উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার বক্তব্যের মিল রয়েছে।
যা কিছু নিজের তাই সত্য, তাই সুন্দর। অন্যের অনেক কিছু ভালো হতে পারে, তাতে লাভ কী, তা তো অন্যের। অন্যের জিনিস অপেক্ষা নিজের জিনিস কম মূল্যের হলেও তা মূল্যবান, কারণ তা নিজের একান্ত আপনার।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে পরধর্ম যত ভালোই হোক না কেন, নিজের ধর্ম গুণহীন হলেও তার থেকে ভালো। নিজের ধর্মকেই শ্রেষ্ঠ মনে করা উচিত। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায়ও একই বক্তব্যের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। বিভীষণ স্বদেশ ও স্বজাতি ছেড়ে রামের দলে যোগ দেয়। লক্ষ্মণকে পথ দেখিয়ে যজ্ঞাগারে নিয়ে আসে। তখন মেঘনাদ তার চাচা বিভীষণকে বলে, ভ্রাতৃত্ব, জ্ঞাতিত্ব, জাতি সব বিসর্জন দিয়েছ, তুমি কি জানো না শাস্ত্র বলে, গুণহীন স্বজন গুণবান পরজন অপেক্ষা ভালো। আপনজন যদি নির্গুণও হয় তবুও আপনজন। পরজন যতই গুণবান হোক সে পর। তাই বলা যায় যে, যা কিছু নিজের তার ওপরেই গুরুত্ব দিতে বলার দিক থেকে উদ্দীপকের বক্তব্যের সঙ্গে কবিতার বক্তব্যের সাদৃশ্য রয়েছে।