উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধে সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
সাহিত্য রচিত হয় মানুষের জন্য। মানুষ ছাড়া সাহিত্য এক প্রকার অসম্ভব। তাই মানুষের কল্যাণে সত্য ও ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কাজ। সত্য ও ধর্ম থেকে বিচ্যুত হলে সাহিত্য মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।
উদ্দীপকের লেখক বলেন, সাহিত্যের উদ্দেশ্য সবাইকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়। এই দুইয়ের মাঝে আকাশ- পাতাল প্রভেদ রয়েছে। এ প্রভেদটি ভুলে গেলেই লেখক নিজে খেলা না করে পরের জন্য খেলনা তৈরি করতে বসেন। সমাজের মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য নিজের ধর্ম থেকে সরে যায়। 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধেও তেমন বলা হয়েছে। প্রাবন্ধিক বলেন- যা অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ, পরনিন্দা, পরপীড়ন কিংবা স্বার্থসাধন যার উদ্দেশ্য সেসব প্রবন্ধ কখনো হিতকর বা কল্যাণকর হতে পারে না। অসত্য, ধর্মবিরুদ্ধ বক্তব্য, পরনিন্দা, পরপীড়ন এবং স্বার্থসাধনের ঊর্ধ্বে গিয়ে সত্য ও ধর্মের কথা সাহিত্যে তুলে আনতে হবে। কারণ সত্য ও ধর্মই হলো সাহিত্যের উদ্দেশ্য। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন' প্রবন্ধের সাহিত্যের উদ্দেশ্যর দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।
সারকথা: সত্য ও ধর্ম একটির সঙ্গে অন্যটি জড়িত। সত্য ও ধর্ষকে প্রবণ্যে এমন কথাই বলা হয়েছে। বাদ দিয়ে মহৎ সাহিত্য রচিত হতে পারে না। উদ্দীপক ও আলোচা