উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈদেশিক বাণিজ্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য বলে আমি মনে করি।
এক দেশের সাথে অন্য দেশের বা এক দেশের ব্যবসায়ীর সাথে অন্য দেশের ব্যবসায়ীর যে ক্রয়-বিক্রয়কার্য সম্পাদিত হয় তাকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই ভিন্ন ভিন্ন দেশের হয়ে থাকে। বৈদেশিক বাণিজ্য আমদানি, রপ্তানি ও পুনঃরপ্তানি এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ভুটানে সমুদ্রবন্দর না থাকায় সেখানকার ব্যবসায়ীরা বৈদেশিক বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ী মি. রবিন বিদেশ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করে এনে প্রক্রিয়াজাত করে ভুটানে বিক্রয়ের জন্য প্রেরণ করেন। এতে মি. রবিনের সাথে দেশও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
এক দেশ হতে পণ্য ক্রয় করে প্রক্রিয়াজাত করে তা অন্য দেশে বিক্রয় করাকে পুনঃরপ্তানি বলে। এরূপ রপ্তানির পরিমাণ অধিক হলে, সেই দেশ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জন করতে পারে। উদ্দীপকের রবিনও এরূপ পুনঃরপ্তানি বাণিজ্যের সাথে জড়িত। তিনি তার এই ব্যবসায়ের মাধ্যমে তার উন্নতির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে উল্লিখিত বৈদেশিক বাণিজ্য দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।