রোকনের বন্ধুর পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে- এর সপক্ষে তোমার মতামত দাও।
উত্তর: জনাব রোকনের বন্ধুর পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানিতে ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে- উক্তিটি যথার্থ বলে আমি মনে করি। বাণিজ্য ঘাটতি বলতে রপ্তানির আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হওয়াকে বোঝায়। আন্তর্জাতিক অর্থায়নে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দেয়। রপ্তানি থেকে আমদানি বেশি হলে তাকে বাণিজ্য ঘাটতি বলে। এ ঘাটতি পূরণে বিভিন্ন খাত যেমন- রেমিটেন্স বিশেষ ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক অর্থায়নে আমদানি-রপ্তানি খাতসমূহ এবং এ সংক্রান্ত ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা যায় তা ব্যবস্থাপনা করা হয়। বাংলাদেশ প্রধানত আমদানি নির্ভর দেশ। রপ্তানি হতে আমদানি বেশি করতে হয় বলে প্রতি বছর বিরাট অংকের বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দেয়। এ ঘাটতি পূরণে রেমিটেন্স (প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ) বিশেষ ভূমিকা রাখে।উদ্দীপকে লোকমান সাহেব একজন প্রবাসী। তিনি জাপানে থাকেন। সেখানে একটি কোম্পানিতে তিনি চাকরি করেন। তিনি নিয়মিত দেশে প্রচুর অর্থ পাঠিয়ে থাকেন।লোকমান সাহেব একজন প্রবাসী বাংলাদেশি। সাধারণত লোকমান সাহেবের মতো প্রবাসীরা তাদের অর্জিত অর্থ দেশে পরিবারের কাছে পাঠায়। এই টাকা দেশের জন্য রেমিটেন্স হিসেবে বিবেচতি হয়। প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিটেন্স দেশের বাণিজ্যের উদ্বৃত্তকে (ব্যয় থেকে আয় বেশি হওয়া) বাড়িয়ে দেয়। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমে। এছাড়া লোকমান সাহেবের প্রেরিত রেমিটেন্স বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ায়। তাই বলা যায়, জনাব রোকনের বন্ধু লোকমান সাহেবের পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে।
SSC ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং · সৃজনশীল
রোকনের বন্ধুর পাঠানো অর্থ বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানি ঘাটতি পূরণে স…
উদ্দীপক
Chittagong · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর