"গণসচেতনতাই পারে পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করতে"- উক্তিটি যথার্থ।পলিথিন একটি অপচনশীল দ্রব্য।এটি অন্য দ্রব্যের মতো সহজে মাটি বা পানির সাথে মিশে না। ফলে এটি পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করে। এটি মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায়। এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করে বাংলাদেশ সরকার পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।উদ্দীপকে দেখা যায়, সরকার বিভিন্ন নির্দেশনা ও আইন প্রণয়ন করে পলিথিন থেকে পরিবেশকে সংরক্ষণ করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি সরকার গণসচেতনতা সৃষ্টির পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।পলিথিন ব্যবহারের পরিবর্তে চটের ব্যাগ,কাপড় বা কাগজের ঠোঙ্গা ব্যবহার করা যায়। সরকারের বিভিন্ন আইন প্রণয়নের পরেও মানুষ পলিথিনের ব্যবহার করছে। ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশকে সংরক্ষণ করতে মানুষের মধ্যে গণসচেতনতা সৃষ্টির বিকল্প নেই। গণসচেতনতাই পারে মানুষের মধ্যে পলিথিনের কুফল সম্পর্কে বুঝাতে। সুতরাং, "গণসচেতনতাই পারে পলিথিন উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করতে"-উক্তিটি যথার্থ হয়েছে।