শেয়ারFacebookWhatsApp

“ছোটোগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: দেশের মানুষের জন্য আত্মোৎসর্গের বিষয়টি উভয় ক্ষেত্রে প্রকাশ পাওয়ায় “ছোটগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।” মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য। 'একুশের গল্প' রচনায় প্রকাশিত হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ তপুর আত্মদানের বিষয়টি। ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকায় ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হলে মিছিলে গুলি করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এতে শহিদ হন তপু। উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আবু সাঈদের শহিদ হওয়ার দিকটি। বাংলার মানুষকে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার হাত থেকে মুক্তি দিতে তিনি পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পেও তপুর রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য মিছিলে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার লাশ গুম করে ফেলে পাকিস্তানি মিলিটারি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের আবু সাঈদের আত্মদান ও 'একুশের গল্প' রচনার তপুর আত্মদান উভয়ই ছিল এ দেশের মানুষের অধিকারের জন্য। একজন বৈষম্য নিরসনের জন্য, অন্যজন ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। দুজনের আত্মত্যাগে ছিল নিঃস্বার্থ মনোভাব। বৃহত্তর স্বার্থে তারা ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিতে কুণ্ঠিত হননি। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, "ছোটোগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।" মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।

SSC বাংলা ১ম পত্র একুশের গল্প CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · একুশের গল্প · সৃজনশীল

“ছোটোগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীব…

উদ্দীপক

ক্যামেরার চোখই আকৃতি দেয় ছবির। এমনই এক ছবি আঁকা হয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। অসীম সাহসে বুক চিতিয়ে দেওয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের, যাঁর বুকের পাঁজর ভেদ করে বেরিয়ে গিয়েছিল হন্তারক বুলেট। ওই নির্মম নিষ্ঠুর বুলেটে আবু সাঈদের বুক বিদীর্ণ হয়ে নিষ্প্রাণ, নিথর দেহ মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। কাব্যময় ক্যামেরার চোখ লিখে রাখে এক অপরাজেয় ইতিহাস।

উত্তর

রেণুর মুখের দিকে তাকিয়ে গল্পকথকের মায়া হলো।

উত্তর

বাঁ পায়ের টিবিয়া ফেবুলাটা দুই ইঞ্চি ছোটো দেখে গল্পকথক নিশ্চিত হয় যে কঙ্কালটি তপুরই ছিল। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে চার বছর পূর্বে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রামে গিয়ে শহিদ হন তপু। গুলি লেগেছিল তার কপালের মাঝখানটায়। মিলিটারিরা তার লাশ গুম করে ফেলে। ঠিক চার বছর পর কলেজের ক্যাম্পাসে একটি কঙ্কাল পাওয়া যায়, যার কপালের মাঝখানে গুলির ফুটো। কঙ্কালটির বাঁ পায়ের টিবিয়া ফেবুলা দুই ইঞি খাটো, যেমনটি ছিল ভাষাশহিদ তপুর বাঁ পায়ে। এসব অনুষঙ্গ দেখে লেখক নিশ্চিত হন এটিই তপুর কঙ্কাল।

উত্তর

উদ্দীপকের সঙ্গে 'একুশের গল্প' রচনার ভাষাশহিদ তপুর আত্মত্যাগের সাদৃশ্য রয়েছে। 'একুশের গল্প' রচনাটি ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহিদ হন এ গল্পের প্রধান চরিত্র তপু। বিবাহিত স্ত্রী, বৃদ্ধ মায়ের মায়াও তাকে ভাষা আন্দোলনে যাওয়া থেকে ফেরাতে পারেনি। উদ্দীপকের শহিদ আবু সাঈদ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে সে বুক চিতিয়ে দেয় ঘাতকদের থাবার সম্মুখে। 'একুশের গল্প' রচনাতেও ভাষাশহিদ তপু পরিবারের মায়া ত্যাগ করে মিছিলে যায়। হঠাৎ একটা গুলি এসে লাগে তার ঠিক কপাল বরাবর। শহিদ হন তিনি। দেশের মানুষের অধিকারের দাবিতে আত্মদানের দিকটি উদ্দীপক ও 'একুশের গল্প' রচনাকে যূথবদ্ধতা দান করেছে।

উত্তর

দেশের মানুষের জন্য আত্মোৎসর্গের বিষয়টি উভয় ক্ষেত্রে প্রকাশ পাওয়ায় “ছোটগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।” মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য। 'একুশের গল্প' রচনায় প্রকাশিত হয়েছে মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ তপুর আত্মদানের বিষয়টি। ১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকায় ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ হলে মিছিলে গুলি করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। এতে শহিদ হন তপু। উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আবু সাঈদের শহিদ হওয়ার দিকটি। বাংলার মানুষকে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার হাত থেকে মুক্তি দিতে তিনি পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পেও তপুর রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য মিছিলে গিয়ে পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার লাশ গুম করে ফেলে পাকিস্তানি মিলিটারি। সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, উদ্দীপকের আবু সাঈদের আত্মদান ও 'একুশের গল্প' রচনার তপুর আত্মদান উভয়ই ছিল এ দেশের মানুষের অধিকারের জন্য। একজন বৈষম্য নিরসনের জন্য, অন্যজন ভাষার জন্য জীবন দিয়েছেন। দুজনের আত্মত্যাগে ছিল নিঃস্বার্থ মনোভাব। বৃহত্তর স্বার্থে তারা ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিতে কুণ্ঠিত হননি। তাই উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, "ছোটোগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।" মন্তব্যটি সমর্থনযোগ্য।
SSCবাংলা ১ম পত্রএকুশের গল্প
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রউদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

“ছোটোগল্প 'একুশের গল্প'-এ তপুর জীবনদান এবং উদ্দীপকের আবু সাঈদের জীব… | Prosthuti