বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকদের কৃষিঋণ সরবরাহ করার জন্য যে সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক উৎস রয়েছে সেগুলো হলো বাংলাদেশ ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ, গ্রামীণ ব্যাংক, সরকার, বিভিন্ন এনজিওসমূহ এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বি. আর.ডি. বি)।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থা ও সুদের হার এবং নীতিমালা নির্ধারণের মাধ্যমে ঋণ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অন্যান্য ব্যাংক ও ঋণ প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ঋণ প্রদান করে। অন্যদিকে কৃষি ব্যাংক, গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ সরাসরি কৃষকদের স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ঋণ দিয়ে থাকে। বিভিন্ন এনজিও যেমন ব্র্যাক, পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএমএফ), শক্তি ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র স্বল্পমেয়াদি ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে কৃষকদের সহায়তা করে। এদের মধ্যে শক্তি ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র কৃষিজীবী মহিলাদের ঋণ সহায়তা দেয়। সমবায় ব্যাংক কৃষকদের এককভাবে কোনো ঋণ প্রদান করে না বরং কৃষকদের দ্বারা সংগঠিত সমবায় সমিতিকে ঋণ প্রদান করে। কিন্তু বিআরডিবি কৃষকদের সরাসরি ঋণ প্রদান করে। পাশাপাশি কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং উন্নয়নে তাদেরকে সমবায় সমিতির দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও ব্যবস্থা করে।
উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, কৃষি খঋণের প্রাতিষ্ঠানিক উৎসসমূহ কৃষকদের শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কৃষকদের ঋণদানের পাশাপাশি তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।