মানচিত্রে 'খ' চিহ্নিত হলো বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের 'আখ' কে বোঝানো হয়েছে। উক্ত কৃষিপণ্যটির অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ামকসমূহ ব্যাখ্যা করা হলো:
আখ চাষের জন্য মূলধন প্রয়োজন। আখ তৈরির জন্য জমি ক্রয়, চারা রোপণ, গাছের যত্ন নেওয়া, সার ও কীটনাশক ক্রয় করার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। উক্ত অঞ্চলের কিছু কৃষকেরা আখ উৎপাদন করে থাকেন।..
আখ চাষের আবাদ, তত্ত্বাবধান, গাছের কলম কাটা, পাতা ছেঁটে দেওয়া ইত্যাদির জন্য প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। উক্ত অঞ্চলে শ্রমিক পাওয়া যায় বলে আখ চাষ করা সহজ হয়েছে। বাজারব্যবস্থা যেকোনো ফসল উৎপাদনের সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। আখ চাষের চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। চিনির দেশীয় চাহিদা মেটানোর জন্য চিনি শিল্পগুলোতে প্রচুর আখ প্রয়োজন। এতে দেশের আখ চাষের জন্য সুলভ পরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় চিনি শিল্পেরর কাঁচামাল হিসেবে আখ ব্যবহার করা হয়। এগুলো শিল্পগুলোতে পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছাতে হয়।
সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নিয়ামকসমূহ সুবিধা থাকায় উত্তরাঞ্চলে আখ চাষ করা হয়।