উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত সংরক্ষিত তহবিলের টাকা দ্বারা অটোরিকশা ক্রয় করা সম্ভব নয়।
সমবায় সমিতির অর্জিত মুনাফার সমস্ত অংশ সমিতির সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হয় না। এক্ষেত্রে সমিতির অর্জিত মুনাফার ১৫% সংরক্ষিত তহবিলে এবং ৩% উন্নয়ন তহবিলে মোট (১৫ + ৩) = ১৮% বাধ্যতামূলকভাবে সংরক্ষণ করতে হয়। অবশিষ্ট (১০০ – ১৮) = ৮২% সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।
উদ্দীপকে রফিক মিয়া রাজাপুরের ৪৫ জনকে সাথে নিয়ে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সুদি মহাজনদের ঋণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশ্যে তারা প্রতিষ্ঠানটি গঠন করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠান হতে সদস্যরা কম সুদে ঋণ পেয়ে থাকে। চতুর্থ বছরে এসে তাদের মুনাফা দাঁড়ায় ২,৯০,০০০ টাকা। উক্ত টাকা হতে জমাকৃত সংরক্ষিত তহবিল দ্বারা তারা একটি অটোরিকশা ক্রয় করতে চায়।
উদ্দীপকের সমিতিটির চার বছর পর মুনাফা দাঁড়ায় ২,৯০,০০০ টাকা।উক্ত টাকা হতে সংরক্ষিত তহবিলে জমাকৃত টাকার পরিমাণ (২,৯০,০০০ × ১৫%) = ৪৩,৫০০ টাকা। অথচ তারা ৬০,০০০ টাকা দিয়ে একটি অটোরিকশাঁ ক্রয় করতে চায়। এক্ষেত্রে তাদের কম আছে (৬০,০০০ - ৪৩,৫০০) = ১৬,৫০০। তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানে জমাকৃত সংরক্ষিত তহবিলের টাকা দ্বারা অটোরিকশা ক্রয় করা সম্ভব নয়।