উদ্দীপকের নীলার শ্রমজীবী মানুষের জীবনগাঁথা ব্যক্ত করার মাধ্যমে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কোন শাখাকে নির্দেশ করে?
উত্তর: উদ্দীপকের নীলার শ্রমজীবী মানুষের জীবনগাঁথা ব্যক্ত করার মাধ্যমে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কবিতা শাখাকে নির্দেশ করে। 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের মধ্যে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাহিত্যের অন্যতম একটি শাখা হলো কবিতা। সাধারণত ছন্দবদ্ধ ভাষায় বা পদ্যে যা লিখিত হয় তাকেই কবিতা বলা হয়। কবিতার মধ্যে ছন্দমিল থাকে। প্রতিটি চরণের শেষে থাকে অন্তমিল। বক্তার ভাবোচ্ছ্বাস ও মনোভাব ছন্দবদ্ধ ভাষায় প্রকাশিত হলেই তাকে কবিতা নামে আখ্যায়িত করা হয়। কবিতা প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হলো গীতিকবিতা আর অন্যটি মহাকাব্য। ভাব প্রকাশের দৃষ্টিকোণ থেকে সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো কবিতা। উদ্দীপকের নীলা ও তনিমা একই শ্রেণিতে পড়ে। দুজনের ইচ্ছা শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা নিজেদের লেখনিতে তুলে ধরবে। তবে দুজনের চিন্তাধারা ভিন্ন। নীলা শ্রমজীবী মানুষের জীবনের বিভিন্ন অংশের স্মৃতিকে শব্দের ভিতর সাজিয়ে স্বপ্নময় করে ধ্বনির ঝঙ্কারে ব্যক্ত করে। অর্থাৎ কবিতার মাধ্যমে নীলা তার মনোভাব প্রকাশ করে। নীলা সাহিত্যের কবিতা শাখায় নিজেকে মনোনিবেশ করেছে। নীলার লেখনিটি কবিতা শাখাকেই ইঙ্গিত করে। 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কবিতার বৈশিষ্ট্যাবলি নীলার লেখনিতেও ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শ্রমজীবী মানুষের জীবনগাঁথা ব্যক্ত করার মাধ্যমে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধের কবিতা শাখাকে নির্দেশ করে।
SSC বাংলা ১ম পত্র পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
উদ্দীপকের নীলার শ্রমজীবী মানুষের জীবনগাঁথা ব্যক্ত করার মাধ্যমে 'সাহ…
উদ্দীপক
Barisal · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর