একুশের গল্প বাংলা ১ম পত্র

SSC বাংলা ১ম পত্র এর একুশের গল্প অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

১০৩

প্রশ্ন

বাংলা ১ম পত্র

বিষয়

SSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো হাইকোর্টের মোড়ে দেখেছিলেন।
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তাঁর” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নের আবেশে আচ্ছন্ন মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ছিল অত্যন্ত মুখর ও স্বপ্নবান এক তরুণ। মাঝে মাঝেই নিজেকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখত সে। এরই অংশ হিসেবে ডাক্তারি শেষ করে গ্রামে যাওয়ার স্বপ্ন দেখত সে। মূলত “স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নময় মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পের প্রধান চরিত্র তপু ছিল সাহসী এক তরুণ। সে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে গুলি লেগে শহিদ হয়। তার মধ্যে ছিল অপরাজেয় সাহসিকতা। উদ্দীপক (i)-এর কবিতাংশে দুঃসাহসী অভিযাত্রীর কথা বলা হয়েছে। সে ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে নির্ভাবনায় পথ চলে। সে তার ঠিকানা ঠিকই খুঁজে নেয়। উদ্দীপকের অভিযাত্রীর মতো এরূপ সাহসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পের তপুর মধ্যে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সে পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করে অদম্য সাহসিকতায় মিছিলে এগিয়ে যায়। কোনো বাধাবিপত্তি তাকে আটকাতে পারেনি। তার এই সাহসিকতা উদ্দীপকের অভিযাত্রীর সাহসিকতার শামিল। এভাবে উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বীরদের অমর হওয়ার ইঙ্গিত থাকায় “উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে গিয়ে গল্পের প্রধান চরিত্র তপু শহিদ হয়। কিন্তু সে কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। উদ্দীপক (ii)-এর কবিতাংশে ইতিহাসে বীর সন্তানদের অমর হওয়ার বিয়টি বলা হয়েছে। বীরেরা কখনো মারা যায় না। তাঁরা বেঁচে থাকেন হাজারো বিপ্লবীর চেতনাতে। ইতিহাসে বীরদের যে কোনো মরণ নেই এ বিষয়টি 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে এক বীর হলো গল্পে প্রধান চরিত্র তপু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে তপু শহিদ হয়। কিন্তু এর চার বছর পর তপু কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। তপুর কঙ্কালরূপে ফিরে আসাটা হলো প্রতীকী। এর দ্বারা আসলে বোঝানো হয়েছে বীরদের কখনো মৃত্যু হয় না। তাঁরা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে ফিরে আসেন। সে বিষয়টি উদ্দীপক (ii)-এর বিপ্লবী চেতনার মধ্য দিয়ে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো হাইকোর্টের মোড়ে দেখেছিলেন।
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তাঁর” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নের আবেশে আচ্ছন্ন মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ছিল অত্যন্ত মুখর ও স্বপ্নবান এক তরুণ। মাঝে মাঝেই নিজেকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখত সে। এরই অংশ হিসেবে ডাক্তারি শেষ করে গ্রামে যাওয়ার স্বপ্ন দেখত সে। মূলত “স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নময় মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পের প্রধান চরিত্র তপু ছিল সাহসী এক তরুণ। সে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে গুলি লেগে শহিদ হয়। তার মধ্যে ছিল অপরাজেয় সাহসিকতা। উদ্দীপক (i)-এর কবিতাংশে দুঃসাহসী অভিযাত্রীর কথা বলা হয়েছে। সে ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে নির্ভাবনায় পথ চলে। সে তার ঠিকানা ঠিকই খুঁজে নেয়। উদ্দীপকের অভিযাত্রীর মতো এরূপ সাহসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পের তপুর মধ্যে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সে পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করে অদম্য সাহসিকতায় মিছিলে এগিয়ে যায়। কোনো বাধাবিপত্তি তাকে আটকাতে পারেনি। তার এই সাহসিকতা উদ্দীপকের অভিযাত্রীর সাহসিকতার শামিল। এভাবে উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বীরদের অমর হওয়ার ইঙ্গিত থাকায় “উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে গিয়ে গল্পের প্রধান চরিত্র তপু শহিদ হয়। কিন্তু সে কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। উদ্দীপক (ii)-এর কবিতাংশে ইতিহাসে বীর সন্তানদের অমর হওয়ার বিয়টি বলা হয়েছে। বীরেরা কখনো মারা যায় না। তাঁরা বেঁচে থাকেন হাজারো বিপ্লবীর চেতনাতে। ইতিহাসে বীরদের যে কোনো মরণ নেই এ বিষয়টি 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে এক বীর হলো গল্পে প্রধান চরিত্র তপু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে তপু শহিদ হয়। কিন্তু এর চার বছর পর তপু কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। তপুর কঙ্কালরূপে ফিরে আসাটা হলো প্রতীকী। এর দ্বারা আসলে বোঝানো হয়েছে বীরদের কখনো মৃত্যু হয় না। তাঁরা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে ফিরে আসেন। সে বিষয়টি উদ্দীপক (ii)-এর বিপ্লবী চেতনার মধ্য দিয়ে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রMCQ
নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নের উত্তর দাও: জালিমের গুলিতে যারা প্রাণ দিল সেইসব মৃত্যুর নামে আমি ফাঁসি দাবি করছি। Q. উদ্দীপক-এ 'একুশের গল্প' রচনাকে যেভাবে ধারণ করেছে তা হলো - i. জাতীয় ইতিহাসকে ধারণ করে ii. ভাষা শহিদদের কে স্মরণ করে iii. গল্পের প্রতীকী ভাব ধারণ করে নিচের কোনটি সঠিক?
  • ক.i ও ii
  • খ.i ও iii
  • গ.ii ও iii
  • ঘ.i, ii ও iii

উত্তর: i, ii ও iii

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো হাইকোর্টের মোড়ে দেখেছিলেন।
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তাঁর” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নের আবেশে আচ্ছন্ন মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ছিল অত্যন্ত মুখর ও স্বপ্নবান এক তরুণ। মাঝে মাঝেই নিজেকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখত সে। এরই অংশ হিসেবে ডাক্তারি শেষ করে গ্রামে যাওয়ার স্বপ্ন দেখত সে। মূলত “স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নময় মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পের প্রধান চরিত্র তপু ছিল সাহসী এক তরুণ। সে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে গুলি লেগে শহিদ হয়। তার মধ্যে ছিল অপরাজেয় সাহসিকতা। উদ্দীপক (i)-এর কবিতাংশে দুঃসাহসী অভিযাত্রীর কথা বলা হয়েছে। সে ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে নির্ভাবনায় পথ চলে। সে তার ঠিকানা ঠিকই খুঁজে নেয়। উদ্দীপকের অভিযাত্রীর মতো এরূপ সাহসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পের তপুর মধ্যে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সে পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করে অদম্য সাহসিকতায় মিছিলে এগিয়ে যায়। কোনো বাধাবিপত্তি তাকে আটকাতে পারেনি। তার এই সাহসিকতা উদ্দীপকের অভিযাত্রীর সাহসিকতার শামিল। এভাবে উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বীরদের অমর হওয়ার ইঙ্গিত থাকায় “উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে গিয়ে গল্পের প্রধান চরিত্র তপু শহিদ হয়। কিন্তু সে কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। উদ্দীপক (ii)-এর কবিতাংশে ইতিহাসে বীর সন্তানদের অমর হওয়ার বিয়টি বলা হয়েছে। বীরেরা কখনো মারা যায় না। তাঁরা বেঁচে থাকেন হাজারো বিপ্লবীর চেতনাতে। ইতিহাসে বীরদের যে কোনো মরণ নেই এ বিষয়টি 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে এক বীর হলো গল্পে প্রধান চরিত্র তপু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে তপু শহিদ হয়। কিন্তু এর চার বছর পর তপু কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। তপুর কঙ্কালরূপে ফিরে আসাটা হলো প্রতীকী। এর দ্বারা আসলে বোঝানো হয়েছে বীরদের কখনো মৃত্যু হয় না। তাঁরা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে ফিরে আসেন। সে বিষয়টি উদ্দীপক (ii)-এর বিপ্লবী চেতনার মধ্য দিয়ে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো হাইকোর্টের মোড়ে দেখেছিলেন।
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তাঁর” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নের আবেশে আচ্ছন্ন মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ছিল অত্যন্ত মুখর ও স্বপ্নবান এক তরুণ। মাঝে মাঝেই নিজেকে নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন দেখত সে। এরই অংশ হিসেবে ডাক্তারি শেষ করে গ্রামে যাওয়ার স্বপ্ন দেখত সে। মূলত “স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার” কথাটির মাধ্যমে তপুর স্বপ্নময় মানসিকতার দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পের প্রধান চরিত্র তপু ছিল সাহসী এক তরুণ। সে ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে গুলি লেগে শহিদ হয়। তার মধ্যে ছিল অপরাজেয় সাহসিকতা। উদ্দীপক (i)-এর কবিতাংশে দুঃসাহসী অভিযাত্রীর কথা বলা হয়েছে। সে ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে নির্ভাবনায় পথ চলে। সে তার ঠিকানা ঠিকই খুঁজে নেয়। উদ্দীপকের অভিযাত্রীর মতো এরূপ সাহসিকতার প্রমাণ পাওয়া যায় 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পের তপুর মধ্যে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সে পরিবারের পিছুটান উপেক্ষা করে অদম্য সাহসিকতায় মিছিলে এগিয়ে যায়। কোনো বাধাবিপত্তি তাকে আটকাতে পারেনি। তার এই সাহসিকতা উদ্দীপকের অভিযাত্রীর সাহসিকতার শামিল। এভাবে উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার তপু চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর

বীরদের অমর হওয়ার ইঙ্গিত থাকায় “উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। মিছিলে গিয়ে গল্পের প্রধান চরিত্র তপু শহিদ হয়। কিন্তু সে কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। উদ্দীপক (ii)-এর কবিতাংশে ইতিহাসে বীর সন্তানদের অমর হওয়ার বিয়টি বলা হয়েছে। বীরেরা কখনো মারা যায় না। তাঁরা বেঁচে থাকেন হাজারো বিপ্লবীর চেতনাতে। ইতিহাসে বীরদের যে কোনো মরণ নেই এ বিষয়টি 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে এক বীর হলো গল্পে প্রধান চরিত্র তপু। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মিছিলে গিয়ে তপু শহিদ হয়। কিন্তু এর চার বছর পর তপু কঙ্কালরূপে পুনরায় ফিরে আসে। তপুর কঙ্কালরূপে ফিরে আসাটা হলো প্রতীকী। এর দ্বারা আসলে বোঝানো হয়েছে বীরদের কখনো মৃত্যু হয় না। তাঁরা দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপে ফিরে আসেন। সে বিষয়টি উদ্দীপক (ii)-এর বিপ্লবী চেতনার মধ্য দিয়ে ইঙ্গিতবহ হয়ে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

উত্তর

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল রেণুর।
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

উত্তর

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো।"- এ কথা রাহাত তপুর শহিদ হওয়া প্রসঙ্গে বলেছিল। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করতে গিয়ে কপালে গুলি লেগে শহিদ হয় তপু। মিছিলে যাওয়ার সময় তপুর স্ত্রী রেণু তাকে বারবার নিষেধ করেছিল। তপু, গল্পকথক, রাহাত কেউই রেণুর কথা শোনেনি। পরে তপু শহিদ হলে তার মৃতদেহটাও পাওয়া যায়নি। সেই রাতে তপুর মা ও রেণু যখন আসে তখন তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। রেণু রাগে-অভিমানে তাদের সঙ্গে একটা কথাও বলেনি। এমন অবস্থায় রাহাত গল্পকথকের কানে ফিসফিস করে বলেছিল যে, তপ না মরে সে নিজে মরলেই ভালো হতো।
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র বাঙালির প্রতি পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাকান্ডের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'একুশের 'গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ভাষার দাবি আদায় করতে 'গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়। কপালে ক্ষত সৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত তপু মারা যায়। তার লাশটিও মিলিটারি তুলে নিয়ে যায়। উদ্দীপক-১-এ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। তাদের পৈশাচিক নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছিল গ্রাম-শহর। নির্বিশেষে। তাদের নির্যাতন-অত্যাচারে বহু মা-বোনের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়েছিল। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর পাকবাহিনীর গুলিতে রক্তাক্ত হওয়ার সঙ্গে উদ্দীপক-১-এ একাত্তরের ভয়ংকর কালো রাতে বাঙালিদের রক্তে রঞ্জিত হওয়ার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই পাকিস্তানিদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'একুশের গল্প' গল্পের ছেলেকে হারিয়ে তপুর মায়ের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়। পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নামে স্ত্রী। রেপুর। একইভাবে উদ্দীপক-১-এ মা-বোনের ক্রন্দনেও বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এভাবে উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প' গল্পের বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ভাবগত দিক থেকে 'বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা বারবার ফিরে আসে' চেতনার বহিঃপ্রকাশে "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর শরীরী মৃত্যু ঘটলেও সবার স্মৃতিতে সে সর্বদা জাগরুক। বন্ধুদের স্মৃতিচারণায় তার হাসি, কষ্ট, স্বপ্ন সবকিছু জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। এমনকি দীর্ঘ চার বছর পর তার কঙ্কালটি ফিরে পাওয়ার বিষয়টিকে লেখক শহিদ তপুর অমরত্বের প্রতীক হিসেবে মনে করেছেন। উদ্দীপক-২-এ দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে অমরত্ব লাভের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। যাঁরা দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেন তাঁসের কোনো ক্ষয় নেই। প্রজন্ম 'থেকে প্রজন্মান্তরে তাঁদের ইতিহাস মানুষ মনে রাখে। আত্মত্যাগের বিনিময়ে তাঁরা মানুষের স্মৃতিতে জাগ্রত থাকেন। উদ্দীপকের মতো 'একুশের গল্প' গল্পের তপুও আত্মত্যাগের দ্বারা মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে তপু ভাষা আন্দোলনে শহিদ বিপ্লবীদের প্রতীক। শহিদ তপুর কঙ্কালটি ফিরে পাওয়া এক প্রতীকী তাৎপর্য বহন করে। দীর্ঘদিন পর তার এভাবে ফিরে আসায় প্রতীয়মান হয়, বিপ্লবীরা চিরস্মরণীয়। তাঁদের মৃত্যু, নেই। ইতিহাস তাঁদের আত্মত্যাগের কথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। উদ্দীপক-২-এ সেই দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা” মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCবাংলা ১ম পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

উত্তর

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল রেণুর।
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

উত্তর

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো।"- এ কথা রাহাত তপুর শহিদ হওয়া প্রসঙ্গে বলেছিল। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করতে গিয়ে কপালে গুলি লেগে শহিদ হয় তপু। মিছিলে যাওয়ার সময় তপুর স্ত্রী রেণু তাকে বারবার নিষেধ করেছিল। তপু, গল্পকথক, রাহাত কেউই রেণুর কথা শোনেনি। পরে তপু শহিদ হলে তার মৃতদেহটাও পাওয়া যায়নি। সেই রাতে তপুর মা ও রেণু যখন আসে তখন তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। রেণু রাগে-অভিমানে তাদের সঙ্গে একটা কথাও বলেনি। এমন অবস্থায় রাহাত গল্পকথকের কানে ফিসফিস করে বলেছিল যে, তপ না মরে সে নিজে মরলেই ভালো হতো।
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর

উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র বাঙালির প্রতি পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাকান্ডের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'একুশের 'গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ভাষার দাবি আদায় করতে 'গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়। কপালে ক্ষত সৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত তপু মারা যায়। তার লাশটিও মিলিটারি তুলে নিয়ে যায়। উদ্দীপক-১-এ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। তাদের পৈশাচিক নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছিল গ্রাম-শহর। নির্বিশেষে। তাদের নির্যাতন-অত্যাচারে বহু মা-বোনের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়েছিল। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর পাকবাহিনীর গুলিতে রক্তাক্ত হওয়ার সঙ্গে উদ্দীপক-১-এ একাত্তরের ভয়ংকর কালো রাতে বাঙালিদের রক্তে রঞ্জিত হওয়ার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই পাকিস্তানিদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'একুশের গল্প' গল্পের ছেলেকে হারিয়ে তপুর মায়ের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়। পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নামে স্ত্রী। রেপুর। একইভাবে উদ্দীপক-১-এ মা-বোনের ক্রন্দনেও বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এভাবে উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প' গল্পের বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি ফুটে উঠেছে।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ভাবগত দিক থেকে 'বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা বারবার ফিরে আসে' চেতনার বহিঃপ্রকাশে "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর শরীরী মৃত্যু ঘটলেও সবার স্মৃতিতে সে সর্বদা জাগরুক। বন্ধুদের স্মৃতিচারণায় তার হাসি, কষ্ট, স্বপ্ন সবকিছু জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। এমনকি দীর্ঘ চার বছর পর তার কঙ্কালটি ফিরে পাওয়ার বিষয়টিকে লেখক শহিদ তপুর অমরত্বের প্রতীক হিসেবে মনে করেছেন। উদ্দীপক-২-এ দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে অমরত্ব লাভের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। যাঁরা দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেন তাঁসের কোনো ক্ষয় নেই। প্রজন্ম 'থেকে প্রজন্মান্তরে তাঁদের ইতিহাস মানুষ মনে রাখে। আত্মত্যাগের বিনিময়ে তাঁরা মানুষের স্মৃতিতে জাগ্রত থাকেন। উদ্দীপকের মতো 'একুশের গল্প' গল্পের তপুও আত্মত্যাগের দ্বারা মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে তপু ভাষা আন্দোলনে শহিদ বিপ্লবীদের প্রতীক। শহিদ তপুর কঙ্কালটি ফিরে পাওয়া এক প্রতীকী তাৎপর্য বহন করে। দীর্ঘদিন পর তার এভাবে ফিরে আসায় প্রতীয়মান হয়, বিপ্লবীরা চিরস্মরণীয়। তাঁদের মৃত্যু, নেই। ইতিহাস তাঁদের আত্মত্যাগের কথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। উদ্দীপক-২-এ সেই দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা” মন্তব্যটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো