উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটির নাম কী? উক্ত ফসলটির উৎপাদন ও বণ্টন আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটি হলো গম। নিম্নে বিশ্বব্যাপী গমের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যাখ্যা করা হলো- চীন : পৃথিবীর শীর্ষ গম উৎপাদনকারী দেশ চীন। উত্তর চীনের সমভূমি, ইয়াংসা ও হোয়াংহো নদী অববাহিকা অঞ্চল, সিচুয়ান প্রদেশ প্রভৃতি স্থানে গম উৎপাদন হয়ে তাকে। FAO Stat, ২০২১ অনুসারে এদেশে বার্ষিক ১৩৩৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়েছিল। ভারত: বিশ্বের অন্যতম গম উৎপাদনকারী অঞ্চল হচ্ছে ভারত। দেশটি গম উৎপাদনে ২য় স্থানের অধিকারী। ভারতের উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে ভালো গম উৎপাদিত হয়। ভারত বার্ষিক ১০৩৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন করে থাকে। রাশিয়া: রাশিয়া গম উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে। রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলে বসন্তকালীন গম উৎপাদিত হয়। রাশিয়া বার্ষিক ৭৪৫ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্র গম উৎপাদনে ৪র্থ স্থানে রয়েছে। দেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে গম উৎপাদন বেশি হয়। যুক্তরাষ্ট্র বার্ষিক ৫২৩ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন করে থাকে। ফ্রান্স: ফ্রান্স ৫ম স্থানে রয়েছে। দেশটির অধিকাংশ গমই পশ্চিমাঞ্চলে ও পার্সিয়ান অববাহিকায় উৎপাদিত হয়। এদেশে বার্ষিক ৪০৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়ে থাকে। কানাডা: গম উৎপাদনে কানাডা বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে। কানাডার প্রেইরী, আলবার্টা, ম্যানিটোবা অঞ্চলে গম উৎপাদিত হয়। দেশের বার্ষিক ৩২৩ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়ে থাকে। জার্মানি: গম উৎপাদনে জার্মানি সপ্তম অবস্থানে রয়েছে। এ দেশে ২৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়ে থাকে। পাকিস্তান: পাকিস্তান গম উৎপাদনে ৮ম স্থানে রয়েছে। এ অঞ্চলে প্রায় ২৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়। অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়া গম উৎপাদনে নবম অবস্থানে রয়েছে। এ অঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের তীরে ২৫ মিলিয়ন মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়। সুতরাং বলা যায় যে, গম উৎপাদন ও বণ্টনে উল্লিখিত দেশসমূহের গুরুত্ব অপরিসীম।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটির নাম কী? উক্ত ফসলটির উৎপাদন ও বণ্টন আলোচনা কর।
উদ্দীপক
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উৎস: United States Department of Agriculture-2017
সুতরাং দেখা যাচ্ছে যে, গম সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমদানি-রপ্তানি কার্য সম্পাদন করে। এতে বিশাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সৃষ্টি হয় এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিরাট পরিবর্তন হয়। ফলশ্রুতিতে বিশ্বের দেশসমূহের মধ্যে সম্পদের সুষম বণ্টন প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।

