উদ্দীপকের মুক্তিযোদ্ধাদের সব বৈশিষ্ট্য 'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতার মেঘনাদের চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়।
দেশপ্রেম মানবমনের এক সুগভীর আবেগ, যে আবেগের কারণে মানুষ আপন প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দেয়। প্রকৃত দেশপ্রেমিক কখনো শত্রুর ভয়ে পিছপা হয় না, বরং বীরত্বের সঙ্গে শত্রুর মোকাবিলা করে।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় শৌর্যে-বীর্যে মেঘনাদ অদ্বিতীয়। তাই মৃত্যুর সম্মুখে দাঁড়িয়েও ভীত হয়নি, লক্ষ্মণের কাছে যুদ্ধসাজ গ্রহণের অনুমতি চেয়েছে। দেশের জন্য যুদ্ধ করা তার কর্তব্য এ বোধ থেকেই সে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণের পূর্বে ইষ্টদেবতা অগ্নিদেবের আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু কাপুরুষ লক্ষ্মণের হাতে তাকে নিরস্ত্র অবস্থায় প্রাণ দিতে হয়। উদ্দীপকের মুক্তিযোদ্ধাদের শৌর্য, বীর্য, সাহসিকতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম ও ত্যাগ এসব বৈশিষ্ট্যই মেঘনাদ চরিত্রে প্রতিফলিত হয়েছে।