সদস্যদের আর্থিক কল্যাণ ব্যতীত সমবায় সমিতি অপ্রাসঙ্গিক-উক্তিটি উদ্দীপকের আলোকে যথার্থ।
কম আয়ের সমশ্রেণির কতিপয় ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সমবায় আইনানুযায়ী যে সংগঠন গড়ে তোলে তাকে সমবায় সমিতি বলে। সাধারণত নিম্ন আয়ের একই শ্রেণির মানুষ, যারা প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করে বৃহদায়তন ব্যবসায় গঠন করতে পারে না তারাই স্বেচ্ছায় সমবায় সমিতি গঠন করে। এর প্রধান উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয় বরং সদস্যদের বৈষয়িক কল্যাণসাধন করা।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, রসুলপুর গ্রামের ৩০ জন ব্যক্তি মিলে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছে। মূলত নিজেদের আর্থিক কল্যাণসাধনই উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে সদস্যরা ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সংগ্রহ করছে এবং স্থানীয়দের নিকট বিক্রয় করেও লাভবান হচ্ছে। ন্যায্যমূল্যে পণ্য ক্রয়ের জন্য স্থানীয়রাও খুশি।
সমবায় হচ্ছে এমন এক সংগঠন যা ব্যক্তি, সমাজ তথা দেশের কল্যাণে কাজ করে। এরূপ সংগঠনের মাধ্যমে সদস্যরা নিজেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে নিতে পারে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে পারে। এরূপ ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্য সদস্যদের অর্থনৈতিক কল্যাণসাধন করা। তাই সমিতির মাধ্যমে যদি সদস্যদের আর্থিক কল্যাণ না হয় তবে তা অপ্রাসঙ্গিক বলে আমি মনে করি।