রায়হান সাহেবের মধ্যে সংবেদনের যে বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো সংবেদনের সমতা। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
দীর্ঘ উদ্দীপনার প্রতি সংবেদনশীলতার পর্যায়ক্রমিক ক্রমাবনতি হলো সংবেদন সমতা। যেহেতু বিভিন্ন ইন্দ্রিয় আমাদের সংবেদনের সাথে জড়িত তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন বা সমতা দেখতে পাই। সংবেদন সমতা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন- অন্ধকার অভিযোজন, আলো অভিযোজন, গন্ধ অভিযোজন, শব্দ অভিযোজন, তাপ ও শৈত্য অভিযোজন ইত্যাদি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, যখন তখন হর্ন বাজানোর শব্দ রায়হান সাহেবের কাছে প্রথম প্রথম অস্বস্তিকর মনে হলেও এখন আর এরকম মনে হয় না। অর্থাৎ রায়হান সাহেবের বেলায় সংবেদন সমতা সম্পন্ন হয়েছে এবং যে অভিযোজনটি সম্পন্ন হয়েছে তা হলো শব্দ অভিযোজন।