Chapter 5 : কৃষি অর্থনীতি ও সমবায় কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এর Chapter 5 : কৃষি অর্থনীতি ও সমবায় অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৩১৪

প্রশ্ন

কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জামান সাহেব চাকরির অবসরের টাকা দিয়ে বড় উদ্যান খামার করে লোকসান হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ খামার পরিদর্শন করে দেখে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল। জামান সাহেব এখন মাঠ ফসলের খামার করতে চাচ্ছে।
খামার কাকে বলে?

উত্তর

খামার হলো কৃষক পরিবারের একটি সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও ভোগের একক, যেখানে ফসল, পশু-পাখি, মৎস্য, ফল- মূল, গাছপালা প্রভৃতি পণ্যের সমন্বিত অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়া চলে।
মাঠ ফসলের কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষিতাত্ত্বিক ফসলগুলোকে মাঠ ফসল বলা হয়। মাঠ ফসলের কার্যাবলিগুলো হলো- প্রথম জমির উপযুক্ততা ও জমি তৈরি, বীজ রোপণ বা চারা তৈরি করে রোপণ, জমিতে পানি ও সার প্রয়োগ, অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা, ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনা, আগাছা পরিষ্কার, ফসল উত্তোলন, মাড়াই ঝাড়াই, শুকানো ও গুদামজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণ এগুলোই হলো মাঠ ফসলের কার্যাবলি।
জামান সাহেবের খামারের ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

জামান সাহেবের খামারটি ছিল উদ্যান খামার। জামান সাহেবের খামারটি লোকসান হয় কারণ এতে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল। নিচে ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- সাধারণত যে সমস্ত ফসলের প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন করে চাষাবাদ করা হয় সেগুলোকে উদ্যান ফসল বলে। যেমন- আম, লিচু। লাভজনক খামার পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি খামারকে লাভজনক হিসেবে গড়ে তোলা যায়। জামান সাহেবের খামারটি উদ্যান খামার ছিল কিন্তু কিছু ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারণে খামারটি লোকসানের সম্মুখীন হয়। ত্রুটিগুলো ছিল- উদ্যান ফসল বা চাহিদাভিত্তিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করা হয় নি। জমির মূল্যায়নে, শ্রমিক মূল্যায়নে, মূলধন মূল্যায়নে ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ব্যাহত হয়। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কাজের তালিকা প্রণয়ন করা হয় নি। যে সকল ফসল উৎপাদন করতে চায়, তার তালিকা নিরূপণ করা হয় নি। কোন ফসল কতটুকু জমিতে আবাদ করলে লাভজনক হবে তা নির্ধারণে ব্যর্থ হয়। খামারের আয় ও ব্যয়ের খাতসমূহ নির্ধারণ করা হয় নি। শ্রম পরিকল্পনা ও কারিগরি ব্যবস্থাপনার ছক তৈরি করা হয় নি। পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের সিডিউল তৈরিতে ব্যর্থ হয়। খামারের দৈনন্দিন কার্যাবলি চিহ্নিতকরণ ও তালিকাভুক্তকরণে দক্ষ শ্রমিকের অভাব ছিল। তাছাড়া উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে গাছকে এককভাবে যত্ন নিতে হয় যাতে বহু শ্রমিক দরকার। উদ্যান ফসলের কিছু বিশেষ অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা রয়েছে যেমন- গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার ইত্যাদি। তাছাড়া সঠিকভাবে উদ্যান ফসল গুদামজাত কর। না হলে এরা দ্রুত পচে যাবে, যা লোকসানের কারণ হয়। তাছাড়া একেক উদ্যান ফসলের উত্তোলনের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে এমনকি উত্তোলন পদ্ধতিও ভিন্ন হয়ে থাকে। যদি সঠিক সময়ে উত্তোলন করা না হয়, তাহলে ফলন কমে যাবে। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, জামান সাহেবের উদ্যান খামারটি লোকসানের পিছনে। উপরোক্ত ত্রুটিগুলো বিদ্যমান ছিল।
জামান সাহেবের পরবর্তী সিদ্ধান্তের যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জামান সাহেবের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ছিল মাঠ ফসলের খামার করা। সিদ্ধান্তের যথার্থতা নিচে যাচাই করা হলো- কৃষিতাত্ত্বিক ফসলগুলোকে মাঠ ফসল বলা হয়। যে সমস্ত ফসলের প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন না করে সামগ্রিকভাবে যত্ন নিয়ে মাঠ পর্যায়ে চাষ করা হয় সেগুলোকে কৃষিতাত্ত্বিক বা মাঠ ফসল বলা হয়। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা। মাঠ ফসল করলে প্রধান সুবিধা হলো এগুলো এককভাবে যত্ন নিতে হয় না, ফলে শ্রমিক কম লাগে। বীজ রোপণ ও ফসল উত্তোলন একই সময়ে হয়ে থাকে, ফলে ফসল উত্তোলন বারবার করতে হয় না যেমন উদ্যান ফসলে ছিল। মাঠ ফসলে উদ্যান ফসলের চেয়ে পোকামাকড় আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম। মাঠ ফসলের সমস্ত ফসলকে একসাথে সার প্রয়োগ বা পানি দেওয়া যায়, যেখানে উদ্যান ফসলে পৃথক পৃথকভাবে দিতে হতো। মাঠ ফসল অনেক দিন গুদামজাত করা যায়, কিন্তু উদ্যান ফসল বেশি দিন গুদামজাত করলে পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিছু মাঠ ফসল সারা বছর করা যায় যেমন- ধান। কিন্তু উদ্যান ফসল একটি নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয়। মাঠ ফসলের খামারের ক্ষেত্রে একটু সচেতন হলেই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। মাঠ ফসলের খামারের পণ্য সহজে বিক্রয় করা যায়। সঠিকভাবে গুদামজাত করতে পারলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মাঠ ফসল জমা করে রাখা যায়। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, জামান সাহেবের সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জামান সাহেব চাকরির অবসরের টাকা দিয়ে বড় উদ্যান খামার করে লোকসান হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ খামার পরিদর্শন করে দেখে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল। জামান সাহেব এখন মাঠ ফসলের খামার করতে চাচ্ছে।
খামার কাকে বলে?

উত্তর

খামার হলো কৃষক পরিবারের একটি সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও ভোগের একক, যেখানে ফসল, পশু-পাখি, মৎস্য, ফল- মূল, গাছপালা প্রভৃতি পণ্যের সমন্বিত অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়া চলে।
মাঠ ফসলের কার্যাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষিতাত্ত্বিক ফসলগুলোকে মাঠ ফসল বলা হয়। মাঠ ফসলের কার্যাবলিগুলো হলো- প্রথম জমির উপযুক্ততা ও জমি তৈরি, বীজ রোপণ বা চারা তৈরি করে রোপণ, জমিতে পানি ও সার প্রয়োগ, অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা, ফসলের বালাই ব্যবস্থাপনা, আগাছা পরিষ্কার, ফসল উত্তোলন, মাড়াই ঝাড়াই, শুকানো ও গুদামজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণ এগুলোই হলো মাঠ ফসলের কার্যাবলি।
জামান সাহেবের খামারের ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

জামান সাহেবের খামারটি ছিল উদ্যান খামার। জামান সাহেবের খামারটি লোকসান হয় কারণ এতে ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি ছিল। নিচে ত্রুটিগুলো বিশ্লেষণ করা হলো- সাধারণত যে সমস্ত ফসলের প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন করে চাষাবাদ করা হয় সেগুলোকে উদ্যান ফসল বলে। যেমন- আম, লিচু। লাভজনক খামার পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি খামারকে লাভজনক হিসেবে গড়ে তোলা যায়। জামান সাহেবের খামারটি উদ্যান খামার ছিল কিন্তু কিছু ব্যবস্থাপনা ত্রুটির কারণে খামারটি লোকসানের সম্মুখীন হয়। ত্রুটিগুলো ছিল- উদ্যান ফসল বা চাহিদাভিত্তিক উৎপাদনের উদ্দেশ্যে নির্ধারণ করা হয় নি। জমির মূল্যায়নে, শ্রমিক মূল্যায়নে, মূলধন মূল্যায়নে ব্যবস্থাপনার দক্ষতা ব্যাহত হয়। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কাজের তালিকা প্রণয়ন করা হয় নি। যে সকল ফসল উৎপাদন করতে চায়, তার তালিকা নিরূপণ করা হয় নি। কোন ফসল কতটুকু জমিতে আবাদ করলে লাভজনক হবে তা নির্ধারণে ব্যর্থ হয়। খামারের আয় ও ব্যয়ের খাতসমূহ নির্ধারণ করা হয় নি। শ্রম পরিকল্পনা ও কারিগরি ব্যবস্থাপনার ছক তৈরি করা হয় নি। পণ্য ক্রয় ও বিক্রয়ের সিডিউল তৈরিতে ব্যর্থ হয়। খামারের দৈনন্দিন কার্যাবলি চিহ্নিতকরণ ও তালিকাভুক্তকরণে দক্ষ শ্রমিকের অভাব ছিল। তাছাড়া উদ্যান ফসলের ক্ষেত্রে গাছকে এককভাবে যত্ন নিতে হয় যাতে বহু শ্রমিক দরকার। উদ্যান ফসলের কিছু বিশেষ অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যা রয়েছে যেমন- গাছের গোড়ায় মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া, আগাছা পরিষ্কার ইত্যাদি। তাছাড়া সঠিকভাবে উদ্যান ফসল গুদামজাত কর। না হলে এরা দ্রুত পচে যাবে, যা লোকসানের কারণ হয়। তাছাড়া একেক উদ্যান ফসলের উত্তোলনের সময় ভিন্ন হয়ে থাকে এমনকি উত্তোলন পদ্ধতিও ভিন্ন হয়ে থাকে। যদি সঠিক সময়ে উত্তোলন করা না হয়, তাহলে ফলন কমে যাবে। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায় যে, জামান সাহেবের উদ্যান খামারটি লোকসানের পিছনে। উপরোক্ত ত্রুটিগুলো বিদ্যমান ছিল।
জামান সাহেবের পরবর্তী সিদ্ধান্তের যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তর

উদ্দীপকে জামান সাহেবের পরবর্তী সিদ্ধান্ত ছিল মাঠ ফসলের খামার করা। সিদ্ধান্তের যথার্থতা নিচে যাচাই করা হলো- কৃষিতাত্ত্বিক ফসলগুলোকে মাঠ ফসল বলা হয়। যে সমস্ত ফসলের প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন না করে সামগ্রিকভাবে যত্ন নিয়ে মাঠ পর্যায়ে চাষ করা হয় সেগুলোকে কৃষিতাত্ত্বিক বা মাঠ ফসল বলা হয়। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা। মাঠ ফসল করলে প্রধান সুবিধা হলো এগুলো এককভাবে যত্ন নিতে হয় না, ফলে শ্রমিক কম লাগে। বীজ রোপণ ও ফসল উত্তোলন একই সময়ে হয়ে থাকে, ফলে ফসল উত্তোলন বারবার করতে হয় না যেমন উদ্যান ফসলে ছিল। মাঠ ফসলে উদ্যান ফসলের চেয়ে পোকামাকড় আক্রমণ তুলনামূলকভাবে কম। মাঠ ফসলের সমস্ত ফসলকে একসাথে সার প্রয়োগ বা পানি দেওয়া যায়, যেখানে উদ্যান ফসলে পৃথক পৃথকভাবে দিতে হতো। মাঠ ফসল অনেক দিন গুদামজাত করা যায়, কিন্তু উদ্যান ফসল বেশি দিন গুদামজাত করলে পচে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিছু মাঠ ফসল সারা বছর করা যায় যেমন- ধান। কিন্তু উদ্যান ফসল একটি নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয়। মাঠ ফসলের খামারের ক্ষেত্রে একটু সচেতন হলেই কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া সম্ভব। মাঠ ফসলের খামারের পণ্য সহজে বিক্রয় করা যায়। সঠিকভাবে গুদামজাত করতে পারলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত মাঠ ফসল জমা করে রাখা যায়। সুতরাং, উপরোক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, জামান সাহেবের সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নয়নপুর গ্রামের কৃষকেরা কৃষিপণ্য উৎপাদনের পর তা সঠিকভাবে। বাজারজাত করতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ। কর্মকর্তা কৃষকদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করেন। তিনি কৃষকদের বলেন, কৃষি জমির উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বাজারজাতকরণের। লক্ষ্যে সকলে মিলিতভাবে একটি পেশাগত সংগঠন করা দরকার।
কৃষি অর্থনীতি কাকে বলে?

উত্তর

কৃষি থেকে মানুষের সম্পদের প্রাপ্যতা ও সম্পদের ব্যবহার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে কৃষি অর্থনীতি বলে
আমাদের দেশে শস্য পর্যায় অবলম্বনের ক্ষেত্রে কী কী সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় লেখ।

উত্তর

আমাদের দেশে শস্য পর্যায় অবলম্বনের ক্ষেত্রে যেসব সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় তা নিচে আলোচনা করা হলো- ১. কৃষকের অল্প পরিমাণ জমি থাকার ফলে শস্য পর্যায়ক্রম অবলম্বন সম্ভব হয় না। ২. কৃষকগণ নির্দিষ্ট কিছু ফসল অতি মাত্রায় পছন্দ করে বিধায় অন্যান্য ফসল উৎপাদনে তেমন আগ্রহী হয় না। ৩. নিচু এলাকা যেখানে প্রতি বছর বন্যায় ডুবে যায় সেখানে শস্য পর্যায় সম্ভব নয়। ৪. সেচ ব্যবস্থার অপ্রাচুর্যতার কারণেও অনেক ক্ষেত্রে শস্য পর্যায় ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায় না। ৫. ফসলের মূল্য বৈষম্যহেতু অনেক সময় কৃষক সে ফসল উৎপাদন করতে চায় না।
সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের যে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলেছিলেন তার মূলনীতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষি কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের কৃষকদের জমির উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি পেশাগত সংগঠনের কথা বলেন। সকলে মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত: এ পেশাগত সংগঠন হচ্ছে কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায়ের মূলনীতি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সদস্য কৃষকদের মধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকতে হবে যার উপর কৃষি সমবায়ের সাফল্য নির্ভর করে। '২. কাজকর্মে এবং কৃষি সমবায়ের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে যেকোনো মূল্যে যেকোনো অবস্থায় একতা থাকতে হবে। ৩. কৃষি সমবায়ের সফলতা ও উন্নতির জন্য এর প্রতিটি সদস্যের মধ্যে কাজকর্মে সততা ও ন্যায়নীতি আবশ্যক ও অপরিহার্য। কোনো সদস্যের মধ্যে দুর্নীতি থাকবে না। ৪. কৃষি সমবায়ের সদস্যদের মধ্যে ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র এরূপ কোনো ভেদাভেদ থাকবে না বরং সকল সদস্যই সাম্যের ভিত্তিতে সমান অধিকারভিত্তিক নিজ নিজ কর্তব্য পালন করবে এবং সমবায়ের সুযোগ ও লভ্যাংশ ভোগের ক্ষেত্রেও প্রতিটি সদস্য সম- অধিকার ভোগ করবে। ৫. গণতন্ত্রের উপর কৃষি সমবায়ের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। ৬. কৃষি সমবায়ের সদস্যগণ একই গ্রামের কিংবা পাশাপাশি গ্রামের অধিবাসী হলে ভালো হয়। কারণ, সদস্যদের মধ্যে জানাশোনা না থাকলে তারা সফলভাবে সমবায়ে কাজ করতে পারবে না। ৭. কৃষি সমবায়ের প্রতিটি সদস্যকে মুমবায়ের সফলতার জন্য সমবায়ের টাকা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে উৎপাদন কাজে লাগাতে হবে। ৮. কৃষি সমবায়ে সদস্য কৃষকদের স্বাধীন মত প্রকাশে কোনো বাধা থাকবে না। ৯. কৃষি সমবায়ে ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। অতএব এসব মূলনীতি অবলম্বন করে পেশাদার সংগঠন প্রতিষ্ঠা করলে তা থেকে সকল কৃষক সদস্য লাভবান হবে।
কৃষি কর্মকর্তা কর্তৃক বর্ণিত সংগঠনটি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের কৃষকদের জমির উৎপাদন বাড়াতে এবং পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি পেশাগত সংগঠনের কথা বলেন। এ পেশাগত সংগঠন তথা কৃষি সমবায় কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণে যেসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষক ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, দরিদ্র ও ঋণগ্রস্ত বলে কৃষি পণ্য উৎপাদনের পরপরই বিক্রি করে দেয়। কিন্তু উপযুক্ত দাম পায় না। ফলে কৃষকেরা উৎপাদন খরচও পায় না। কারণ উৎপাদন মৌসুমে পণ্যের দাম কম থাকে। কৃষকের সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে না। অপরদিকে, দূরে কোনো বাজারে নিলে উপযুক্ত দাম পাওয়ার সম্ভাবনা, কিন্তু অল্প পণ্যে পরিবহন খরচ বেশি হয়। তবে সমবায়ের ভিত্তিতে সকলের পণ্য একত্র করে পরিবহনে নিলে খরচ কম হয়। একক পণ্য বাজারজাতকরণের চেয়ে সমবায়ভিত্তিক পণ্য বাজারজাতকরণের সুবিধা বেশি থাকে। এতে দাম কষাকষির মাধ্যমে বিক্রিত পণ্যের সর্বাধিক মূল্য পাওয়া যায়। বিপণন খরচও কমে। পণ্য এককভাবে বাজারে নিলে পণ্যের দাম কম হতে পারে। কিন্তু সমবায় ভিত্তিক বিক্রি করলে ভালো দামের পাশাপাশি সরকারি আইনি সহায়তা পাওয়া যায়। পণ্য বিপণনে অসাধু মধ্যস্বত্বভোগীর অত্যাচার ও মুনাফাখোর মহাজনের অত্যাচার থেকে একক কৃষকে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে রক্ষা করার জন্য সমবায় কার্যক্রমের ভূমিকা দুনিয়াব্যাপী স্বীকৃত। মিল্ক ভিটার মাধ্যমে দুধ বাজারজাতকরণ কৃষি সমবায় বাজারজাতকরণের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অতএব কৃষি সমবায়ভিত্তিক কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ করলে বিপণন সমস্যা, পরিবহন সমস্যা, সংরক্ষণ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার মাধ্যমে কৃষকগণ উপকৃত হতে পারবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নয়নপুর গ্রামের কৃষকেরা কৃষিপণ্য উৎপাদনের পর তা সঠিকভাবে। বাজারজাত করতে না পারায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ। কর্মকর্তা কৃষকদের নিয়ে একটি সভার আয়োজন করেন। তিনি কৃষকদের বলেন, কৃষি জমির উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বাজারজাতকরণের। লক্ষ্যে সকলে মিলিতভাবে একটি পেশাগত সংগঠন করা দরকার।
কৃষি অর্থনীতি কাকে বলে?

উত্তর

কৃষি থেকে মানুষের সম্পদের প্রাপ্যতা ও সম্পদের ব্যবহার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে কৃষি অর্থনীতি বলে
আমাদের দেশে শস্য পর্যায় অবলম্বনের ক্ষেত্রে কী কী সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় লেখ।

উত্তর

আমাদের দেশে শস্য পর্যায় অবলম্বনের ক্ষেত্রে যেসব সীমাবদ্ধতা পরিলক্ষিত হয় তা নিচে আলোচনা করা হলো- ১. কৃষকের অল্প পরিমাণ জমি থাকার ফলে শস্য পর্যায়ক্রম অবলম্বন সম্ভব হয় না। ২. কৃষকগণ নির্দিষ্ট কিছু ফসল অতি মাত্রায় পছন্দ করে বিধায় অন্যান্য ফসল উৎপাদনে তেমন আগ্রহী হয় না। ৩. নিচু এলাকা যেখানে প্রতি বছর বন্যায় ডুবে যায় সেখানে শস্য পর্যায় সম্ভব নয়। ৪. সেচ ব্যবস্থার অপ্রাচুর্যতার কারণেও অনেক ক্ষেত্রে শস্য পর্যায় ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায় না। ৫. ফসলের মূল্য বৈষম্যহেতু অনেক সময় কৃষক সে ফসল উৎপাদন করতে চায় না।
সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের যে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলেছিলেন তার মূলনীতি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কৃষি কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের কৃষকদের জমির উৎপাদন বৃদ্ধি ও পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি পেশাগত সংগঠনের কথা বলেন। সকলে মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত: এ পেশাগত সংগঠন হচ্ছে কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায়ের মূলনীতি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সদস্য কৃষকদের মধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব থাকতে হবে যার উপর কৃষি সমবায়ের সাফল্য নির্ভর করে। '২. কাজকর্মে এবং কৃষি সমবায়ের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে যেকোনো মূল্যে যেকোনো অবস্থায় একতা থাকতে হবে। ৩. কৃষি সমবায়ের সফলতা ও উন্নতির জন্য এর প্রতিটি সদস্যের মধ্যে কাজকর্মে সততা ও ন্যায়নীতি আবশ্যক ও অপরিহার্য। কোনো সদস্যের মধ্যে দুর্নীতি থাকবে না। ৪. কৃষি সমবায়ের সদস্যদের মধ্যে ছোট-বড়, ধনী-দরিদ্র এরূপ কোনো ভেদাভেদ থাকবে না বরং সকল সদস্যই সাম্যের ভিত্তিতে সমান অধিকারভিত্তিক নিজ নিজ কর্তব্য পালন করবে এবং সমবায়ের সুযোগ ও লভ্যাংশ ভোগের ক্ষেত্রেও প্রতিটি সদস্য সম- অধিকার ভোগ করবে। ৫. গণতন্ত্রের উপর কৃষি সমবায়ের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। ৬. কৃষি সমবায়ের সদস্যগণ একই গ্রামের কিংবা পাশাপাশি গ্রামের অধিবাসী হলে ভালো হয়। কারণ, সদস্যদের মধ্যে জানাশোনা না থাকলে তারা সফলভাবে সমবায়ে কাজ করতে পারবে না। ৭. কৃষি সমবায়ের প্রতিটি সদস্যকে মুমবায়ের সফলতার জন্য সমবায়ের টাকা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে উৎপাদন কাজে লাগাতে হবে। ৮. কৃষি সমবায়ে সদস্য কৃষকদের স্বাধীন মত প্রকাশে কোনো বাধা থাকবে না। ৯. কৃষি সমবায়ে ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। অতএব এসব মূলনীতি অবলম্বন করে পেশাদার সংগঠন প্রতিষ্ঠা করলে তা থেকে সকল কৃষক সদস্য লাভবান হবে।
কৃষি কর্মকর্তা কর্তৃক বর্ণিত সংগঠনটি কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নয়নপুর গ্রামের কৃষকদের জমির উৎপাদন বাড়াতে এবং পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি পেশাগত সংগঠনের কথা বলেন। এ পেশাগত সংগঠন তথা কৃষি সমবায় কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণে যেসব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো- আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষক ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, দরিদ্র ও ঋণগ্রস্ত বলে কৃষি পণ্য উৎপাদনের পরপরই বিক্রি করে দেয়। কিন্তু উপযুক্ত দাম পায় না। ফলে কৃষকেরা উৎপাদন খরচও পায় না। কারণ উৎপাদন মৌসুমে পণ্যের দাম কম থাকে। কৃষকের সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় পণ্য সংরক্ষণ করতে পারে না। অপরদিকে, দূরে কোনো বাজারে নিলে উপযুক্ত দাম পাওয়ার সম্ভাবনা, কিন্তু অল্প পণ্যে পরিবহন খরচ বেশি হয়। তবে সমবায়ের ভিত্তিতে সকলের পণ্য একত্র করে পরিবহনে নিলে খরচ কম হয়। একক পণ্য বাজারজাতকরণের চেয়ে সমবায়ভিত্তিক পণ্য বাজারজাতকরণের সুবিধা বেশি থাকে। এতে দাম কষাকষির মাধ্যমে বিক্রিত পণ্যের সর্বাধিক মূল্য পাওয়া যায়। বিপণন খরচও কমে। পণ্য এককভাবে বাজারে নিলে পণ্যের দাম কম হতে পারে। কিন্তু সমবায় ভিত্তিক বিক্রি করলে ভালো দামের পাশাপাশি সরকারি আইনি সহায়তা পাওয়া যায়। পণ্য বিপণনে অসাধু মধ্যস্বত্বভোগীর অত্যাচার ও মুনাফাখোর মহাজনের অত্যাচার থেকে একক কৃষকে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে রক্ষা করার জন্য সমবায় কার্যক্রমের ভূমিকা দুনিয়াব্যাপী স্বীকৃত। মিল্ক ভিটার মাধ্যমে দুধ বাজারজাতকরণ কৃষি সমবায় বাজারজাতকরণের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অতএব কৃষি সমবায়ভিত্তিক কৃষি পণ্য বাজারজাতকরণ করলে বিপণন সমস্যা, পরিবহন সমস্যা, সংরক্ষণ সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায় এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাওয়ার মাধ্যমে কৃষকগণ উপকৃত হতে পারবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কামান্না গ্রামের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রয় করতে সমস্যার সম্মুখীন হন। এতে তারা কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলে কৃষি কর্মকর্তা তাদেরকে বাজারজাতকরণ সমবায় অনুসরণ করতে বলেন। তিনি আরো বলেন, "এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষি পণ্যের উচ্চমূল্য প্রাপ্তিসহ বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব।"
বাজারজাতকরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো দ্রব্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌছাতে যতগুলো স্তর অতিক্রম করতে হয় তাকেই বাজারজাতকরণ বলে।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বলতে কী বুঝ?

উত্তর

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বলতে কৃষিতে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক 'যন্ত্রপাতি, যেমন- পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, উইডার, থ্রেসার মেশিন রিপার ইত্যাদি ব্যবহার করাকে বোঝায়। বর্তমানে অধিকাংশ কৃষকই তাদের জমির আগাছা দমনের জন্য হাতের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের উইডার ব্যবহার করেন। জমি চাষের ক্ষেত্রে লাঙল বা পশুর পরিবর্তে ট্রাক্টর ব্যবহার করেন। সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর কৃষি কাজে যন্ত্রের ব্যবহার করাই হচ্ছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে বাজারজাতকরণ। কৃষিতে উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে, সঠিক দামে, সঠিক মানে, সঠিক ভোক্তার নিকট পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে কৃষি বাজারজাতকরণ। কৃষিতে বাজারজাতকরণের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের মাধ্যমে সহজেই ভোক্তার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। আবার সঠিক নিয়মে ও সঠিক সময়ে বাজারজাত করলে কৃষকেরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় আর ভোক্তারা মানসম্পন্ন পণ্য পায়। বাজারজাতকরণের মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ উন্নত বাজার ব্যবস্থা শুধুমাত্র ভোক্তাদের উপযোগ বৃদ্ধিতেই সাহায্য করে না, এটি কৃষি উৎপাদনের সাথে জড়িত কৃষকদের ভাগ্য নির্ধারণ করে। বাজারজাতকরণের ফলে পণ্যের অপচয় ব্যয় হ্রাস পায়। কৃষি ও শিল্পের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি হয়। বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে। এছাড়া কৃষিপণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন সম্ভব, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়তা করে। ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হয়। এমনকি বাজারজাতকরণের ফলে দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্প উৎপাদন বাড়ে এবং অধিক পণ্য উৎপাদিত হয় যা কৃষকদের অবস্থা পরিবর্তনে সাহায্য করে। অতএব বলা যায়, সঠিক সময়ে, সঠিক দামে, সঠিক মানে পণ্য পেতে বাজারজাতকরণের গুরুত্ব অনেক।
কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত উক্তিটি হচ্ছে- বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উচ্চমূল্য প্রাপ্তিসহ বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো- কৃষিপণ্য উৎপাদক থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌছাতে বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমবায়ের • মাধ্যমে কৃষিপণ্য বাজারজাত করলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায়। একা একা পণ্য বিক্রয় করলে একদিকে যেমন ভালো দাম পাওয়া সম্ভব নয়, অপরদিকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের শিকার হতে হয়। আর সমবায়ের মাধ্যমে কৃষিপণ্য বাজারজাত করলে দাম কষাকষির মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা হয়। এতে উচ্চমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কৃষিপণ্য গুদামজাত করে অনুৎপাদন মৌসুমে বিক্রয় করে মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করে কৃষকেরা উচ্চমূল্য পায়। বাজারজাতকরণের ফলে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থান যেমন- পরিবহন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ইত্যাদি ধাপে জনবল প্রয়োজন। এতে অনেক বেকার যুবক সমবায়ের সদস্য হয়ে তাদের বেকারত্ব দূর করতে পারেন। এছাড়া বাজারজাতকরণের ফলে কৃষকদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উচ্চমূল্য প্রাপ্তি, বেকার সমস্যার সমাধানসহ কৃষকদের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান হয়ে যায়। অতএব বলা যায়, কৃষি কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

কামান্না গ্রামের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রয় করতে সমস্যার সম্মুখীন হন। এতে তারা কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলে কৃষি কর্মকর্তা তাদেরকে বাজারজাতকরণ সমবায় অনুসরণ করতে বলেন। তিনি আরো বলেন, "এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কৃষি পণ্যের উচ্চমূল্য প্রাপ্তিসহ বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব।"
বাজারজাতকরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো দ্রব্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌছাতে যতগুলো স্তর অতিক্রম করতে হয় তাকেই বাজারজাতকরণ বলে।
কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বলতে কী বুঝ?

উত্তর

কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বলতে কৃষিতে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক 'যন্ত্রপাতি, যেমন- পাওয়ার টিলার, ট্রাক্টর, উইডার, থ্রেসার মেশিন রিপার ইত্যাদি ব্যবহার করাকে বোঝায়। বর্তমানে অধিকাংশ কৃষকই তাদের জমির আগাছা দমনের জন্য হাতের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের উইডার ব্যবহার করেন। জমি চাষের ক্ষেত্রে লাঙল বা পশুর পরিবর্তে ট্রাক্টর ব্যবহার করেন। সার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর কৃষি কাজে যন্ত্রের ব্যবহার করাই হচ্ছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ।
উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।।

উত্তর

উদ্দীপকের প্রক্রিয়াটি হচ্ছে বাজারজাতকরণ। কৃষিতে উৎপাদিত পণ্য সঠিক সময়ে, সঠিক দামে, সঠিক মানে, সঠিক ভোক্তার নিকট পৌঁছে দেওয়াই হচ্ছে কৃষি বাজারজাতকরণ। কৃষিতে বাজারজাতকরণের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের মাধ্যমে সহজেই ভোক্তার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে। আবার সঠিক নিয়মে ও সঠিক সময়ে বাজারজাত করলে কৃষকেরা পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় আর ভোক্তারা মানসম্পন্ন পণ্য পায়। বাজারজাতকরণের মাধ্যমে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ উন্নত বাজার ব্যবস্থা শুধুমাত্র ভোক্তাদের উপযোগ বৃদ্ধিতেই সাহায্য করে না, এটি কৃষি উৎপাদনের সাথে জড়িত কৃষকদের ভাগ্য নির্ধারণ করে। বাজারজাতকরণের ফলে পণ্যের অপচয় ব্যয় হ্রাস পায়। কৃষি ও শিল্পের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি হয়। বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল থাকে। এছাড়া কৃষিপণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন সম্ভব, যা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়তা করে। ফলে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারিত হয়। এমনকি বাজারজাতকরণের ফলে দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্প উৎপাদন বাড়ে এবং অধিক পণ্য উৎপাদিত হয় যা কৃষকদের অবস্থা পরিবর্তনে সাহায্য করে। অতএব বলা যায়, সঠিক সময়ে, সঠিক দামে, সঠিক মানে পণ্য পেতে বাজারজাতকরণের গুরুত্ব অনেক।
কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

কৃষি কর্মকর্তার শেষোক্ত উক্তিটি হচ্ছে- বাজারজাতকরণের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উচ্চমূল্য প্রাপ্তিসহ বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব। নিচে উক্তিটি বিশ্লেষণ করা হলো- কৃষিপণ্য উৎপাদক থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌছাতে বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমবায়ের • মাধ্যমে কৃষিপণ্য বাজারজাত করলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায়। একা একা পণ্য বিক্রয় করলে একদিকে যেমন ভালো দাম পাওয়া সম্ভব নয়, অপরদিকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের শিকার হতে হয়। আর সমবায়ের মাধ্যমে কৃষিপণ্য বাজারজাত করলে দাম কষাকষির মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা হয়। এতে উচ্চমূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার কৃষিপণ্য গুদামজাত করে অনুৎপাদন মৌসুমে বিক্রয় করে মধ্যস্বত্বভোগীদের এড়িয়ে সরাসরি ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করে কৃষকেরা উচ্চমূল্য পায়। বাজারজাতকরণের ফলে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থান যেমন- পরিবহন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ইত্যাদি ধাপে জনবল প্রয়োজন। এতে অনেক বেকার যুবক সমবায়ের সদস্য হয়ে তাদের বেকারত্ব দূর করতে পারেন। এছাড়া বাজারজাতকরণের ফলে কৃষকদের মাঝে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে। উপরোক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, বাজারজাতকরণের মাধ্যমে উচ্চমূল্য প্রাপ্তি, বেকার সমস্যার সমাধানসহ কৃষকদের অন্যান্য সমস্যারও সমাধান হয়ে যায়। অতএব বলা যায়, কৃষি কর্মকর্তার উক্তিটি যথার্থ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জয়পুর গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত দ্রব্যের সঠিক বাজারমূল্য না পাওয়ার কারণে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। এমতাবস্থায় তারা স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলে তিনি তাদের সকলকে কৃষি সমবায় গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন প্রথমত কৃষি সমবায় কতকগুলো শর্তসাপেক্ষে গঠিত হয়। যার ফলে কৃষি সমবায়ের উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন করা সহজ হয়।
স্থায়িত্বের ভিত্তিতে খামার কয় শ্রেণির হয়ে থাকে?

উত্তর

স্থায়িত্বের ভিত্তিতে খামার ৩ শ্রেণির হয়ে থাকে।
খামার বলতে কী বুঝ?

উত্তর

খামার হলো কৃষক পরিবারের একটি সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও ভোগের একক। এখানে ফসল, পশু-পাখি, মৎস্য, ফল-মূল, গাছপালা প্রভৃতি পণ্যের সমন্বিত অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়া চলে। যে প্রক্রিয়া প্রাকৃতিক ও আর্থ-সামাজিক পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রিত হয়।
উদ্দীপকে কৃষি কর্মকর্তা কিসের সাপেক্ষে আলোচিত বিষয়টি ৩ গঠিত হওয়ার কথা বললেন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি হলো- কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায় কতকগুলো শর্তসাপেক্ষে গঠিত হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. জমি বা সমবায়ের প্রদত্ত সম্পদের উপর সদস্য কৃষকদের বা সম্পদ প্রদানকারীর মালিকানা অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. সমবায় পরিচালনা ও কার্যক্রম ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিনিধি দ্বারা কমিটি গঠন করা হয়। ৩. সমবায়ের সদস্যগণ তাদের জমি, মূলধন, সম্পদ, শ্রম ইত্যাদি একত্র করে তা কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ দ্বারা পরিচালিত করে। আর লভ্যাংশ আনুপাতিক হারে প্রাপ্ত হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টির উদ্দেশ্যসমূহ বিশ্লেষণ কর

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায় স্থাপনের কতকগুলো উদ্দেশ্য রয়েছে। নিচে কৃষি সমবায়ের উদ্দেশ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সদস্য কৃষকদের খন্ড খন্ড জমিগুলো একত্রিত করে বৃহদাকার খামারে রূপান্তরিত করে যৌথভাবে যান্ত্রিক চাষাবাদ করা বা এক শ্রেণির চাষাবাদ, প্রকল্প গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা দ্বারা উৎপাদন বাড়ানো। ২. আধুনিক চাষাবাদের জন্য সদস্য কৃষকদের মাঝে বা ঐকমত্যের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে উত্তম বীজ, উন্নত জাত, সুষম সার, পরিমিত সেচ, বালাই ব্যবস্থাপনায় আইপিএম, কৃষি যন্ত্রপাতি, কৃষি ঋণ ইত্যাদি সরবরাহ করা। ৩. ভূমি ক্ষয়রোধ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি, হালের বলদ বা চাষ যন্ত্রের উন্নয়ন, গুদামজাত ও বাজার ব্যবস্থা ইত্যাদিতে সদস্য কৃষকরা যাতে সহায়তা ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায় তার ব্যবস্থা করা। ৪. কৃষি সমবায়ের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সঞ্চয়, জামানত ইত্যাদি বৃদ্ধি করে আর্থিক ভিত্তি মজবুতকরণ ও পুঁজি গঠন। ৫. সমবায়ের সদস্যদের মধ্যে যেকোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তা সমবায়ের মধ্যেই আলোচনা করে তার সমাধান বের করা। উপরোক্ত উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নেই কৃষি সমবায় কাজ করে কৃষকদের উন্নয়ন সাধনে ভূমিকা পালন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

জয়পুর গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত দ্রব্যের সঠিক বাজারমূল্য না পাওয়ার কারণে লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে। এমতাবস্থায় তারা স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলে তিনি তাদের সকলকে কৃষি সমবায় গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন প্রথমত কৃষি সমবায় কতকগুলো শর্তসাপেক্ষে গঠিত হয়। যার ফলে কৃষি সমবায়ের উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়ন করা সহজ হয়।
স্থায়িত্বের ভিত্তিতে খামার কয় শ্রেণির হয়ে থাকে?

উত্তর

স্থায়িত্বের ভিত্তিতে খামার ৩ শ্রেণির হয়ে থাকে।
খামার বলতে কী বুঝ?

উত্তর

খামার হলো কৃষক পরিবারের একটি সুসংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও ভোগের একক। এখানে ফসল, পশু-পাখি, মৎস্য, ফল-মূল, গাছপালা প্রভৃতি পণ্যের সমন্বিত অর্থনৈতিক উৎপাদন প্রক্রিয়া চলে। যে প্রক্রিয়া প্রাকৃতিক ও আর্থ-সামাজিক পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রিত হয়।
উদ্দীপকে কৃষি কর্মকর্তা কিসের সাপেক্ষে আলোচিত বিষয়টি ৩ গঠিত হওয়ার কথা বললেন- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি হলো- কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায় কতকগুলো শর্তসাপেক্ষে গঠিত হয়। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ১. জমি বা সমবায়ের প্রদত্ত সম্পদের উপর সদস্য কৃষকদের বা সম্পদ প্রদানকারীর মালিকানা অক্ষুণ্ণ থাকে। ২. সমবায় পরিচালনা ও কার্যক্রম ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিনিধি দ্বারা কমিটি গঠন করা হয়। ৩. সমবায়ের সদস্যগণ তাদের জমি, মূলধন, সম্পদ, শ্রম ইত্যাদি একত্র করে তা কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ দ্বারা পরিচালিত করে। আর লভ্যাংশ আনুপাতিক হারে প্রাপ্ত হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টির উদ্দেশ্যসমূহ বিশ্লেষণ কর

উত্তর

উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি কৃষি সমবায়। কৃষি সমবায় স্থাপনের কতকগুলো উদ্দেশ্য রয়েছে। নিচে কৃষি সমবায়ের উদ্দেশ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সদস্য কৃষকদের খন্ড খন্ড জমিগুলো একত্রিত করে বৃহদাকার খামারে রূপান্তরিত করে যৌথভাবে যান্ত্রিক চাষাবাদ করা বা এক শ্রেণির চাষাবাদ, প্রকল্প গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা দ্বারা উৎপাদন বাড়ানো। ২. আধুনিক চাষাবাদের জন্য সদস্য কৃষকদের মাঝে বা ঐকমত্যের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে উত্তম বীজ, উন্নত জাত, সুষম সার, পরিমিত সেচ, বালাই ব্যবস্থাপনায় আইপিএম, কৃষি যন্ত্রপাতি, কৃষি ঋণ ইত্যাদি সরবরাহ করা। ৩. ভূমি ক্ষয়রোধ, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি, হালের বলদ বা চাষ যন্ত্রের উন্নয়ন, গুদামজাত ও বাজার ব্যবস্থা ইত্যাদিতে সদস্য কৃষকরা যাতে সহায়তা ও উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায় তার ব্যবস্থা করা। ৪. কৃষি সমবায়ের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সঞ্চয়, জামানত ইত্যাদি বৃদ্ধি করে আর্থিক ভিত্তি মজবুতকরণ ও পুঁজি গঠন। ৫. সমবায়ের সদস্যদের মধ্যে যেকোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তা সমবায়ের মধ্যেই আলোচনা করে তার সমাধান বের করা। উপরোক্ত উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নেই কৃষি সমবায় কাজ করে কৃষকদের উন্নয়ন সাধনে ভূমিকা পালন করে থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি উজিরপুরের বর্গাচাষিদের একটি সংগঠন। তারা তিন বছর ধরে এ সমিতিটি বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালনা করছে। বর্তমানে তারা এ সমিতির মাধ্যমে বেশ কিছু সুফল পাচ্ছে।
কত সালে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়?

উত্তর

১৯৫৪ সালে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়।
কৃষকরা কেন অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়?

উত্তর

অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ হলো প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, ধনী চাষি ও গ্রাম্য ব্যবসায়ীদের নিকট হতে গৃহীত ঋণ। এ ঋণ যেকোনো সময়ে, অল্প জামানতে বা জামানত ছাড়া এবং সুদবিহীন বা সুদে পাওয়া যায়। এজন্য কৃষকরা অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়।
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক হতে দেখা যায় উজিরপুরের কৃষকরা বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। নিচে এর সম্ভাব্য উদ্দেশ্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সংঘবদ্ধ/স্বপ্রণোদিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য সমবেত হওয়া। ২. ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সমষ্টিগতভাবে চেষ্টা করা। ৩. আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা। ৪. উপার্জনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা ও উন্নয়ন বৃদ্ধি করা। ৫. মূলধনের সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করা এবং নিজেদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়ানো। ৬. নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো এবং নৈতিকতাবোধ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সাধন করা। ৭. সদস্যদের মাঝে ভালো মানের বীজ, সার, বালাইনাশক, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহারে সহায়তা দান এবং কৃষি ঋণ প্রদান করা। ৮. ভূমি উন্নয়ন, পণ্য ক্রয় করে সদস্যদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা এবং চাষ সুবিধা সৃষ্টি করা। ৯. ছোট ছোট জমিকে একত্রিত করে বড় খামারে রূপান্তরকরণের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমের ব্যাপকতা সৃষ্টি করা। ১০. মধ্যস্বত্বভোগীদের উপদ্রব রোধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং বেকারত্ব দূর করা। ১১. উৎপাদিত পণ্য ও শস্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে কতটুকু ভূমিকা রাখবে? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উজিরপুরের বর্গাচাষিরা উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি তথা কৃষি কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার জন্য যখন কিছু সংখ্যক লোক মিলে সাম্য, মৈত্রি, ঐক্য, পারস্পরিক সহানুভূতি, সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে সংঘ বা সমিতি গড়ে তোলে তখন তাকে কৃষি সমবায় বলে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বল্প জমি অধিক মানুষ অনুপাত, উচ্চহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাচীন প্রযুক্তির ব্যবহার, উপকরণের স্বল্পতা, স্বল্প উৎপাদনশীলতা, নিম্ন আয় প্রভৃতি সমস্যা প্রকটভাবে দেখা যায়। নতুন নতুন উপকরণ কিংবা প্রযুক্তি সরবরাহ কৃষকদের মাঝে নেই বললেই চলে। ফলে সামাজিকভাবে ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদের সংখ্যা বেড়ে চলছে এবং গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি ধ্বংসের মুখোমুখী হয়েছে। কৃষির অগ্রগতির অভাবে গ্রামে আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা অনেকাংশে মেরুদণ্ডহীন। যার ফলে গ্রামবাংলার মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে নিয়োজিত। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র কৃষকদের নিজেদের স্বার্থে একত্রিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। আর সাম্য, সৌহার্দ্য, ঐক্যের ভিত্তিতে একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সমবায়ের বিকল্প নেই। এজন্য কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষির মাধ্যমে সমগ্রদেশের উন্নতি সাধনে কৃষি সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কর্মকাণ্ড কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি উজিরপুরের বর্গাচাষিদের একটি সংগঠন। তারা তিন বছর ধরে এ সমিতিটি বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালনা করছে। বর্তমানে তারা এ সমিতির মাধ্যমে বেশ কিছু সুফল পাচ্ছে।
কত সালে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়?

উত্তর

১৯৫৪ সালে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়।
কৃষকরা কেন অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়?

উত্তর

অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ হলো প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, ধনী চাষি ও গ্রাম্য ব্যবসায়ীদের নিকট হতে গৃহীত ঋণ। এ ঋণ যেকোনো সময়ে, অল্প জামানতে বা জামানত ছাড়া এবং সুদবিহীন বা সুদে পাওয়া যায়। এজন্য কৃষকরা অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়।
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক হতে দেখা যায় উজিরপুরের কৃষকরা বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। নিচে এর সম্ভাব্য উদ্দেশ্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সংঘবদ্ধ/স্বপ্রণোদিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য সমবেত হওয়া। ২. ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সমষ্টিগতভাবে চেষ্টা করা। ৩. আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা। ৪. উপার্জনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা ও উন্নয়ন বৃদ্ধি করা। ৫. মূলধনের সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করা এবং নিজেদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়ানো। ৬. নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো এবং নৈতিকতাবোধ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সাধন করা। ৭. সদস্যদের মাঝে ভালো মানের বীজ, সার, বালাইনাশক, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহারে সহায়তা দান এবং কৃষি ঋণ প্রদান করা। ৮. ভূমি উন্নয়ন, পণ্য ক্রয় করে সদস্যদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা এবং চাষ সুবিধা সৃষ্টি করা। ৯. ছোট ছোট জমিকে একত্রিত করে বড় খামারে রূপান্তরকরণের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমের ব্যাপকতা সৃষ্টি করা। ১০. মধ্যস্বত্বভোগীদের উপদ্রব রোধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং বেকারত্ব দূর করা। ১১. উৎপাদিত পণ্য ও শস্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে কতটুকু ভূমিকা রাখবে? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উজিরপুরের বর্গাচাষিরা উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি তথা কৃষি কর্মকাণ্ড সুষ্ঠুরূপে পরিচালনার জন্য যখন কিছু সংখ্যক লোক মিলে সাম্য, মৈত্রি, ঐক্য, পারস্পরিক সহানুভূতি, সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে সংঘ বা সমিতি গড়ে তোলে তখন তাকে কৃষি সমবায় বলে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বল্প জমি অধিক মানুষ অনুপাত, উচ্চহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাচীন প্রযুক্তির ব্যবহার, উপকরণের স্বল্পতা, স্বল্প উৎপাদনশীলতা, নিম্ন আয় প্রভৃতি সমস্যা প্রকটভাবে দেখা যায়। নতুন নতুন উপকরণ কিংবা প্রযুক্তি সরবরাহ কৃষকদের মাঝে নেই বললেই চলে। ফলে সামাজিকভাবে ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদের সংখ্যা বেড়ে চলছে এবং গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি ধ্বংসের মুখোমুখী হয়েছে। কৃষির অগ্রগতির অভাবে গ্রামে আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা অনেকাংশে মেরুদণ্ডহীন। যার ফলে গ্রামবাংলার মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে নিয়োজিত। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র কৃষকদের নিজেদের স্বার্থে একত্রিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। আর সাম্য, সৌহার্দ্য, ঐক্যের ভিত্তিতে একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সমবায়ের বিকল্প নেই। এজন্য কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষির মাধ্যমে সমগ্রদেশের উন্নতি সাধনে কৃষি সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কর্মকাণ্ড কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি উজিরপুরের বর্গাচাষিদের একটি সংগঠন। তারা তিন বছর ধরে এ সমিতিটি বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালনা করছে। বর্তমানে তারা এ সমিতির মাধ্যমে বেশ কিছু সুফল পাচ্ছে।
কত সালে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়?

উত্তর

১৯৫৪ সালে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়।
কৃষকরা কেন অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়?

উত্তর

অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ হলো প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, ধনী চাষি ও গ্রাম্য ব্যবসায়ীদের নিকট হতে গৃহীত ঋণ। এ ঋণ যেকোনো সময়ে, অল্প জামানতে বা জামানত ছাড়া এবং সুদবিহীন বা সুদে পাওয়া যায়। এজন্য কৃষকরা অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক হতে দেখা যায় উজিরপুরের কৃষকরা বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। নিচে এর সম্ভাব্য উদ্দেশ্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সংঘবস্থ/স্বপ্রণোদিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য সমবেত হওয়া। ২. ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সমষ্টিগতভাবে চেষ্টা করা। ৩. আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা। ৪. উপার্জনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা ও উন্নয়ন বৃদ্ধি করা। ৫. মূলধনের সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করা এবং নিজেদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়ানো। ৬. নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো এবং নৈতিকতাবোধ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সাধন করা। ৭. সদস্যদের মাঝে ভালো মানের বীজ, সার, বালাইনাশক, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহারে সহায়তা দান এবং কৃষি ঋণ প্রদান করা। ৮. ভূমি উন্নয়ন, পণ্য ক্রয় করে সদস্যদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা এবং চাষ সুবিধা সৃষ্টি করা। ৯. ছোট ছোট জমিকে একত্রিত করে বড় খামারে রূপান্তরকরণের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমের ব্যাপকতা সৃষ্টি করা। ১০. মধ্যস্বত্বভোগীদের উপদ্রব রোধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং বেকারত্ব দূর করা। ১১. উৎপাদিত পণ্য ও শস্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে কতটুকু ভূমিকা রাখবে? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উজিরপুরের বর্গাচাষিরা উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি তথা কৃষি কর্মকান্ড সুষ্ঠুরূপে। পরিচালনার জন্য যখন কিছু সংখ্যক লোক মিলে সাম্য, মৈত্রি, ঐক্য, পারস্পরিক সহানুভূতি, সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে সংঘ বা সমিতি গড়ে তোলে তখন তাকে কৃষি সমবায় বলে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বল্প জমি অধিক মানুষ অনুপাত, উচ্চহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাচীন প্রযুক্তির ব্যবহার, উপকরণের স্বল্পতা, স্বল্প উৎপাদনশীলতা, নিম্ন আয় প্রভৃতি সমস্যা প্রকটভাবে দেখা যায়। নতুন নতুন উপকরণ কিংবা প্রযুক্তি সরবরাহ কৃষকদের মাঝে নেই বললেই চলে। ফলে সামাজিকভাবে ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদের সংখ্যা বেড়ে চলছে এবং গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি ধ্বংসের মুখোমুখী হয়েছে। কৃষির অগ্রগতির অভাবে গ্রামে আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা অনেকাংশে মেরুদন্ডহীন। যার ফলে গ্রামবাংলার মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে নিয়োজিত। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র কৃষকদের নিজেদের স্বার্থে একত্রিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। আর সাম্য, সৌহার্দ্য, ঐক্যের ভিত্তিতে একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সমবায়ের বিকল্প নেই। এজন্য কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষির মাধ্যমে সমগ্রদেশের উন্নতি সাধনে কৃষি সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি উজিরপুরের বর্গাচাষিদের একটি সংগঠন। তারা তিন বছর ধরে এ সমিতিটি বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালনা করছে। বর্তমানে তারা এ সমিতির মাধ্যমে বেশ কিছু সুফল পাচ্ছে।
কত সালে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়?

উত্তর

১৯৫৪ সালে বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে কৃষি সমবায় চালু হয়।
কৃষকরা কেন অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়?

উত্তর

অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ হলো প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন, ধনী চাষি ও গ্রাম্য ব্যবসায়ীদের নিকট হতে গৃহীত ঋণ। এ ঋণ যেকোনো সময়ে, অল্প জামানতে বা জামানত ছাড়া এবং সুদবিহীন বা সুদে পাওয়া যায়। এজন্য কৃষকরা অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণ নেয়
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপক হতে দেখা যায় উজিরপুরের কৃষকরা বিশেষ কিছু উদ্দেশ্য নিয়ে উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। নিচে এর সম্ভাব্য উদ্দেশ্যসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো- ১. সংঘবস্থ/স্বপ্রণোদিত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য সমবেত হওয়া। ২. ভাগ্যোন্নয়নের জন্য সমষ্টিগতভাবে চেষ্টা করা। ৩. আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করা। ৪. উপার্জনশীল বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা ও উন্নয়ন বৃদ্ধি করা। ৫. মূলধনের সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করা এবং নিজেদের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়ানো। ৬. নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো এবং নৈতিকতাবোধ বৃদ্ধি করা। পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সাধন করা। ৭. সদস্যদের মাঝে ভালো মানের বীজ, সার, বালাইনাশক, সেচ ও কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয় ও ব্যবহারে সহায়তা দান এবং কৃষি ঋণ প্রদান করা। ৮. ভূমি উন্নয়ন, পণ্য ক্রয় করে সদস্যদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা এবং চাষ সুবিধা সৃষ্টি করা। ৯. ছোট ছোট জমিকে একত্রিত করে বড় খামারে রূপান্তরকরণের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রমের ব্যাপকতা সৃষ্টি করা। ১০. মধ্যস্বত্বভোগীদের উপদ্রব রোধ করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং বেকারত্ব দূর করা। ১১. উৎপাদিত পণ্য ও শস্যের ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে কতটুকু ভূমিকা রাখবে? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

উজিরপুরের বর্গাচাষিরা উজিরপুর কৃষি সমবায় সমিতি পরিচালনা করছে। কৃষিতে উৎপাদন বৃদ্ধি তথা কৃষি কর্মকান্ড সুষ্ঠুরূপে। পরিচালনার জন্য যখন কিছু সংখ্যক লোক মিলে সাম্য, মৈত্রি, ঐক্য, পারস্পরিক সহানুভূতি, সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বাধীনভাবে সংঘ বা সমিতি গড়ে তোলে তখন তাকে কৃষি সমবায় বলে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বল্প জমি অধিক মানুষ অনুপাত, উচ্চহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাচীন প্রযুক্তির ব্যবহার, উপকরণের স্বল্পতা, স্বল্প উৎপাদনশীলতা, নিম্ন আয় প্রভৃতি সমস্যা প্রকটভাবে দেখা যায়। নতুন নতুন উপকরণ কিংবা প্রযুক্তি সরবরাহ কৃষকদের মাঝে নেই বললেই চলে। ফলে সামাজিকভাবে ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদের সংখ্যা বেড়ে চলছে এবং গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতি ধ্বংসের মুখোমুখী হয়েছে। কৃষির অগ্রগতির অভাবে গ্রামে আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা অনেকাংশে মেরুদন্ডহীন। যার ফলে গ্রামবাংলার মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা ও বিপর্যয় রোধে নিয়োজিত। ফলে গ্রামীণ দরিদ্র কৃষকদের নিজেদের স্বার্থে একত্রিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। আর সাম্য, সৌহার্দ্য, ঐক্যের ভিত্তিতে একসাথে কাজ করার ক্ষেত্রে সমবায়ের বিকল্প নেই। এজন্য কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষির মাধ্যমে সমগ্রদেশের উন্নতি সাধনে কৃষি সমবায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, উদ্দীপকের কর্মকান্ড কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো