সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ গঠনে উদ্দীপকে বর্ণিত পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের যথার্থতা আছে বলে আমি মনে করি ।
পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন, দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশে আইন প্রচলিত আছে। এ আইনে দূষণ রোধের বিধি-বিধানের উল্লেখ আছে। নির্দিষ্ট আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশের উন্নয়ন সম্ভব হয় । উদ্দীপকে পরিবেশ দূষণের কথা বলা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ এলাকায় কিছু শিল্পের কারণে শব্দ, মাটি ও বায়ু দূষিত হচ্ছে। এতে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই সরকার দেশে পরিবেশবান্ধব শিল্প গড়ে তোলার জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ চালু করেছে। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৯৭ মেনে চলার জন্য শিল্পমালিকদের সচেতন করছে।
শাস্তির বিধান থাকায় শিল্প মালিকরা এ আইনগুলো মেনে তাদের শিল্প স্থাপনে সচেতন হয়। এ আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ ও এর অনুসরণ ব্যবসায়বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করে। এতে একদিকে পরিবেশ সুরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে মানুষ সুস্থভাবে জীবনযাপন করতে পারে। এছাড়া এর মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি বহির্বিশ্বে দেশের সুনাম বাড়ে। ফলে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও পণ্যের চাহিদা বাড়ে। সুতরাং, উদ্দীপকে বর্ণিত পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের যথার্থতা আছে ।