জনাব করিম ও তার বন্ধুদের প্রথম পর্যায়ের ব্যবসাটি হচ্ছে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ব্যবসাটি হচ্ছে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। উভয় কোম্পানির মধ্যে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লাভ করবে।
যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা কমপক্ষে দুইজন এবং সর্বোচ্চ ৫০জন যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং জনগণের নিকট শেয়ার ক্রয় বিক্রয় নিষিদ্ধ তাকে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি বলে। অন্যদিকে যে কোম্পানির সদস্য সংখ্যা কমপক্ষে ৭ জন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে এবং যার শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য তাকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বলে।
উদ্দীপকের জনাব করিম এবং তার দুই বন্ধু মিলে একটি যৌথ মূলধনী ব্যবসায় গঠন করেন। শুরুতে ব্যবসায় ভালো হলেও আর্থিক সমস্যার কারণে তার ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করতে পারছে না। এমতাবস্থায় তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল যদি সদস্য সংখ্যা সর্বনিম্ন সাতজন হয় তাহলে তাদের কোম্পানির সংগঠনের নামে জনসাধারন্যে শেয়ার বিক্রি করে এবং ঋণপত্রের মাধ্যমে মূলধন বাড়াতে পারবে।পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির তুলনায় প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি ক্ষুদ্রতম প্রকৃতির হয়। এতে তুলনামূলকভাবে কম লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি বৃহদায়তন প্রকৃতির হয়। এতে দেশের জনগণের প্রচুর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা দেশের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় আয় বৃদ্ধি করে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের দুটি কোম্পানির মধ্যে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি দেশের অর্থনীতিতে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।