রাজনৈতিক পরিবেশের স্থিতিশীলতায় উৎপাদনের গতিকে তুরান্বিত করে! উক্তিটির সাথে আমি একমত।
দেশের সার্বভৌমত্ব, সরকারের স্থিতিশীলতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতিমালা, রাজনৈতিক দল, ও তাদের চিন্তাভাবনা, শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইত্যাদি মিলিয়ে যে পারিপার্শ্বকতার জন্ম নেয় তাকে রাজনৈতিক পরিবেশ বলে। একটা দেশের ব্যবসার সফলতা ও ব্যর্থতার পেছনে রাজনৈতিক পরিবেশ ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকে মি. চয়ন ঢাকা সাভারে একটি গার্মেন্টস কারখানা স্থাপন করলেন। শ্রমিকের পর্যাপ্ততা, সস্তা মজুরি, সহজ শর্ত ব্যাংক ঋণ ও বিক্রয় অর্ডার প্রাপ্তি এবং শ্রমিকদের কর্মদক্ষতায় অল্প দিনে তিনি সফল ব্যবসায়ী হয়ে ওঠেন। কিন্তু ইদানিং গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক অসন্তোষ, পরস্পর বিরোধী বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনকে মারাত্মকভাবে ব্যাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের যথাযথ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।বর্তমানে গার্মেন্টস শিল্পে উৎপাদন কার্যক্রম আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।
যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিবেশের রাজনৈতিক উপাদানের অনুকূল উপস্থিতি দেশকে ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নত এবং অনুপস্থিতিতে পেছনে ফেলে দিতে পারে। উদ্দীপকের সরকার রাজনৈতিক পরিবেশের উপাদান, গার্মেন্টস শিল্পের সমস্যা সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এতে গার্মেন্টস শিল্পে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে এবং উৎপাদন অব্যাহত থাকে। তাই বলা যায়, পরিবেশের স্থিতিশীলতায় উৎপাদনের গতিকে তুরান্বিত করে।