযোজন, তাপ ও শৈত্য অভিযোজন ইত্যাদি। উদ্দীপকে দেখা যায়, যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও এখন আর এরকম মনে হয় না। অর্থাৎ রায়হান সাহেবের বেলায় সংবেদন সমতা সম্পন্ন হয়েছে এবং যে অভিযোজনটি সম্পন্ন হয়েছে তা হলো শব্দ অভিযোজন।
ছিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট ধারণা দু'টি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া দুটি হলো যথাক্রমে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ। নিচে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনা হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু। কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুত গতিতে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষনের মধ্যে সুক্ষ্ম সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়। উদ্দীপকে দেখা যায় বারান্দায় বই পড়ার সময় সিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান, এ সময় তার গন্ধ পাওয়া এটি সংবেদন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন এ গন্ধ ভাত পোড়ার গন্ধ। যখন তিনি ভাত পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এ বিষয়টি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাতে হাঁটার সময় রফিকের চোখে হঠাৎ এক ঝলক আলো পড়ল। এতে সে দ্রুত চোখ বন্ধ করল। কিছুক্ষণ পড়ে সে বুঝতে পারল এটা একটি মটরগাড়ির হেড লাইটের আলো। অন্যদিকে, মনোবিজ্ঞানী শিপোলা মনে করেন, কোনো বস্তু বা ঘটনাকে বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্দেশ বা উপদেশ দিয়ে প্রত্যক্ষণের উপর এক ধরনের প্রভাব নিরূপণ করা যায়।

Dhaka · 2025

সংবেদনের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন।
আবেগ কীভাবে প্রত্যক্ষণকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

আবেগ মনোযোগের একটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত। মনোযোগ নির্ধারণ করার ব্যাপারে আবেগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- যাকে আমরা ভালোবাসি তার সৎ গুণের প্রতি আমাদের মনোযোগ ধাবিত হয় আর যাকে আমরা অপছন্দ করি তার দোষ ত্রুটি গুলোই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
উদ্দীপকে রফিকের চোখে আলো পড়া এবং আলোর উৎস উপলব্ধি করার প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রফিকের চোখে আলো পড়ার বিষয়টি হলো সংবেদন এবং আলোর উৎস উপলব্ধি করার প্রক্রিয়াটি হলো প্রত্যক্ষণ। পরিবেশের কোনো উদ্দীপককে কেন্দ্র করে শুরু হয় সংবেদন প্রক্রিয়া। উদ্দীপক হলো এক ধরনের শক্তি যা স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করতে সক্ষম। যেমন- আলো, শব্দ, গন্ধ, তাপ ইত্যাদি। কোন উদ্দীপক প্রথমে কোন গ্রহণ ইন্দ্রিয়ের কোষসমূহকে উত্তেজিত করে। এই উত্তেজনা অন্তর্মুখী স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে চলে যায় এবং মস্তিষ্কের মধ্যে অবস্থিত সংযোগীয় স্নায়ু কোষ উজ্জীবিত হয়। এই উদ্দীপনাই সংবেদনের জন্ম দিয়ে থাকে। অপরদিকে সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। কোনো ইন্দ্রিয় যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুতগতিতে তা ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকে রাতে হাঁটার সময় রফিকের চোখে হঠাৎ এক ঝলক আলো পড়ে যা সংবেদন। অপরদিকে কিছুক্ষণ পরে সে বুঝতে পারে এটি একটি মোটর গাড়ির হেড লাইটের আলো তখন সেটি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু।
উদ্দীপকে মনোবিজ্ঞানী শিপোলা উদ্ধৃত প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উপাদানটি উদাহরণসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মনোবিজ্ঞানী শিপোলা উদ্ধৃত প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উপাদানটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত ঝোঁক বা প্রবণতাকে নির্দেশ করে। কোনো বস্তু বা ঘটনাকে কোনো বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রত্যক্ষণ করার ঝোঁক বা প্রবণতা সকলের মধ্যেই রয়েছে। সাধারণত নির্দেশনা বা উপদেশ দিয়ে এ প্রবণতা তৈরি করে প্রত্যক্ষের উপর তার প্রভাব নিরূপণ করা হয়। এক্ষেত্রে শিপোলার পরীক্ষণটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি তার পরীক্ষণ পাত্রদেরকে দুটি দলে ভাগ করেন। একটি দলকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে তারা প্রাণীর নামযুক্ত শব্দ দেখবে এবং অপর দলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে তারা ভ্রমণ সম্পর্কিত শব্দ দেখবে। এরপর তিনি কতগুলো অর্থহীন শব্দ টাচিস্টোসকোপ যন্ত্রের সাহায্যে দ্রুতগতিতে পরীক্ষণ পাত্রদেরকে দেখান। এই পরীক্ষণ এর ফলাফল নিচে দেওয়া হলো- question image ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে নির্দেশের ফলে পরীক্ষণ পাত্রদের মধ্যে যে ঝোঁক বা প্রবণতা তৈরি হয়েছিল তার ফলেই অর্থহীন শব্দকে একদল (প্রাণী দল) প্রাণীর নাম হিসেবে এবং অন্য দল (ভ্রমণ দল) ভ্রমণ সম্পর্কিত শব্দ, হিসেবে প্রত্যক্ষণ করেছিল। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে ঝোঁক বা প্রবণতা প্রত্যক্ষণকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রাতে হাঁটার সময় রফিকের চোখে হঠাৎ এক ঝলক আলো পড়ল। এতে সে দ্রুত চোখ বন্ধ করল। কিছুক্ষণ পড়ে সে বুঝতে পারল এটা একটি মটরগাড়ির হেড লাইটের আলো। অন্যদিকে, মনোবিজ্ঞানী শিপোলা মনে করেন, কোনো বস্তু বা ঘটনাকে বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্দেশ বা উপদেশ দিয়ে প্রত্যক্ষণের উপর এক ধরনের প্রভাব নিরূপণ করা যায়।

Dhaka · 2025

সংবেদনের সংজ্ঞা দাও।

উত্তর

কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন।
আবেগ কীভাবে প্রত্যক্ষণকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

আবেগ মনোযোগের একটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত। মনোযোগ নির্ধারণ করার ব্যাপারে আবেগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- যাকে আমরা ভালোবাসি তার সৎ গুণের প্রতি আমাদের মনোযোগ ধাবিত হয় আর যাকে আমরা অপছন্দ করি তার দোষ ত্রুটি গুলোই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে।
উদ্দীপকে রফিকের চোখে আলো পড়া এবং আলোর উৎস উপলব্ধি করার প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে রফিকের চোখে আলো পড়ার বিষয়টি হলো সংবেদন এবং আলোর উৎস উপলব্ধি করার প্রক্রিয়াটি হলো প্রত্যক্ষণ। পরিবেশের কোনো উদ্দীপককে কেন্দ্র করে শুরু হয় সংবেদন প্রক্রিয়া। উদ্দীপক হলো এক ধরনের শক্তি যা স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করতে সক্ষম। যেমন- আলো, শব্দ, গন্ধ, তাপ ইত্যাদি। কোন উদ্দীপক প্রথমে কোন গ্রহণ ইন্দ্রিয়ের কোষসমূহকে উত্তেজিত করে। এই উত্তেজনা অন্তর্মুখী স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে চলে যায় এবং মস্তিষ্কের মধ্যে অবস্থিত সংযোগীয় স্নায়ু কোষ উজ্জীবিত হয়। এই উদ্দীপনাই সংবেদনের জন্ম দিয়ে থাকে। অপরদিকে সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। কোনো ইন্দ্রিয় যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুতগতিতে তা ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। উদ্দীপকে রাতে হাঁটার সময় রফিকের চোখে হঠাৎ এক ঝলক আলো পড়ে যা সংবেদন। অপরদিকে কিছুক্ষণ পরে সে বুঝতে পারে এটি একটি মোটর গাড়ির হেড লাইটের আলো তখন সেটি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু।
উদ্দীপকে মনোবিজ্ঞানী শিপোলা উদ্ধৃত প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উপাদানটি উদাহরণসহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে মনোবিজ্ঞানী শিপোলা উদ্ধৃত প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উপাদানটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত ঝোঁক বা প্রবণতাকে নির্দেশ করে। কোনো বস্তু বা ঘটনাকে কোনো বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রত্যক্ষণ করার ঝোঁক বা প্রবণতা সকলের মধ্যেই রয়েছে। সাধারণত নির্দেশনা বা উপদেশ দিয়ে এ প্রবণতা তৈরি করে প্রত্যক্ষের উপর তার প্রভাব নিরূপণ করা হয়। এক্ষেত্রে শিপোলার পরীক্ষণটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি তার পরীক্ষণ পাত্রদেরকে দুটি দলে ভাগ করেন। একটি দলকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে তারা প্রাণীর নামযুক্ত শব্দ দেখবে এবং অপর দলকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে তারা ভ্রমণ সম্পর্কিত শব্দ দেখবে। এরপর তিনি কতগুলো অর্থহীন শব্দ টাচিস্টোসকোপ যন্ত্রের সাহায্যে দ্রুতগতিতে পরীক্ষণ পাত্রদেরকে দেখান। এই পরীক্ষণ এর ফলাফল নিচে দেওয়া হলো- question image ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে নির্দেশের ফলে পরীক্ষণ পাত্রদের মধ্যে যে ঝোঁক বা প্রবণতা তৈরি হয়েছিল তার ফলেই অর্থহীন শব্দকে একদল (প্রাণী দল) প্রাণীর নাম হিসেবে এবং অন্য দল (ভ্রমণ দল) ভ্রমণ সম্পর্কিত শব্দ, হিসেবে প্রত্যক্ষণ করেছিল। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে ঝোঁক বা প্রবণতা প্রত্যক্ষণকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রত্যক্ষণ কী?

উত্তর

রেডিজার ও তার সহযোগী গণের মতে- "সংবেদন বলতে পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণকে বোঝায় অন্যদিকে প্রত্যক্ষণ সেই উদ্দীপনার ব্যাখ্যা ও অর্থবোধের বর্ণনা দান করে।"
সংবেদনে উদ্দীপকের তীব্রতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

কোন বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন। সংবেদনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকে তীব্রতা। সংবেদনের তীব্রতা নির্ভর করে মূলত উদ্দীপকের তীব্রতার উপর। সাধারণত উদ্দীপকের তীব্রতা বাড়ালে বা কমালে সংবেদনের তীব্রতাও বাড়বে বা কমবে। মুখ দিয়ে শিস দেওয়া শব্দের চেয়ে রেলগাড়ির হুইসেলের শব্দ অনেক বেশি তীব্র। হুইসেলের ঐ তীব্র শব্দ কানের গভীরে প্রবেশ করলে ব্যথার সংবেদন অনুভূত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত স্থান মনোযোগের কেন্দ্রকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে। উদ্দীপক প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে বলা যায় যে অসংখ্য উদ্দীপক বা একই উদ্দীপকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কেবলমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক কোন উদ্দীপক অথবা, উদ্দীপকের নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্ট্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া করার নির্দিষ্ট মানসিক প্রক্রিয়ার কেন্দ্রীয় অবস্থাকে মনোযোগ বলা হয়। আমরা একই সাথে অনেকগুলো উদ্দীপক দ্বারা উদ্দীপিত হই। কিন্তু সবগুলো উদ্দীপক আমাদের কেন্দ্রে অবস্থান করে না। সেগুলোর অবস্থান হয় মনোযোগের প্রান্তে। কেবলমাত্র সেই উদ্দীপকটি কেন্দ্রে আসতে সক্ষম হবে যেটি নিজ বৈশিষ্ট্যের শক্তিতে বলিয়ান অথবা যেটি ব্যক্তির নিকট অধিক আকর্ষণীয়। উদ্দীপকের চিত্রে এরকম উদ্দীপকের অবস্থান A বিন্দুতে। অর্থাৎ অসংখ্য উদ্দীপকের মধ্যে যে উদ্দীপকটি A বিন্দুতে আসতে সক্ষম শুধুমাত্র আমরা সেই উদ্দীপকের প্রতি মনোযোগী হই। অর্থাৎ মনোযোগের কেন্দ্রে থাকা উদ্দীপকের প্রতি আমরা মনোযোগী হই।
দৃশ্যকল্প-২ এর B চিহ্নিত অংশটির চারটি শর্ত বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প ২ এর B চিহ্নিত অংশটি হলো মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত। মনোযোগ কতগুলো অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তিনিষ্ঠ বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। এ সকল বিষয় হলো মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলী। নিম্নে চারটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তের আলোচনা করা হলো- ১. আগ্রহ: যার যে বিষয়ে আগ্রহ তার মনোযোগ সে বিষয়ে বেশি। এজন্য দৈনিক সংবাদপত্রে ক্রীড়ামোদী ব্যক্তি খেলার খবর দেখেন, ব্যবসায়ী দেখেন বাজার দর। ২. আবেগ: মনোযোগ নির্ধারণ করার ব্যাপারে আবেগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- যাকে আমরা ভালোবাসি তার সৎ গুণের প্রতি আমাদের মনোযোগ ধাবিত হয় আর যাকে আমরা অপছন্দ করি তার দোষ ত্রুটি গুলোই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৩. কামনা: মনোযোগ কামনা-বাসনা প্রভৃতির দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- যে ব্যক্তি অর্থের কামনায় উন্মত্ত সে সবসময় অধিক অর্থ উপার্জনে মনোযোগী হয়ে থাকে। ৪. প্রেষণা: কোন বিষয়ে বস্তুর প্রতি আমরা মনোযোগী হব তা নির্ভর করে প্রেষণার উপর। ক্ষুধার্থ খাদ্যের প্রতি, তৃষ্ণার্ত পানির প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রত্যক্ষণ কী?

উত্তর

রেডিজার ও তার সহযোগী গণের মতে- "সংবেদন বলতে পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণকে বোঝায় অন্যদিকে প্রত্যক্ষণ সেই উদ্দীপনার ব্যাখ্যা ও অর্থবোধের বর্ণনা দান করে।"
সংবেদনে উদ্দীপকের তীব্রতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

কোন বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনাই হলো সংবেদন। সংবেদনের কতগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকে তীব্রতা। সংবেদনের তীব্রতা নির্ভর করে মূলত উদ্দীপকের তীব্রতার উপর। সাধারণত উদ্দীপকের তীব্রতা বাড়ালে বা কমালে সংবেদনের তীব্রতাও বাড়বে বা কমবে। মুখ দিয়ে শিস দেওয়া শব্দের চেয়ে রেলগাড়ির হুইসেলের শব্দ অনেক বেশি তীব্র। হুইসেলের ঐ তীব্র শব্দ কানের গভীরে প্রবেশ করলে ব্যথার সংবেদন অনুভূত হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A চিহ্নিত স্থান মনোযোগের কেন্দ্রকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে। উদ্দীপক প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে বলা যায় যে অসংখ্য উদ্দীপক বা একই উদ্দীপকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কেবলমাত্র নির্দিষ্ট সংখ্যক কোন উদ্দীপক অথবা, উদ্দীপকের নির্দিষ্ট কোন বৈশিষ্ট্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া করার নির্দিষ্ট মানসিক প্রক্রিয়ার কেন্দ্রীয় অবস্থাকে মনোযোগ বলা হয়। আমরা একই সাথে অনেকগুলো উদ্দীপক দ্বারা উদ্দীপিত হই। কিন্তু সবগুলো উদ্দীপক আমাদের কেন্দ্রে অবস্থান করে না। সেগুলোর অবস্থান হয় মনোযোগের প্রান্তে। কেবলমাত্র সেই উদ্দীপকটি কেন্দ্রে আসতে সক্ষম হবে যেটি নিজ বৈশিষ্ট্যের শক্তিতে বলিয়ান অথবা যেটি ব্যক্তির নিকট অধিক আকর্ষণীয়। উদ্দীপকের চিত্রে এরকম উদ্দীপকের অবস্থান A বিন্দুতে। অর্থাৎ অসংখ্য উদ্দীপকের মধ্যে যে উদ্দীপকটি A বিন্দুতে আসতে সক্ষম শুধুমাত্র আমরা সেই উদ্দীপকের প্রতি মনোযোগী হই। অর্থাৎ মনোযোগের কেন্দ্রে থাকা উদ্দীপকের প্রতি আমরা মনোযোগী হই।
দৃশ্যকল্প-২ এর B চিহ্নিত অংশটির চারটি শর্ত বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প ২ এর B চিহ্নিত অংশটি হলো মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত। মনোযোগ কতগুলো অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তিনিষ্ঠ বিষয়ের উপর নির্ভরশীল। এ সকল বিষয় হলো মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলী। নিম্নে চারটি ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তের আলোচনা করা হলো- ১. আগ্রহ: যার যে বিষয়ে আগ্রহ তার মনোযোগ সে বিষয়ে বেশি। এজন্য দৈনিক সংবাদপত্রে ক্রীড়ামোদী ব্যক্তি খেলার খবর দেখেন, ব্যবসায়ী দেখেন বাজার দর। ২. আবেগ: মনোযোগ নির্ধারণ করার ব্যাপারে আবেগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- যাকে আমরা ভালোবাসি তার সৎ গুণের প্রতি আমাদের মনোযোগ ধাবিত হয় আর যাকে আমরা অপছন্দ করি তার দোষ ত্রুটি গুলোই আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৩. কামনা: মনোযোগ কামনা-বাসনা প্রভৃতির দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- যে ব্যক্তি অর্থের কামনায় উন্মত্ত সে সবসময় অধিক অর্থ উপার্জনে মনোযোগী হয়ে থাকে। ৪. প্রেষণা: কোন বিষয়ে বস্তুর প্রতি আমরা মনোযোগী হব তা নির্ভর করে প্রেষণার উপর। ক্ষুধার্থ খাদ্যের প্রতি, তৃষ্ণার্ত পানির প্রতি বেশি মনোযোগী হয়ে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মনোযোগ কী?

উত্তর

যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে।
মূল্যবোধ কীভাবে মনোযোগকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

মনোযোগ নির্ধারণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের নির্ধারক বা শর্ত বা কারণ রয়েছে। এ সকল শর্ত সমুহকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, বস্তুনিষ্ঠ বা ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্ত এবং ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলি। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি হচ্ছে মূল্যবোধ। সমাজকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত, ধর্মবেত্তাগণ ধর্ম সংক্রান্ত কথা শুনলে সেদিকে মনোযোগ দেন। অর্থাৎ যার যেরকম মূল্যবোধ সে তৎসংক্রান্ত বস্তু বা ঘটনার প্রতি অতি সহজেই মনোযোগী হয়ে পড়েন। তাই মূল্যবোধ মনোযোগের সাথে জড়িত এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
প্রত্যক্ষণ সংগঠনে 'AA^{\prime} এর যেকোনো তিনটি শর্ত ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ A চিহ্নিত অংশটি প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিম্নে তিনটি উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্ত ব্যাখ্যা করা হলো- ১. নৈকট্য: যে সকল বস্তু কাছাকাছি সেগুলোকে আমরা একত্রে প্রত্যক্ষণ করি। আবার যে বস্তুগুলো একই রকম হলেও দূরে দূরে অবস্থান করে তাদেরকে আমরা ভিন্নভাবে প্রত্যক্ষণ করি। ২. সাদৃশ্য: বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো বস্তুর মধ্যে মিল যুক্ত একই ধরনের বস্তুগুলো আমরা একত্রে প্রত্যক্ষ করি। অর্থাৎ প্রত্যক্ষণের সংগঠনে বস্তুর সাদৃশ্য এক বিশ্বের ভূমিকা পালন করে। ৩. ফাঁকা স্থান পূরণ: প্রত্যক্ষনের সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এই যে প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁকা স্থান থাকলে আমরা তা পূরণ করে প্রত্যক্ষণ করে থাকি।
মনোযোগের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ B ও C মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিচে মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: বাহ্যিক জগতের যে সকল উপাদান আমাদের মনোযোগ আকর্ষণকে নির্ধারণ করে তাদের মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত বা বাহ্যিক শর্ত বলা হয়। মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত সমূহ নিম্নরূপ- ১. উদ্দীপকের আকার বড় না ছোট তার উপর মনোযোগের মাত্রা নির্ভর করে। ২. উদ্দীপকে তীব্রতার মাত্রা অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষিত হয় ৩. যে কোনো নতুন উদ্দীপকের প্রতি আমাদের মনোযোগ সহজে আকৃষ্ট হয়। ৪. যে কোনো রঙিন বস্তু বা উদ্দীপক সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৫. স্থির বস্তুর তুলনায় গতিশীল বস্তু সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে। এছাড়াও পুনরাবৃত্তি, বৈপরীত্য, সাদৃশ্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব, উদ্দীপকের অবস্থান, সামঞ্জস্যহীনতা, উজ্জ্বলতা, গোপনীয়তা প্রভৃতি বাহ্যিক উপাদান বা শর্তগুলি মনোযোগ নির্ধারণ করে থাকে। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তি নিষ্ঠুর উপাদান সমূহ আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে, যেমন- ১. আমরা কোন ব্যক্তি বিষয় বা বস্তুর প্রতি কিরূপ মনোযোগী হব তা নির্ভর করবে আমাদের মধ্যে বিদ্যমান প্রেষণার উপর। ২. আমাদের আবেগ মনোযোগ নিয়ন্ত্রণে আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩. কোন ব্যক্তির যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি তা ব্যক্তিকে সে বিষয়ে অধিক মনোযোগী করে তোলে। ৪. ব্যক্তির কোন বিষয়ের প্রতি অনুকূল ও প্রতিকূল মনোভাব তার মনোযোগকে আকর্ষণ করে। এছাড়াও অভিজ্ঞতা, অভ্যাস ও শিক্ষা, কামনা, স্বাস্থ্য, ক্লান্তি ও অবসাদ প্রভৃতি মনোযোগকে নির্ধারণ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

মনোযোগ কী?

উত্তর

যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চেতনাকে একাধিক বিষয় থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সীমাবদ্ধ করা হয় তাকে মনোযোগ বলে।
মূল্যবোধ কীভাবে মনোযোগকে প্রভাবিত করে?

উত্তর

মনোযোগ নির্ধারণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের নির্ধারক বা শর্ত বা কারণ রয়েছে। এ সকল শর্ত সমুহকে দুটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, বস্তুনিষ্ঠ বা ব্যক্তি নিরপেক্ষ শর্ত এবং ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলি। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তাবলিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলি হচ্ছে মূল্যবোধ। সমাজকর্মী সামাজিক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত, ধর্মবেত্তাগণ ধর্ম সংক্রান্ত কথা শুনলে সেদিকে মনোযোগ দেন। অর্থাৎ যার যেরকম মূল্যবোধ সে তৎসংক্রান্ত বস্তু বা ঘটনার প্রতি অতি সহজেই মনোযোগী হয়ে পড়েন। তাই মূল্যবোধ মনোযোগের সাথে জড়িত এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
প্রত্যক্ষণ সংগঠনে 'AA^{\prime} এর যেকোনো তিনটি শর্ত ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এ A চিহ্নিত অংশটি প্রত্যক্ষণ সংগঠনের উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিম্নে তিনটি উদ্দীপক উপাদান বা বস্তুনিষ্ঠ শর্ত ব্যাখ্যা করা হলো- ১. নৈকট্য: যে সকল বস্তু কাছাকাছি সেগুলোকে আমরা একত্রে প্রত্যক্ষণ করি। আবার যে বস্তুগুলো একই রকম হলেও দূরে দূরে অবস্থান করে তাদেরকে আমরা ভিন্নভাবে প্রত্যক্ষণ করি। ২. সাদৃশ্য: বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো বস্তুর মধ্যে মিল যুক্ত একই ধরনের বস্তুগুলো আমরা একত্রে প্রত্যক্ষ করি। অর্থাৎ প্রত্যক্ষণের সংগঠনে বস্তুর সাদৃশ্য এক বিশ্বের ভূমিকা পালন করে। ৩. ফাঁকা স্থান পূরণ: প্রত্যক্ষনের সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এই যে প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁকা স্থান থাকলে আমরা তা পূরণ করে প্রত্যক্ষণ করে থাকি।
মনোযোগের 'BB^{\prime} ও 'CC^{\prime} উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-২ এ B ও C মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্তকে নির্দেশ করে। নিচে মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ ও ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদানের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো- মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: বাহ্যিক জগতের যে সকল উপাদান আমাদের মনোযোগ আকর্ষণকে নির্ধারণ করে তাদের মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত বা বাহ্যিক শর্ত বলা হয়। মনোযোগের বস্তুনিষ্ঠ শর্ত সমূহ নিম্নরূপ- ১. উদ্দীপকের আকার বড় না ছোট তার উপর মনোযোগের মাত্রা নির্ভর করে। ২. উদ্দীপকে তীব্রতার মাত্রা অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষিত হয় ৩. যে কোনো নতুন উদ্দীপকের প্রতি আমাদের মনোযোগ সহজে আকৃষ্ট হয়। ৪. যে কোনো রঙিন বস্তু বা উদ্দীপক সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। ৫. স্থির বস্তুর তুলনায় গতিশীল বস্তু সহজে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে। এছাড়াও পুনরাবৃত্তি, বৈপরীত্য, সাদৃশ্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব, উদ্দীপকের অবস্থান, সামঞ্জস্যহীনতা, উজ্জ্বলতা, গোপনীয়তা প্রভৃতি বাহ্যিক উপাদান বা শর্তগুলি মনোযোগ নির্ধারণ করে থাকে। মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ উপাদান বা শর্ত: ব্যক্তির অভ্যন্তরীণ বা ব্যক্তি নিষ্ঠুর উপাদান সমূহ আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করে থাকে, যেমন- ১. আমরা কোন ব্যক্তি বিষয় বা বস্তুর প্রতি কিরূপ মনোযোগী হব তা নির্ভর করবে আমাদের মধ্যে বিদ্যমান প্রেষণার উপর। ২. আমাদের আবেগ মনোযোগ নিয়ন্ত্রণে আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ভূমিকা পালন করে থাকে। ৩. কোন ব্যক্তির যে বিষয়ে আগ্রহ বেশি তা ব্যক্তিকে সে বিষয়ে অধিক মনোযোগী করে তোলে। ৪. ব্যক্তির কোন বিষয়ের প্রতি অনুকূল ও প্রতিকূল মনোভাব তার মনোযোগকে আকর্ষণ করে। এছাড়াও অভিজ্ঞতা, অভ্যাস ও শিক্ষা, কামনা, স্বাস্থ্য, ক্লান্তি ও অবসাদ প্রভৃতি মনোযোগকে নির্ধারণ করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: যদিও যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম -প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও, এখন আর সে রকম মনে হয় না। দৃশ্যকল্প-২: বারান্দায় বসে বই পড়ার সময় ছিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান। পরে বুঝতে পারেন, এটি ভাত পোড়ার গন্ধ।

Chittagong · 2025

সংবেদন কাকে বলে?

উত্তর

সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রাথমিক চেতনা বা বোধ।
সংবেদনে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

সংবেদনের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব। কোন সংবেদন কতটুকু স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে উদ্দীপকের স্থায়িত্বের উপর। সাধারণত কোনো উদ্দীপক যতক্ষণ পর্যন্ত ইন্দ্রিয়কে উত্তেজিত রাখে ততক্ষণ পর্যন্ত সংবেদন স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন-কলেজ ছুটির ঘন্টা একটু বেশি সময় ধরে এক নাগাড়ে বাজানো হয়। ফলে সংবেদনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।
রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো সংবেদনের সমতা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীলতার পর্যায়ক্রমিক ক্রমাবনতি হলো সংবেদন সমতা। যেহেতু বিভিন্ন ইন্দ্রিয় আমাদের সংবেদনের সাথে জড়িত তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন বা সমতা দেখতে পাই। সংবেদন সমতা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন- অন্ধকার অভিযোজন, আলো অভিযোজন, গন্ধ অভিযোজন, শব্দ অভিযোজন, তাপ ও শৈত্য অভিযোজন ইত্যাদি। উদ্দীপকে দেখা যায়, যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও এখন আর এরকম মনে হয় না। অর্থাৎ রায়হান সাহেবের বেলায় সংবেদন সমতা সম্পন্ন হয়েছে এবং যে অভিযোজনটি সম্পন্ন হয়েছে তা হলো শব্দ অভিযোজন।
ছিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট ধারণা দু'টি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া দুটি হলো যথাক্রমে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ। নিচে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনা হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু। কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুত গতিতে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষনের মধ্যে সুক্ষ্ম সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়। উদ্দীপকে দেখা যায় বারান্দায় বই পড়ার সময় সিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান, এ সময় তার গন্ধ পাওয়া এটি সংবেদন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন এ গন্ধ ভাত পোড়ার গন্ধ। যখন তিনি ভাত পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এ বিষয়টি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: যদিও যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম -প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও, এখন আর সে রকম মনে হয় না। দৃশ্যকল্প-২: বারান্দায় বসে বই পড়ার সময় ছিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান। পরে বুঝতে পারেন, এটি ভাত পোড়ার গন্ধ।

Chittagong · 2025

সংবেদন কাকে বলে?

উত্তর

সংবেদন হলো উদ্দীপনার প্রাথমিক চেতনা বা বোধ।
সংবেদনে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

সংবেদনের অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উদ্দীপকের স্থায়িত্ব। কোন সংবেদন কতটুকু স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে উদ্দীপকের স্থায়িত্বের উপর। সাধারণত কোনো উদ্দীপক যতক্ষণ পর্যন্ত ইন্দ্রিয়কে উত্তেজিত রাখে ততক্ষণ পর্যন্ত সংবেদন স্থায়িত্ব লাভ করে। যেমন-কলেজ ছুটির ঘন্টা একটু বেশি সময় ধরে এক নাগাড়ে বাজানো হয়। ফলে সংবেদনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়।
রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পায় তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো সংবেদনের সমতা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীলতার পর্যায়ক্রমিক ক্রমাবনতি হলো সংবেদন সমতা। যেহেতু বিভিন্ন ইন্দ্রিয় আমাদের সংবেদনের সাথে জড়িত তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন বা সমতা দেখতে পাই। সংবেদন সমতা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন- অন্ধকার অভিযোজন, আলো অভিযোজন, গন্ধ অভিযোজন, শব্দ অভিযোজন, তাপ ও শৈত্য অভিযোজন ইত্যাদি। উদ্দীপকে দেখা যায়, যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও এখন আর এরকম মনে হয় না। অর্থাৎ রায়হান সাহেবের বেলায় সংবেদন সমতা সম্পন্ন হয়েছে এবং যে অভিযোজনটি সম্পন্ন হয়েছে তা হলো শব্দ অভিযোজন।
ছিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট ধারণা দু'টি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

সিদ্দিক সাহেবের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া দুটি হলো যথাক্রমে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ। নিচে সংবেদন ও প্রত্যক্ষণ ধারণা দুটি ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বা বস্তু সম্বন্ধে প্রাথমিক চেতনা হলো সংবেদন। আর সংবেদনকে যখন ব্যাখ্যা বা অর্থবোধক করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে প্রত্যক্ষণ। সংবেদন ও প্রত্যক্ষণকে আমরা আলাদাভাবে না দেখে বরং বলতে পারি এরা একই লম্বা দিগন্তের দুটি বিন্দু। কোনো উদ্দীপক যখন কোনো একটি বিশেষ ইন্দ্রিয় যন্ত্রে আঘাত করে তখন আশ্চর্যজনকভাবে দ্রুত গতিতে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে প্রত্যক্ষণের সৃষ্টি হয়। তাই সংবেদন ও প্রত্যক্ষনের মধ্যে সুক্ষ্ম সীমারেখা তৈরি করা সম্ভব নয়। উদ্দীপকে দেখা যায় বারান্দায় বই পড়ার সময় সিদ্দিক সাহেব এক ধরনের গন্ধ পেয়ে উঠে দাঁড়ান, এ সময় তার গন্ধ পাওয়া এটি সংবেদন প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বুঝতে পারেন এ গন্ধ ভাত পোড়ার গন্ধ। যখন তিনি ভাত পুড়ে যাওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন এ বিষয়টি প্রত্যক্ষণ প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো