শেয়ারFacebookWhatsApp

"উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশমাত্র।"- বিচার কর।

উত্তর: ➤ "উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশমাত্র।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ বাংলাদেশের অনেক মানুষের জীবন পরিচালিত হয় নদীকে কেন্দ্র করে। তাদের স্বপ্ন নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আশীর্বাদের পরিবর্তে মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় এই নদী। ➤ উদ্দীপকে পদ্মার ভয়ংকর রূপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পদ্মার পাড় ভাঙতে ভাঙতে দুশো বছরের পুরনো মীরহাবেলীর কাছে এসে পড়ে। পদ্মার শোঁ-শোঁ আওয়াজ শুনে জরাজীর্ণ হাবেলী কেঁপে ওঠে। এমনকি কেঁপে ওঠে মৌলবি দাদির বুকও। 'পদ্মা' কবিতায়ও পদ্মার ভয়ংকর রূপের চিত্র দেখা যায়। যে ভয়ংকর রূপ দেখে ভয়ে জলদস্যুদের বুক কেঁপেও ওঠে। তাছাড়া বর্ষার সময় পদ্মা এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠে যে, সেটি স্রোতের সামনে যাকে পায় তাকেই ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পদ্মার এই ভয়ংকর রূপ ছাড়াও 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কল্যাণময়ী, জীবনদায়িনী রূপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে এসব বিষয় অনুপস্থিত। ➤ 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার ভয়ংকর রূপের পাশাপাশি আরও কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল পদ্মার ভয়ংকর বৈশিষ্ট্যের দিকটিই উপস্থাপিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'পদ্মা' কবিতা ও উদ্দীপকে পদ্মার ভয়াবহতার চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু 'পদ্মা' কবিতায় এটি ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

HSC Bangla 1st Paper কবিতা : পদ্মা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : পদ্মা · সৃজনশীল

"উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশমাত্র।"- বিচার কর।

উদ্দীপক

মৌলবি দাদি নদী দেখেননি। এবার নদীই এসেছে তাঁর কাছে দর্শন দিতে। দু'মাইল দূরে ছিল যে পদ্মা, ভাঙতে ভাঙতে সে এখন মীরহাবেলীর কাছাকাছি এসে গেছে। সরীসৃপের মতো বুকে হেঁটে ক্রমেই এগিইয়ে আসছে। দুশো বছরের পুরাতন জরাজীর্ণ হাবেলী পদ্মার শোঁ-শোঁ আওয়াজ শুনে কাঁপছে থরথর করে।... দাদি তার ঘোলাটে বুড়ো চোখ মেলে তাকান খিড়কির পর্দা ফাঁক করে। ভয় ও বিস্ময়ের ছাপ চোখে-মুখে।

উত্তর

জীবনের পথে পথে অভিজ্ঞতা কুড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

উত্তর

➤ 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মার দুটি রূপের কথা বলেছেন। ➤ বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এদেশে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য নদী। এসব নদীর মধ্যে পদ্মা সর্ববৃহৎ। সর্ববৃহৎ এই নদীর দুটি রূপের কথা কবি ফররুখ আহমদ উল্লেখ করেছেন। একদিকে কবি পদ্মার ভয়ংকর প্রমত্ত রূপের কথা বলেছেন, অন্যদিকে তিনি উল্লেখ করেছেন পদ্মার কল্যাণী রূপের বিষয়টি। পলি বাহিত পদ্মা জমির উর্বরাশক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে সবুজের সমারোহ গড়ে, ফসল ফলায়। অন্যদিকে বর্ষায় সর্বগ্রাসী হয়ে চালায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। এই দুটি রূপ ধারণ করে পদ্মা আপন মহিমায় এগিয়ে চলেছে। সারকথা: 'পদ্মা' কবিতায় কবি পদ্মার ভয়ংকর প্রমত্ত এবং কল্যাণী রূপের কথা বলেছেন।

উত্তর

➤ উদ্দীপকের সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার জলদস্যুদের মতো নদীর ওয়াবহ রূপ দেখে দাদির ভয় পাওয়ার দিকটির মিল রয়েছে। ➤ নদী যেকোনো দেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ। কিন্তু এই নদী মাঝে মাঝে ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। স্রোতের বেগ ভেঙে দেয় দুপাড়ের ঘরবাড়ি। নদী তখন মানুষের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। ➤ উদ্দীপকের মৌলবি দাদি কখনো নদী দেখেননি। তাই নদী তাঁকে দর্শন দিতে আসে। দুই মাইল দূরের পদ্মা ভাঙতে ভাঙতে মীরহাবেলীর কাছে পৌঁছে যায়। সরীসৃপের মতো বুকে হেঁটে ক্রমেই এগিয়ে আসছে। পদ্মার শোঁ-শোঁ আওয়াজ শুনে দুশো বছরের পুরনো জরাজীর্ণ হাবেলী থরথর করে কেঁপে ওঠে। দাদি খিড়কির পর্দা সরিয়ে ঘোলাটে বুড়ো চোখে তাকান পদ্মার দিকে। ভয় ও বিস্ময়ের ছাপ ফুটে ওঠে তার চোখেমুখে। এর মাধ্যমে পদ্মার ভয়ংকর রূপের প্রকাশ পেয়েছে, যা দেখে দাদির বুক কেঁপে ওঠে। 'পদ্মা' কবিতায়ও পদ্মার ভয়ংকর রূপের কথা বলা হয়েছে। পদ্মার উত্তাল ও ভয়ংকর রূপ দেখে কেঁপে ওঠে জলদস্যুদের বুক। অথচ নদী ও সমুদ্রে ভেসে বেড়ানোই জলদস্যুদের কাজ। বহু ঘূর্ণির মুখোমুখি হয়ে তারা প্রচুর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। কিন্তু পদ্মার হিংস্রতার কাছে জলদস্যুদের সাহস হার মেনে যায়। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের মতো নদীর প্রমত্তা দেখে দাদির ভয় পাওয়ার সঙ্গে 'পদ্মা' কবিতার জলদস্যুদের মিল রয়েছে। সারকথা: উদ্দীপকের পদ্মার ভয়ংকর রূপ দেখে দাদির বুক কেঁপে ওঠে। অন্যদিকে 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার ভংকর রূপ, দেখে কেঁপে ওঠে জলদস্যুদের বুক।

উত্তর

➤ "উদ্দীপকটি আলোচ্য কবিতার খন্ডাংশমাত্র।"- মন্তব্যটি যথার্থ। ➤ বাংলাদেশের অনেক মানুষের জীবন পরিচালিত হয় নদীকে কেন্দ্র করে। তাদের স্বপ্ন নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে আশীর্বাদের পরিবর্তে মানুষের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় এই নদী। ➤ উদ্দীপকে পদ্মার ভয়ংকর রূপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পদ্মার পাড় ভাঙতে ভাঙতে দুশো বছরের পুরনো মীরহাবেলীর কাছে এসে পড়ে। পদ্মার শোঁ-শোঁ আওয়াজ শুনে জরাজীর্ণ হাবেলী কেঁপে ওঠে। এমনকি কেঁপে ওঠে মৌলবি দাদির বুকও। 'পদ্মা' কবিতায়ও পদ্মার ভয়ংকর রূপের চিত্র দেখা যায়। যে ভয়ংকর রূপ দেখে ভয়ে জলদস্যুদের বুক কেঁপেও ওঠে। তাছাড়া বর্ষার সময় পদ্মা এতটাই ভয়ংকর হয়ে ওঠে যে, সেটি স্রোতের সামনে যাকে পায় তাকেই ভাসিয়ে নিয়ে যায়। পদ্মার এই ভয়ংকর রূপ ছাড়াও 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কল্যাণময়ী, জীবনদায়িনী রূপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে এসব বিষয় অনুপস্থিত। ➤ 'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার ভয়ংকর রূপের পাশাপাশি আরও কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে। কিন্তু উদ্দীপকে কেবল পদ্মার ভয়ংকর বৈশিষ্ট্যের দিকটিই উপস্থাপিত হয়েছে। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ। সারকথা: 'পদ্মা' কবিতা ও উদ্দীপকে পদ্মার ভয়াবহতার চিত্র প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু 'পদ্মা' কবিতায় এটি ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো উদ্দীপকে নেই। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSCBangla 1st Paperকবিতা : পদ্মা
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সত্য কথা, ময়ূরাক্ষীর এই খরস্রোতই বিশেষত্ব। বারো মাসের মধ্যে সাত-আট মাস ময়ূরাক্ষী মরুভূমি, এক মাইল দেড় মাইল প্রশর বালুকারাশি ধু-ধু করে। কিন্তু বর্ষার প্রারম্ভে সে রাক্ষসীর মত ভয়ঙ্করী। দুই পার্শ্বে চার-পাঁচ মাইল গাঢ় পিঙ্গলবর্ণ জলস্রোতে পরিব্যাপ্ত করিয়া বিপুল স্রোতে সে তখন ছুটিয়া চলে। আবার কখনও কখনও আসে 'হড়পা' বান, ছয়-সাত হাত উচ্চ জলস্রোত সম্মুখের বাড়ি-ঘর ক্ষেত-খামার গ্রামের পর গ্রাম নিঃশেষে ধুইয়া মুছিয়া দিয়া সমস্ত দেশটাকে প্লাবিত করিয়া দিয়া যায়। কিন্তু সে সচরাচর হয় না। বিশ বৎসর পূর্বে একবার হইয়াছিল।
ক
ঘূর্ণি' অর্থ কী?
খ
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?
গ
উদ্দীপকের 'ময়ূরাক্ষী' পদ্মার কোন বৈশিষ্ট্যের ধারক? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাব প্রকাশক।"- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

সত্য কথা, ময়ূরাক্ষীর এই খরস্রোতই বিশেষত্ব। বারো মাসের মধ্যে সাত-আট মাস ময়ূরাক্ষী মরুভূমি, এক মাইল দেড় মাইল প্রশর বালুকারাশি ধু-ধু করে। কিন্তু বর্ষার প্রারম্ভে সে রাক্ষসীর মত ভয়ঙ্করী। দুই পার্শ্বে চার-পাঁচ মাইল গাঢ় পিঙ্গলবর্ণ জলস্রোতে পরিব্যাপ্ত করিয়া বিপুল স্রোতে সে তখন ছুটিয়া চলে। আবার কখনও কখনও আসে 'হড়পা' বান, ছয়-সাত হাত উচ্চ জলস্রোত সম্মুখের বাড়ি-ঘর ক্ষেত-খামার গ্রামের পর গ্রাম নিঃশেষে ধুইয়া মুছিয়া দিয়া সমস্ত দেশটাকে প্লাবিত করিয়া দিয়া যায়। কিন্তু সে সচরাচর হয় না। বিশ বৎসর পূর্বে একবার হইয়াছিল।
ক
ঘূর্ণি' অর্থ কী?
খ
'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?
গ
উদ্দীপকের 'ময়ূরাক্ষী' পদ্মার কোন বৈশিষ্ট্যের ধারক? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাব প্রকাশক।"- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?

'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.ঘূর্ণি' অর্থ কী?

ঘূর্ণি' অর্থ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পদ্মা যমুনা সুরমা মেঘনা গঙ্গা কর্ণফুলী, তোমাদের বুকে আমি নিরবধি গণমানবের তুলি! কত বিচিত্র জীবনের রং চারদিকে করে খেলা, মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে ঘুরে কাটায় মারণ বেলা!
ক
কার গতি সুতীব্র?
খ
সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?
গ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের কবিতাংশে 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।"- যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

পদ্মা যমুনা সুরমা মেঘনা গঙ্গা কর্ণফুলী, তোমাদের বুকে আমি নিরবধি গণমানবের তুলি! কত বিচিত্র জীবনের রং চারদিকে করে খেলা, মুগ্ধ মরণ বাঁকে বাঁকে ঘুরে কাটায় মারণ বেলা!
ক
কার গতি সুতীব্র?
খ
সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?
গ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
"উদ্দীপকের কবিতাংশে 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।"- যথার্থতা বিচার কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?

সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.কার গতি সুতীব্র?

কার গতি সুতীব্র?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলা আমার আমি বাংলার বাংলা আমার জন্মভূমি গঙ্গা ও যমুনা পদ্মা ও মেঘনা বহিছে যাহার চরণ চুমি।
ক
কত সালে 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয়?
খ
'কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ' ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ?
ঘ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বাংলা আমার আমি বাংলার বাংলা আমার জন্মভূমি গঙ্গা ও যমুনা পদ্মা ও মেঘনা বহিছে যাহার চরণ চুমি।
ক
কত সালে 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয়?
খ
'কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ' ব্যাখ্যা কর।
গ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ?
ঘ
উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.'কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ' ব্যাখ্যা কর।

'কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ' ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.কত সালে 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয়?

কত সালে 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাব প্রকাশক।"- মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।উদ্দীপকের 'ময়ূরাক্ষী' পদ্মার কোন বৈশিষ্ট্যের ধারক? ব্যাখ্যা কর।'পদ্মা' কবিতায় পদ্মার কী কী বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে?ঘূর্ণি' অর্থ কী?"উদ্দীপকের কবিতাংশে 'পদ্মা' কবিতার আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।"- যথার্থতা উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।সংগ্রামী মানুষ কীভাবে প্রচুর শস্যদানা পেয়েছে?কার গতি সুতীব্র?উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সমগ্র ভাব ধারণ করে কি? তোমার মতের সপক্ষে যুক্তি দাও।উদ্দীপকটি 'পদ্মা' কবিতার সঙ্গে কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ?'কেঁপেছে তোমাকে দেখে জলদস্যু- দুরন্ত হার্মাদ' ব্যাখ্যা কর।কত সালে 'সাত সাগরের মাঝি' প্রকাশিত হয়?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।