উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবসায়ীটির আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন হবে বলে আমি মনে করি।আবেদনের প্রেক্ষিতে যদি আদালত কোন অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপের নির্দেশ প্রদান করে তবে তাকে আদালতের নির্দেশে বিলপ সাধন বলে।আদালতে ব্যবসার বিষয়ে কোনো মোকদ্দমা করা হলে বা ব্যবসা বঙ্গের আবেদন করা হলে অংশীদারি আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী কতিপয় কারণে আদালত এরূপ ব্যবসায়ের বিলোপের নির্দেশ দিতে পারে যার মধ্যে কোন অংশীদার কর্তব্য পালনের চিরতরে অসমর্থ অন্যতম।উদ্দীপকে দেখা যায়, কামাল,জামাল ও স্বপনের ব্যবসাটি সম্প্রসারণ করতে তারা মিস্টার জহিরকে কর্মী অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করে। কিন্তু তিন বছর পর মিস্টার জহির গুরুতর অসুস্থ হয়ে ব্যবসা থেকে অব্যাহতি নেয়। তাই তারা প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে চিন্তিত।আদালত যদি কোন ব্যবসার বিলোপের নির্দেশ দেয় সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যবসায়ীটি টিকে থাকার কোন সুযোগ থাকে না। আদালতে আবেদন না করেও ব্যবসা চালানো যেতে পারে কিন্তু তা আইনের দৃষ্টিতে অবৈধ। যেহেতু মিস্টার জহির চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতা হারিয়েছেন তাই তার অবর্তমানে অন্যান্য অংশীদাররা কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেনা। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যবসায়ীটির আদালতের নির্দেশে বিলোপসাধন হবে।