"উদ্দীপকে দ্বিতীয় পর্যায়ে সাধারণ শেয়ার আকমলকে মর্যাদাবান ও ক্ষমতাশালী করে তোলে"-উক্তিটি যথার্থ।
যে শেয়ার মালিকদের মালিকদের অধিকার, কর্তব্য ও দায়িত্ব কোম্পানিতে সবচেয়ে বেশি কিন্তু ব্যবসায় লভ্যাংশ পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ার অধিকার ভোগ করে তাকে সাধারণ শেয়ার বলে। এই ধরনের শেয়ার মালিক কোম্পানির প্রকৃত মালিক রূপে গণ্য হয়। এরা অগ্রাধিকার শেয়ার মালিকদের পরে লভ্যাংশ পান।
উদ্দীপকে মি. আকমল কোম্পানি গঠনের প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন। কোম্পানির গঠনের প্রাথমিক ব্যয়ের আলোকে প্রতিষ্ঠান মি. আকমলকে এক ধরনের শেয়ার প্রদান করে যা কখনোই হস্তান্তর যোগ্য না। পরবর্তীতে মি. আকমল কোম্পানির এমন এক ধরনের শেয়ার ক্রয় করেন যার লভ্যাংশ অন্যান্য শেয়ারের শেষে দেওয়া হয়। কিন্তু এ ধরনের শেয়ার এর মালিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা রাখেন।
সাধারণত শেয়ার হোল্ডারগন কোম্পানির মালিক হিসেবে গণ্য হয়। তাই এরকম কোম্পানির ভোটে প্রার্থী হতে পারে, ভোট দিতে পারে, সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করতে পারে, বিলম্বিত শেয়ার মালিকদের পক্ষে সম্ভব নয় । তাই আমি মনে করি, উদ্দীপকে দ্বিতীয় পর্যায়ে সাধারণ শেয়ারটি আকমল কে মর্যাদাবান ও ক্ষমতাশালী করে।