উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তার করে- ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: মানচিত্রের 'ক' অঞ্চলটি হলো দক্ষিণ এশিয়া। অঞ্চলটি কৃষি উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চল হতে এগিয়ে রয়েছে। যেকোনো অঞ্চলে কৃষির ফলনের জন্য অনুকূল ভৌগোলিক নিয়ামক একান্ত আবশ্যক। দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক নিয়ামকগুলো যেমন- ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মৃত্তিকা, নদনদী প্রভৃতি অধিক ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক (মূলধন, শ্রমিক, বাজার) ও সাংস্কৃতিক (জনসংখ্যা, প্রযুক্তি, সরকারি নীতি) নিয়ামকও এ অঞ্চলের কৃষির উৎপাদনে প্রভাব বিস্তার করে। নিচে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজে ভৌগোলিক নিয়ামকগুলো বর্ণনা করা হলো- ১. সমতল ভূমিতে যত নিবিড় কৃষিকাজ করা যায়, পাহাড়ি অঞ্চলে তা যায় না। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশই সমুদ্র তীরবর্তী সমভূমি অঞ্চলে অবস্থিত। এই অঞ্চলের কৃষির উপর ভূপ্রকৃতির ভূমিকা তাই অনেক বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার পাহাড়ি ঢালু জমিতে চা, কফি, রাবার প্রভৃতি এবং সমতল ভূমিতে ধান, পাট, সরিষা, ভূট্টা প্রভৃতি ভাল উৎপাদিত হয়। ২. দক্ষিণ এশিয়ার কৃষিকাজ জলবায়ুর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। ধান ও গম উৎপাদনের জন্য যথাক্রমে ১৬-২৭ এবং ১০-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন। ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে ধান চাষ ভাল হয়। এ অঞ্চলে ক্রান্তীয় মৌসুমি এবং নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ধান ও গম ভাল জন্মে। যেমন- থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ। ৩. দক্ষিণ এশিয়ার উর্বর পলি দোআঁশ মৃত্তিকায় ধান, পাট, ভূট্টা প্রভৃতি কৃষি ফসল ভাল জন্মে। ৪. নদ-নদী পানির অন্যতম প্রধান উৎস। তাছাড়া পলি সঞ্চয়ের কারণে নদ-নদীর উভয় তীর কৃষি চাষের জন্য উযোগী। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নদী অববাহিকা অঞ্চলে অধিক কৃষিকাজ হয়ে থাকে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 4 : কৃষি CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 4 : কৃষি · সৃজনশীল
উদ্দীপকে 'ক' অঞ্চলে কৃষির ভৌগোলিক কোন নিয়ামকসমূহ বেশী প্রভাব বিস্তা…
উদ্দীপক

Dinajpur · 2017
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
রপ্তানিকারক দেশসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ইউক্রেন প্রধান গম রপ্তানিকারক দেশ। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যথাক্রমে ১৪.৫ ও ১৬.২ শতাংশ রপ্তানি করে থাকে।
আমদানিকারক দেশসমূহ : গম আমদানিকারক দেশগুলো অনিয়মিতভাবে বা অনির্ধারিতভাবে আমদানি করে থাকে। যেমন- ভারত, পাকিস্তান, কিউবা প্রভৃতি দেশে গম আমদানির পরিমাণ বাড়ছে। আবার আলজেরিয়া, চীনে কমছে। ২০১৫ সালে প্রধান গম আমদানিকারক দেশের মধ্যে রয়েছে ইতালি, মিশর, ব্রাজিল, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, আলজেরিয়া, স্পেন প্রভৃতি দেশ।
গমের বিশ্ব বাণিজ্যে আরেকটি দিক হলো সাধারণত উন্নত দেশগুলো গম রপ্তানি করে। অন্যদিকে, উন্নয়নশীল দেশগুলো তা আমদানি করে।

