'পিপিপি (PPP) দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিতে শক্তিশালী করবে'- উদ্দীপকের আলোকে এর সাথে আমি একমত ।
এটি সরকারি-বেসরকারি যৌথ অর্থায়ন ও সহযোগিতায় গঠিত, পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। এক্ষেত্রে সরকার ব্যবসায় গঠনের উদ্যোগ নেয়। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে (আর্থিক, কারিগরি, ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা) সহায়তা নেওয়া হয়। ফলে সরকার ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান একত্র হয়ে জনকল্যাগে কাজ করতে পারে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে যথাযথ বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রয়োজন । তাই বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-কে আধুনিক করে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ (পাওয়ার স্টেশন স্থাপন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ) নেওয়া হয়। এ কাজগুলো সম্পাদনে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। এতে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী উভয়পক্ষই মুনাফা পাবে। সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চুক্তিবদ্ধ সম্পর্কটি হলো পিপিপি (PPP- Public Private Partnership) বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক ব্যবসায়। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারকে উন্নয়ন কাজে সহায়তা করবে। এক্ষেত্রে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো কম ঝুঁকিতে বিনিয়োগ করতে পারে ও কর সুবিধা পায়। এছাড়া নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বেসরকারি বিনিয়োগকারীরাও মুনাফা পাবে। তাই সরকারের সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পিপিপি ব্যবসায় করতে উৎসাহিত হয়। এতে সরকার দেশের অবকাঠামো নির্মাণে প্রয়োজনীয় অর্থসংস্থান করতে পারে। ফলে দেশে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ে। অতএব, দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য PPP ব্যবসায় সিদ্ধান্তটি যথার্থ।