কৃষি উপাদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি কেনা ও ব্যবহারের জন্য কৃষককে ঋণ গ্রহণ করতে হয়।
কৃষি ঋণ হলো মূলত কোনো পরিবার • বা কৃষক কর্তৃক কৃষি উপাদান ও প্রযুক্তি ক্রয়ের জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঋণ গ্রহণ করা। সাধারণভাবে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন উপকরণ ক্রয়, ভূমিতে স্থায়ী উন্নতি সাধন, গুদামঘর নির্মাণ এবং উৎপাদিত পণ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি কাজের জন্য কৃষকের যে ঋণের প্রয়োজন হয় তাই হলো কৃষি ঋণ। কৃষি ঋণের জন্য কৃষকরা বিভিন্ন অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎসের উপর নির্ভর করলেও প্রতারণা ও শোষণমূলক কর্মকান্ডের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উৎসগুলো জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কৃষকদের ঋণ প্রদান করার জন্য বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। কৃষক ও কৃষির উন্নতি সাধনের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কৃষি ব্যাংক। কৃষি ব্যাংক বাংলাদেশের প্রত্যেক অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রায় ছয় শতাধিক শাখার মাধ্যমে কৃষকদের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি এ তিন ধরনের ঋণ দিয়ে থাকে। স্বল্পমেয়াদি ঋণ বীজ, সার, কীটনাশক ক্রয় ও অন্যান্য কাজ করার জন্য; মধ্যমেয়াদি ঋণ কৃষি যন্ত্রপাতি, হালের বলদ প্রভৃতি ক্রয়ের জন্য এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণ জমির উন্নতি বিধান, ট্রাক্টর, গভীর নলকূপ স্থাপন, উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রভৃতির জন্য দেওয়া হয়।
আজমত আলী তার চাষাবাদকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বীজ, সার কীটনাশক ক্রয় ও অন্যান্য কাজ করার জন্য ঋণ গ্রহণ করতে পারে যা স্বল্পমেয়াদি ঋণ। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, আজমত আলী কৃষি ব্যাংক হতে স্বল্পমেয়াদি ঋণ পাওয়ার যোগ্য।