উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে রচনার সরলতা ও পাঠকের বোধগম্যতার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সরলতা রচনার বড় গুণ। যিনি সহজে ও সরল ভাষায় রচনার বিষয়টি পাঠককে বোঝাতে পারেন, তিনি শ্রেষ্ঠ লেখক। রচনায় জটিল বাক্য ব্যবহার না করে সরল বাক্য ব্যবহার করলে পাঠকের বুঝতে সহজ হয়।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে প্রাঞ্জলতা রচনার বড় গুণ এবং লেখক যা লিখবেন তা পড়ামাত্র যেন পাঠক বুঝতে পারেন। যদি রচনার উদ্দেশ্য বা অর্থ পাঠক বুঝতে না পারেন তাহলে রচনার মূল্য থাকে না। জটিল বাক্য ও জটিল শব্দ পরিহার করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সাহিত্যের উদ্দেশ্য পাঠককে আনন্দ প্রদান করা, লেখকের স্বার্থ হাসিল করা নয়। অন্যদিকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে লেখক অপ্রয়োজনে বাক্যে দুর্বোধ্য শব্দ ও অলংকার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। যিনি সহজ ভাষায় নিজের মনের ভাব পাঠককে বোঝাতে পারেন, তিনিই শ্রেষ্ঠ লেখক। লেখকের মতে, সকল অলংকারের শ্রেষ্ঠ অলংকার সরলতা। পরিশেষে বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচ্য প্রবন্ধের সাহিত্যের ভাষা হবে সহজ, বোধগম্য ও সরল এই দিকটি পরিলক্ষিত হয়েছে।
সারকথা: সাহিত্য রচনার ভাষ্য হওয়া উচিত প্রাঞ্জল এবং বাক্য হওয়া উচিত সহজ-সরল। উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে এই বিষয়ে সুদৃষ্টি বা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।