সাজীদের ব্যবসায়ে অংশীদার হওয়ার সুবিধা অনেক।
কোন ব্যক্তি যার ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি তাকে নাবালক অংশীদার বলে। অংশীদারি আইন অনুযায়ী কোনো নাবালক অংশীদার হতে পারবে না।তবে সকল অংশীদার সম্মত হলে নাবালককে ব্যবসায়ের সুবিধা প্রদান করতে অংশীদার করা যেতে পারে। তবে সে সীমাবদ্ধ অংশীদার হিসেবে গণ্য হবে।
উদ্দীপকের সুমন, শাহীন ও সাজ্জাদ তিন বন্ধু সমঝোতার ভিত্তিতে বেশ কয়েক বছর ধরে একটি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। বন্ধু সুমন হঠাৎ মারা যাওয়ায় ব্যবসার পরিচালনা নিয়ে তারা চিন্তিত। সুমনের ১৬ বছরের ছেলে সাজিদকে পাওনা পরিশোধ না করে তারা তাকে ব্যবসায়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
সাজিদ যেহেতু ব্যবসায়ের একজন নাবালক অংশীদার, তাই আইন অনুযায়ী তার কিছু অধিকার রয়েছে। যেমন সে অন্যান্য অংশীদারদের ন্যায় সমান মুনাফা পাওয়ার অধিকারী।সে তার স্বার্থ আদায়ের জন্য অন্য অংশীদারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে। এবং সুমন ও শাহীন পাওনা আদায় না করে তাকে ব্যবসায়ে নিয়েছে; এটি তার সবচেয়ে বড় সুবিধা।