উদ্দীপকের বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে ভোক্তা সমবায় সমিতি, সমবায় আইন অনুযায়ী সদস্যদের মুনাফা দাবির বিষয়টি অযৌক্তিক।
কতিপয় ভোগকারী মধ্যস্থ ভোগকারীদের হাত থেকে রক্ষা ও কম মূল্যে মানসম্মত পণ্য ক্রয়ের লক্ষ্যে যে সমিতি গঠন করে তাকে ভোক্তা সমবায় সমিতি বলে। দৈনিক নিজেদের পণ্য ও সেবার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে একই এলাকায় ক্রেতা বা ভোক্তাগণ এরূপ সমিতি গঠন করে। এরূপ সমিতিতে মুনাফা সমান হারে বন্টন না হয়ে বাৎসরিক ক্রয় অনুপাতে বন্টন করা হয়।
উদ্দীপকের সিলভার হাউজিং এর ২০ জন বাসিন্দা মিলে একটি আইনগত সংগঠন গঠন করেন। এ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সমান হারে চাঁদা দেয় এবং সেখানে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর স্থাপন করে। এ স্টোর থেকে এর সদস্য ও সদস্যদের বাইরে অন্যরা ন্যায্য মূল্যে মানসম্মত পন্য সামগ্রি ক্রয় করতে পারে। ফলে বিক্রির পরিমাণ যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি মুনাফাও অর্জিত হচ্ছে। তাই এ সকল সদস্য সমান হারে মুনাফা দাবি করছে।
উদ্দীপকে সমিতির প্রকৃতির বিচারে ভোক্তা সমবায় সমিতি।উক্ত সমিতির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এ লভ্যাংশ সদস্যদের মধ্যে শেয়ার অনুপাতে বন্টন না করে তাদের প্রত্যেকের সারা বছরের ক্রয় মূল্যের অনুপাতে বন্টন করা হয়। এ কারণে সদস্যরা কখন, কি পরিমাণে পন্য দ্রব্য ক্রয় করে তার একটি হিসাব রাখতে হয় এবং ওই অনুপাতে মুনাফা বন্টন করতে হয়।
তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সমিতির সদস্যদের সমান হারে মুনাফা দাবির বিষয়টি অযৌক্তিক।