উদ্দীপকের রফিক নামমাত্র এবং তামীম নাবালক অংশীদার হওয়ায়, দায় মেটানোর জন্য তাদেরকে চিঠি পাঠানো যুক্তিসঙ্গত হয়নি।
নামমাত্র অংশীদার নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে অংশীদারি ব্যবসায়ে তার সুনাম ব্যবহার করার অনুমতি দেয়। এ ধরনের অংশীদারের দায় চুক্তি অনুযায়ী সীমিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে যার বয়স এখনও ১৮ বছর হয়নি, সে নাবালক অংশীদার। নাবালক অংশীদারের দায়ও সীমিত।
উদ্দীপকের ফার্মে প্রকৌশলী রফিকের সুনাম ব্যবহারের জন্য তাকে অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করা হয়। তবে তিনি মুনাফা ভোগ করলেও ১০,০০০ টাকার অতিরিক্ত দায় বহন করবেন না। অন্যদিকে তামীম ১৫ বছর বয়সে উক্ত ফার্মের অংশীদার হয়। ২ বছর পর তার বয়স বেড়ে ১৭ হয়েছে। তার বয়স যেহেতু ১৮ হয়নি, তাই সে একজন নাবালক অংশীদার। আর আইনত নাবালক অংশীদারের দায় বিনিয়োগকৃত মূলধন পর্যন্ত সীমিত।
উদ্দীপকের ব্যবসায়টির দশ লক্ষ টাকা দায় সৃষ্টি হয়। রফিক ও তামীমকে দুই লক্ষ টাকা করে প্রদান করার জন্য চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী রফিক ১০,০০০ টাকার অতিরিক্ত দায় বহনে বাধ্য নন। আর তামীম নাবালক হওয়ায় তার বিনিয়োগকৃত মূলধনের বেশি দায় সে বহন করবে না। এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, প্রতিষ্ঠানের দায় মেটানোর জন্য রফিক ও তামীমকে চিঠি পাঠানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক।