কর্মমুখী শিক্ষা আর সামাজিক পরিবেশের উপাদান যা থাকলে উদ্দীপকের সমস্যার সমাধান সহজ হতো - উক্তিটির সাথে আমি একমত।
কোন দেশের জনসংখ্যা, ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ, আচার আচরণ , শিক্ষা ও সংস্কৃতি, দেশে ঐতিহ্য ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে তাকে সামাজিক পরিবেশ বলে। সামাজিক পরিবেশের উপাদান গুলো মূলত মানুষের সৃষ্টি এবং মানুষের কার্যক্রম দ্বারা প্রবর্তিত হয়। একটি দেশের ব্যবসার প্রতিষ্ঠান সেই দেশের অনুকূল সামাজিক পরিবেশের উপাদান গুলো ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রভাবিত করে।
উদ্দীপকের রাজশাহীর জনাব কাশেমের পরিবহনের বংশপরম্পরায় সিল্ক শাড়ির ব্যবসায় রয়েছে। ফ্যাশন ডিজাইনের উপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে তিনি পরিবারিক ঐতিহ্য বিবেচনায় ঢাকায় "সিল্ক শাড়ি বিতান" নামক একটি শোরুম খুলেন।সেখানে তিনি আধুনিক ডিজাইনের শাড়ি তৈরি ও বিক্রি করেন। মানসম্মত, নান্দনিক এবং ন্যায্যদামের কারণে তার পণ্যের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশ কয়েকজন শিক্ষিত কর্মী থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কাজে দক্ষ ও উদ্যমে না হওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী পন্য সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তিনি তাদের দক্ষ ও উদ্যোগ করে গড়ে তোলার কথা ভাবছেন।
কর্মমুখী শিক্ষা, সামাজিক পরিবেশের উপাদান। এমন শিক্ষা একজন কর্মীকে দক্ষ ও যোগ্য কর্মী বাহিনীতে পরিবর্তন করে। এতে প্রতিষ্ঠার বিক্রয় বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠানটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের সক্ষম হয়। উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির মালিক তাই তার কর্মীদের দক্ষ ও উদ্যোগী করে কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেন। এতে আশা করা যায়, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটির সমস্যা সমাধান হবে।