তাদের গঠিত নতুন কোম্পানিটি হল হোল্ডিং কোম্পানি; যা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। কোন একটি কোম্পানি অন্য আরেকটি কোম্পানির ৫০% এর বেশি শেয়ারের মালিক হলে বা মোট ভোটদান ক্ষমতার ৫০% এর অতিরিক্ত ভোটদান ক্ষমতা ভোগ করলে ওই কোম্পানিকে হোল্ডিং কোম্পানি বলে। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী কোম্পানিকে হোল্ডিং কোম্পানি বলে এবং তার অধীনে থাকা কোম্পানিকে সাবসিডিয়ারি কোম্পানি বলে। উদ্দীপকে দেখা যায় জনাব কামরুল ২০ বছর পূর্বে তার সাতজন বন্ধুর সাথে কৃত্রিম সত্তা বিশিষ্ট একটি ঔষধ কোম্পানি গড়ে তোলেন। তারা বাজারে শেয়ার ছাড়ার জন্য ব্যবসায়ের গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন করেছেন। এতে করে যে কাজেই তারা হাত দিয়েছেন তাতেই বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করেছেন। বর্তমানে তাদের একটি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ চালুর প্রক্রিয়াধীন আছে, যেখানে তাদের কোম্পানির ৫২% শেয়ার আছে। যেহেতু হোল্ডিং কোম্পানি বৃহদায়তন হয়ে থাকে তাই এরূপ কোম্পানি অনেক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এতে দেশের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, দেশের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করে। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের হোল্ডিং কোম্পানিটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।