জনাব সুদেবের হতাশার মূল কারণ সাম্যতার নীতি অনুসরণ করা- বক্তব্যটি যথার্থ।
সমবায় সমিতির সাম্যের আদর্শে অনুপ্রাণিত। সাম্য মানে সমান। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি, ধর্ম, বর্ণের মানুষের আগমন ঘটাতে পারে। এক্ষেত্রে যে যেখান থেকে আসুক না কেন তারা সবাই সামাজিক, অর্থনৈতিক বা পারিবারিকভাবে সমান মর্যাদার অধিকারী। তাই সমবায়ের কেউ বেশী পরিমাণ শেয়ার মূলধনের মালিক হোক না কেন সবাই এক ভোটের অধিকারী।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, আশরাফপুর গ্রামে ৫০ জন মৎস্য চাষী মিলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন সহ "আশরাফপুর মৎস্য চাষি সমিতি" গঠন করেন। এ সমিতির উদ্দেশ্য হলো সদস্যদের জন্য পুকুর লিজ নেওয়া, রেনুপনা উৎপাদন ও সংগ্রহ করা এবং উৎপাদিত মাছ বিক্রয়ের সুবিধা লাভ করা। প্রতিটি শেয়ার মূল্য ১০০ টাকা হারে সমিতির মোট মূলধন ৩০ লক্ষ টাকা। সমিতির একজন বিত্তসালী সদস্য জনাব সুদেব নির্বাচনে সমিতির চেয়ারম্যান হওয়ার আশঙ্কায় তিনি একাই চার লক্ষ টাকার শেয়ার ক্রয় করেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় সবার এক ভোট হওয়ায় তিনি হতাশ।
সমবায় আইন অনুযায়ী একজন সদস্য যে পরিমাণ শেয়ার ক্রয় করে না কেননা প্রত্যেকে এক ভোটের অধিকারী। এক ভোট দেওয়ায় এমন বিষয়টি সমবায়ের সামনীতির অন্তর্ভুক্ত। কেউ চাইলেও এক ভোটের অধিক ভোট দিতে পারে না। উদ্দীপকে জনাব সুদেব এই কারণেই হতাশ।