শেয়ারFacebookWhatsApp

“উদ্দীপকের আনিকার দাদার আত্মাহুতি এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ভাষার অধিকার রক্ষায় আত্মত্যাগের দিক থেকে বলা যায়, "উদ্দীপকের আনিকার দাদার আত্মাহুতি 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প'-এর তপু একটি সংগ্রামী চরিত্র। বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার মিছিলে অংশগ্রহণ করে সে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে। তার এই আত্মত্যাগ মূলত ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত। উদ্দীপকের আনিকার দাদা ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহিদ। তিনি বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিলে গিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ নিঃসন্দেহে ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত হয়েছে যা 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ গল্পে তপু ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠার জন্যই নিজের জীবনকে অকালে উৎসর্গ করেছে। 'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটোগল্পে তপু প্রাণোচ্ছল ও স্বপ্নবান এক তরুণ। সে সাহসী ও বিপ্লবী এক যুবক। ডাক্তারি পাশ করে শহরে না থেকে গাঁয়ে গিয়ে ছোট্ট ডিসপেন-সারি দিয়ে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখত সে। তবে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠায়। সে নিঃসংকোচে বন্ধুদের সঙ্গে নেমে পড়ে রাজপথে। তার হাতে ছিল মস্ত এক প্ল্যাকার্ড, যেখানে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। সেই মিছিলেই মিলিটারির গুলিতে প্রাণ হারায় সে। তপুর এই আত্মত্যাগ ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত, যা উদ্দীপকের আনিকার দাদার মধ্যেও লক্ষণীয়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

SSC বাংলা ১ম পত্র একুশের গল্প CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · একুশের গল্প · সৃজনশীল

“উদ্দীপকের আনিকার দাদার আত্মাহুতি এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদান…

উদ্দীপক

আনিকা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ছোটো বেলায় সে ভাষা আন্দোলনের কথা বইয়ে পড়েছে। খুব ছোটোবেলায় সে তার বাবার সঙ্গে শহিদ মিনারে ফুল দিতে যায়। শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার দৃশ্যও সে খুব মজা করে দেখে। কিন্তু হঠাৎ তার বাবার দিকে ফিরে দেখে বাবার চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় পানি ঝরছে। তখন সে বোঝেনি বাবা কেন কাঁদছে। বড়ো হয়ে জানতে পারে তার দাদা বাংলা ভাষার মিছিলে আত্মাহুতি দিয়েছেন।

Dhaka · 2026

উত্তর

গল্পকথক শেষবারের মতো তপুকে হাইকোর্টের মোড়ে দেখেছিলেন।

উত্তর

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো।”- এ কথাটি তপুর মৃত্যুতে তার মা ও স্ত্রীর আর্তনাদ দেখে রাহাত গল্পকথকের কাছে বলেছিল। 'একুশের গল্প' নামক ছোটো গল্পে তপু, রাহাত, গল্পকথক একসঙ্গে মেডিকেলের হোস্টেলে থাকত। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুরু হলে তারাও সেই মিছিলে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু তপুর স্ত্রী তপুকে সেই মিছিলে যেতে দিতে চায়নি। তপুকে ফেরানোর জন্য সে অনেক কাকুতি-মিনতি করে। এটা নিয়ে রাহাতও রেণুর প্রতি রাগ দেখায়। শেষ পর্যন্ত তপু সেই মিছিলে গিয়ে শহিদ হলে রাহাত নিজেকে অপরাধী মনে করে। তপুর মা গড়াগড়ি দিয়ে কেঁদেছিলেন। রেণু তাদের দিকে ফিরেও তাকায়নি। এমনকি কারও সঙ্গে কোনো কথাও বলেনি। এমন অবস্থায় রাহাত গল্পকথকের কানে ফিসফিস করে প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছিল।

উত্তর

উদ্দীপকের আনিকার বাবার সঙ্গে 'একুশের গল্প'-এর তপুর মা চরিত্রের মিল রয়েছে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে তপু ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহিদ। তার মৃত্যুকে মা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না। এজন্য তিনি প্রাণপ্রিয় ছেলের জন্য গড়াগড়ি দিয়ে কেঁদেছিলেন। উদ্দীপকের আনিকা খুব ছোটোবেলায় তার বাবার সঙ্গে শহিদ মিনারে ফুল দিতে যায়। কিন্তু হঠাৎ বাবার দিকে ফিরে দেখে তার চোখ দিয়ে অঝোর ধারায় পানি ঝরছে। বড়ো হয়ে সে জানতে পারে তার দাদা বাংলা ভাষার মিছিলে আত্মাহুতি দেন। এখানে আনিকার বাবার কান্না মূলত স্বজন হারানোর বেদনার দিকটিকেই নির্দেশ করে। 'একুশের গল্প' ছোটোগল্পে তপুর মাও এমন করেই তার ছেলের মৃত্যুতে কান্না করেন। তিনি যখন জানতে পারেন তপুর মৃত্যু হয়েছে তখন তিনি মেডিকেলের হোস্টেলে এসে গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদতে থাকেন। তাঁর এমন কান্না মূলত স্বজন হারানোর বেদনার দিকটিকেই নির্দেশ করে যা উদ্দীপকের আনিকার বাবার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আনিকার বাবার সঙ্গে 'একুশের গল্প'-এর তপুর মা চরিত্রের মিল রয়েছে।

উত্তর

ভাষার অধিকার রক্ষায় আত্মত্যাগের দিক থেকে বলা যায়, "উদ্দীপকের আনিকার দাদার আত্মাহুতি 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদান একই চেতনায় উৎসারিত” মন্তব্যটি যথার্থ। 'একুশের গল্প'-এর তপু একটি সংগ্রামী চরিত্র। বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করার মিছিলে অংশগ্রহণ করে সে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছে। তার এই আত্মত্যাগ মূলত ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত। উদ্দীপকের আনিকার দাদা ভাষা আন্দোলনের একজন বীর শহিদ। তিনি বাংলা ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিলে গিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ নিঃসন্দেহে ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত হয়েছে যা 'একুশের গল্প'-এর তপুর জীবনদানের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এ গল্পে তপু ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠার জন্যই নিজের জীবনকে অকালে উৎসর্গ করেছে। 'একুশের গল্প' শীর্ষক ছোটোগল্পে তপু প্রাণোচ্ছল ও স্বপ্নবান এক তরুণ। সে সাহসী ও বিপ্লবী এক যুবক। ডাক্তারি পাশ করে শহরে না থেকে গাঁয়ে গিয়ে ছোট্ট ডিসপেন-সারি দিয়ে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখত সে। তবে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়লে ভাষার দাবি প্রতিষ্ঠায়। সে নিঃসংকোচে বন্ধুদের সঙ্গে নেমে পড়ে রাজপথে। তার হাতে ছিল মস্ত এক প্ল্যাকার্ড, যেখানে লাল কালিতে লেখা ছিল 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই'। সেই মিছিলেই মিলিটারির গুলিতে প্রাণ হারায় সে। তপুর এই আত্মত্যাগ ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই উৎসারিত, যা উদ্দীপকের আনিকার দাদার মধ্যেও লক্ষণীয়। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
SSCবাংলা ১ম পত্রএকুশের গল্প
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

(i) ঝড়ের রাত্রে, বৈশাখী দিনে, বর্ষার দুর্দিনে অভিযাত্রিক। নির্ভীক তারা পথ লয় ঠিক চিনে। (ii) ভেবো না গো মা, তোমার ছেলেরা হারিয়ে গিয়েছে পথে ওরা আছে মাগো হাজার মনের বিপ্লবী চেতনাতে।

Dinajpur · 2026

ক
'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?
খ
“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

উদ্দীপক-১: একাত্তরের সে রাত্রি, ভয়ংকর কালো ঘন, রক্তে ভিজে উঠেছিল পবিত্র আমার ধন। পাক বাহিনীর জুলুমে কেঁপেছিল গ্রাম শহর জ্বলে উঠেছিল মা-বোনের ক্রন্দন ভর। উদ্দীপক-২: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, "ভয় নাই, ওরে ভয় নাই। নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই, তার ক্ষয় নাই।"

Chittagong · 2026

ক
পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?
খ
"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?
গ
উদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণা" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11."তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

“উদ্দীপক (ii)-এর ভাব গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?“উদ্দীপক (ii)-এর ভার গল্পের মূল চেতনাকে ধারণ করে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।উদ্দীপক (i)-এর অভিযাত্রিক 'একুশের গল্প' রচনার কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্“স্বপ্নালু চোখে স্বপ্ন নাবতো তার।”- ব্যাখ্যা করো।'একুশের গল্প' রচনায় গল্পকথক তপুকে শেষবারের মতো কোথায় দেখেছিলেন?"উদ্দীপক-২-এর কবিভাবনা এবং 'একুশের গল্প'-এর তপুর আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রউদ্দীপক-১-এ 'একুশের গল্প'র যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা করো।"তপু না মরে আমি মরলেই ভালো হতো"- রাহাত কথাটি কেন বলেছিল?পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিল কার?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।