উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিক্ষেত্রের উৎপাদন বর্ণনা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিক্ষেত্র হলো বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বা স্বাদু পানির মৎস্য চাষ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরস্থ নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবা, হ্রদ ইত্যাদি স্বাদু পানিতে যে মৎস্যের চাষ করা হয় একে অভ্যন্তরীণ মৎস্য চাষ বলে। বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। অসংখ্য খাল-বিল, নদী-নালা, হাওড়- বাওড়, উন্মুক্ত জলাশয় এবং প্লাবন ভূমি এদেশকে মৎস্যচাষ ও আহরণের পাদভূমিতে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ দুই ধরনের উৎস থেকে মৎস্য আহরিত হয়। যথা— মুক্ত জলাশয় এবং বদ্ধ জলাশয় বা চাষকৃত। এই দুই উৎস থেকে ২০২০-২১ সালে মোট ৩৯.৬. মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে মুক্ত জলাশয় থেকে ১৩.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন এবং বদ্ধ জলাশয় থেকে ২৬.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশে চাষ উপযোগী প্রায় ২০ লক্ষ পুকুর ও দিঘী রয়েছে, যার আয়তন প্রায় ২.৭২ লক্ষ হেক্টর। পুকুরে বর্তমানে হেক্টর প্রতি গড় উৎপাদন ২.৫ মেট্রিক টন। তাছাড়া দেশে চাষযোগ্য পোল্ডার, বিল, ধানী জমি, উপকূলীয় ঘের এবং মিঠা পানির বদ্ধ জলাভূমির পরিমাণ ২৪.৫১ হেক্টর। এসব জলাভূমিতে বর্তমানে হেক্টর প্রতি উৎপাদন ৫.৫ মেট্রিক টন। নদ-নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাওড়, মোহনা অঞ্চল, কাপ্তাই হ্রদ ও প্লাবন ভূমি মিলে দেশে প্রায় ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর মুক্ত জলাশয় রয়েছে । যেখানে থেকে বাৎসরিক প্রায় ৭.১৬ লাখ মেট্রিক টন মৎস্য উৎপাদন হয়। এদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জলাভূমিতে চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনা সম্প্রসারিত হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলের চিংড়ি চাষভূক্ত জমির পরিমাণ প্রায় ১.৪১ লাখ হেক্টর। এসব জলাভূমিতে হেক্টর প্রতি চিংড়ি উৎপাদনের বর্তমান গড় হার ৩০০ থেকে ৪০০ কেজি।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃষিক্ষেত্রের উৎপাদন বর্ণনা করো।
উদ্দীপক
ঢাকা সিটি কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


