"উদ্দীপকের মূলভাব ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।" উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন কর।
উত্তর: "উদ্দীপকের মূলভাব ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাব একসূত্রে গাঁথা।”- উক্তিটি যথার্থ। যার সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক সেই আত্মীয়। আত্মার সম্পর্ক কখনো ছিন্ন হয় না। আত্মীয় যতই হীন বা নীচ হোক তাকে ছেড়ে যাওয়া উচিত নয়। শাস্ত্রেও তার অনুমতি নেই। 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় দেখা যায় রামচন্দ্র কর্তৃক দ্বীপরাজ্য স্বর্ণলঙ্কা আক্রান্ত হলে বিভীষণ তার ভাই ও স্বদেশ-স্বজাতি ছেড়ে রামচন্দ্রের পক্ষ অবলম্বন করে। রাবণ অন্যায় করেছেন এ কথা সত্য, তবে বিভীষণ স্বজাতি ত্যাগ করে স্বদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিভীষণ শত শত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে লক্ষ্মণকে নিয়ে মেঘনাদকে হত্যা করতে যজ্ঞাগারে উপস্থিত হয়েছে। এমনকি মেঘনাদ যেন অস্ত্রাগারে যেতে না পারে তার জন্য বিভীষণ অস্ত্রাগারের দরজা রোধ করে রাখে। তখন মেঘনাদ বিভীষণকে শাস্ত্রের কথা বলে, বিভিন্ন কথা বলে দেশপ্রেম জাগানোর চেষ্টা করে। বিভীষণ তখন সত্য ধর্মের দোহাই দেয়। তখন মেঘনাদ তাকে শাস্ত্রের কথা বলে যে, গুণবান যদি পরজন হয় তাহলেও তাকে বর্জন করা উচিত আর স্বজন গুণহীন হলেও সে স্বজন। উদ্দীপকের বক্তব্যেও একই ভাবের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে স্বধর্ম যদি গুণহীনও হয় তবুও তা উত্তমরূপে অনুষ্ঠিত করতে হবে। পরধর্ম কখনই স্বধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে পারে না। উদ্দীপক ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতা উভয় জায়গায় নিজ ধর্ম ও নিজের আত্মীয়কে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। অন্য ধর্ম ও অনাত্মীয় যতই সুন্দর ও গুণবান হোক, তা বর্জন করতে বলা হয়েছে। তাই বলা যায় যে- প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
HSC Bangla 1st Paper কবিতা : বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Bangla 1st Paper · কবিতা : বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ · সৃজনশীল
"উদ্দীপকের মূলভাব ও 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মূলভাব একসূত্রে …
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর