“ই-মার্কেটিং-এর কারণে মি. সামি প্রচুর মুনাফা অর্জন করছেন”– উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি যথার্থ ।
এ পদ্ধতিতে ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার বাজার সৃষ্টি এবং ক্রেতা ভ্যালু তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে কম সময়ে পণ্য বা সেবার তথ্য বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়। এক্ষেত্রে ওয়েবসাইট ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে (ফেসবুক, টুইটার প্রভৃতি) বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এতে ব্যবসায়ীর পণ্য ও সেবা বাজারজাতকরণ সংক্রান্ত খরচ অনেক কমে যায়।
উদ্দীপকের মি. সামি নিজস্ব ওয়েবপেজের মাধ্যমে গ্রাহকদের গৃহস্থালী সামগ্রীর অর্ডার নিয়ে থাকেন ।ঝামেলাহীনভাবে পণ্য সরবরাহে তিনি ই- মেইল, ফেসবুক, টুইটার প্রভৃতি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। এতে তার ব্যবসায়ের ক্রেতার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে ।
মি. সামি প্রথাগত বিজ্ঞাপন মাধ্যম (টেলিভিশন, রেডিও) ব্যবহার না করে অনলাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এতে তার বিজ্ঞাপন ব্যয় কমেছে। আর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে অনলাইন মাধ্যমের ব্যবহার যথার্থ হয়েছে। এতে মি. সামি দ্রুত ও সহজে ক্রেতা আকর্ষণ তৈরি করতে পারেন। এছাড়া, সারা বিশ্বে পণ্য ও সেবা সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করা যায়। এতে বিদেশি ক্রেতাদেরও চাহিদা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অতএব, পণ্যের বিজ্ঞাপনে ই-মার্কেটিং কৌশল ব্যবহারে মি. সামি যথেষ্ট মুনাফা অর্জন করতে পারছেন।