শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র বাঙালির প্রতি পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাকান্ডের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'একুশের 'গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ভাষার দাবি আদায় করতে 'গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়। কপালে ক্ষত সৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত তপু মারা যায়। তার লাশটিও মিলিটারি তুলে নিয়ে যায়। উদ্দীপক-১-এ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। তাদের পৈশাচিক নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছিল গ্রাম-শহর। নির্বিশেষে। তাদের নির্যাতন-অত্যাচারে বহু মা-বোনের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়েছিল। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর পাকবাহিনীর গুলিতে রক্তাক্ত হওয়ার সঙ্গে উদ্দীপক-১-এ একাত্তরের ভয়ংকর কালো রাতে বাঙালিদের রক্তে রঞ্জিত হওয়ার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই পাকিস্তানিদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'একুশের গল্প' গল্পের ছেলেকে হারিয়ে তপুর মায়ের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়। পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নামে স্ত্রী। রেপুর। একইভাবে উদ্দীপক-১-এ মা-বোনের ক্রন্দনেও বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এভাবে উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প' গল্পের বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি ফুটে উঠেছে।

SSC বাংলা ১ম পত্র একুশের গল্প CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · একুশের গল্প · সৃজনশীল

উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

উত্তর

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল রেণুর।

উত্তর

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো।"- এ কথা রাহাত তপুর শহিদ হওয়া প্রসঙ্গে বলেছিল। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল করতে গিয়ে কপালে গুলি লেগে শহিদ হয় তপু। মিছিলে যাওয়ার সময় তপুর স্ত্রী রেণু তাকে বারবার নিষেধ করেছিল। তপু, গল্পকথক, রাহাত কেউই রেণুর কথা শোনেনি। পরে তপু শহিদ হলে তার মৃতদেহটাও পাওয়া যায়নি। সেই রাতে তপুর মা ও রেণু যখন আসে তখন তারা কান্নায় ভেঙে পড়ে। রেণু রাগে-অভিমানে তাদের সঙ্গে একটা কথাও বলেনি। এমন অবস্থায় রাহাত গল্পকথকের কানে ফিসফিস করে বলেছিল যে, তপ না মরে সে নিজে মরলেই ভালো হতো।

উত্তর

উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র বাঙালির প্রতি পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাকান্ডের দিকটি ফুটে উঠেছে। 'একুশের 'গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপু ভাষার দাবি আদায় করতে 'গিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়। কপালে ক্ষত সৃষ্ট হয়ে রক্তাক্ত তপু মারা যায়। তার লাশটিও মিলিটারি তুলে নিয়ে যায়। উদ্দীপক-১-এ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাঙালিদের ওপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে। তাদের পৈশাচিক নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছিল গ্রাম-শহর। নির্বিশেষে। তাদের নির্যাতন-অত্যাচারে বহু মা-বোনের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়েছিল। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর পাকবাহিনীর গুলিতে রক্তাক্ত হওয়ার সঙ্গে উদ্দীপক-১-এ একাত্তরের ভয়ংকর কালো রাতে বাঙালিদের রক্তে রঞ্জিত হওয়ার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। উভয় ক্ষেত্রেই পাকিস্তানিদের হত্যাযজ্ঞ ও নির্যাতনের বাস্তব প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। 'একুশের গল্প' গল্পের ছেলেকে হারিয়ে তপুর মায়ের ক্রন্দন ধ্বনিত হয়। পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নামে স্ত্রী। রেপুর। একইভাবে উদ্দীপক-১-এ মা-বোনের ক্রন্দনেও বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। এভাবে উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প' গল্পের বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানিদের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দিকটি ফুটে উঠেছে।

উত্তর

ভাবগত দিক থেকে 'বিপ্লবীদের মৃত্যু নেই, তারা বারবার ফিরে আসে' চেতনার বহিঃপ্রকাশে "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প' নামক ছোটোগল্পে তপুর শরীরী মৃত্যু ঘটলেও সবার স্মৃতিতে সে সর্বদা জাগরুক। বন্ধুদের স্মৃতিচারণায় তার হাসি, কষ্ট, স্বপ্ন সবকিছু জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। এমনকি দীর্ঘ চার বছর পর তার কঙ্কালটি ফিরে পাওয়ার বিষয়টিকে লেখক শহিদ তপুর অমরত্বের প্রতীক হিসেবে মনে করেছেন। উদ্দীপক-২-এ দেশের জন্য প্রাণ দেওয়ার মাধ্যমে অমরত্ব লাভের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে। যাঁরা দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেন তাঁসের কোনো ক্ষয় নেই। প্রজন্ম 'থেকে প্রজন্মান্তরে তাঁদের ইতিহাস মানুষ মনে রাখে। আত্মত্যাগের বিনিময়ে তাঁরা মানুষের স্মৃতিতে জাগ্রত থাকেন। উদ্দীপকের মতো 'একুশের গল্প' গল্পের তপুও আত্মত্যাগের দ্বারা মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে তপু ভাষা আন্দোলনে শহিদ বিপ্লবীদের প্রতীক। শহিদ তপুর কঙ্কালটি ফিরে পাওয়া এক প্রতীকী তাৎপর্য বহন করে। দীর্ঘদিন পর তার এভাবে ফিরে আসায় প্রতীয়মান হয়, বিপ্লবীরা চিরস্মরণীয়। তাঁদের মৃত্যু, নেই। ইতিহাস তাঁদের আত্মত্যাগের কথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়। উদ্দীপক-২-এ সেই দিকটিই প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, "উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা” মন্তব্যটি যথার্থ।
SSCবাংলা ১ম পত্রএকুশের গল্প
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10."তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) "এই অক্ষর আত্মীয় পর সকলেরে কাছে টানে, এই প্রিয় ভাষা বুকে দেয় আশা, বিমোহিত করে গানে।" (ii) "রক্তমাখা ফেব্রুয়ারির সেই কঙ্কাল আজও ফেরে, রণক্ষেত্রে না-গিয়েও যারা চিরকাল যুদ্ধ করে। ইতিহাসের গর্ভ থেকে উঠে আসে অমর বাহিনী, মৃত্যু নেই যার, সে তো বারুদ হয়ে জ্বলে প্রতিদিনই।”

Comilla · 2026

ক
তপুর প্ল্যাকার্ডে কী লেখা ছিল?
খ
"দেহটা যেন বরফের মতো জমে গিয়েছিল।"- ব্যাখ্যা করো
গ
উদ্দীপক (i)-এ 'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটোগল্পের কোন দিকটি উপস্থাপিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপক (ii) 'একুশের গল্প'-এর মূল সুরকে ধারণ করতে পেরেছে কি? মতামত দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্র"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?উদ্দীপক (ii) 'একুশের গল্প'-এর মূল সুরকে ধারণ করতে পেরেছে কি? মতামত দাও।

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।