"উদ্দীপকের কবিতাংশের ভাব আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে"- উক্তিটি যথার্থ।
মাতৃভাষার মাধ্যমে মানুষ যথাযথ ও সুন্দরভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে। কারণ মাতৃভাষা সর্বসাধারণের বোধগম্য। তাই সবার উচিত মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করা।
উদ্দীপক ও আলোচ্য প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জোর করে বিদ্যা প্রকাশের চেষ্টা করা উচিত নয়। মাতৃভাষা ছাড়া অন্যান্য ভাষা সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য হয় না। তাই একজন সাহিত্যিক তখনই সাফল্য লাভ করেন যখন তিনি মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করেন। এই বিষয়টি ছাড়াও আলোচ্য প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক নতুন লেখকদের কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিতে বলেছেন। যেমন- যশ বা খ্যাতির জন্য না লেখা, অর্থের জন্য না লেখা, মানুষের মঙ্গল হয় এমন সাহিত্য রচনা করা, সাহিত্যে কোনো কিছু জোর করে আরোপ না করা, সহজ-সরল সুন্দর ভাষায় সাহিত্য রচনা করা ইত্যাদি। কিন্তু এই বিষয়গুলো উদ্দীপকে প্রকাশ পায়নি।
উদ্দীপকের কবি পরধন লোভে মত্ত হয়ে অর্থাৎ অন্য ভাষায় সাহিত্য রচনা করে খ্যাতি লাভ করতে পারেননি। কিন্তু মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনা করে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর মাতৃভাষা বাংলার ভান্ডার বিবিধ রত্নে পরিপূর্ণ। এই বিষয়টি আলোচ্য প্রবন্ধের আংশিক ভাব নির্দেশ করে। উদ্দীপকে প্রবন্ধের অন্যান্য বিষয় অনুপস্থিত থাকায় বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
সারকথা: উদ্দীপকে মাতৃভাষায় সাহিত্য রচনার। । গুরুত্ব প্রকাশ পেয়েছে, যা এই প্রবন্ধের আংশিক ভাব ধারণ করে।