উদ্দীপকে 'ঝিনুক ব্যাংক' ব্যাংকিং ব্যবসায়ের তারল্য নীতি লঙ্ঘন করেছে।
গ্রাহকদের অর্থ চাহিবামাত্র পরিশোধের সামর্থ্য ধরে রাখার জন্য কাম্য পরিমাণ তরল সম্পদ সংরক্ষণের কৌশলই হলো বাণিজ্যিক ব্যাংকের তারল্য নীতি। প্রয়োজনের তুলনায় কম অর্থ সংরক্ষণ করলে আমানতকারীর অর্থ চাহিবামাত্র পরিশোধ করা যায় না। আবার, অতিরিক্ত অর্থ সংরক্ষণ করলে বিনিয়োগ থেকে মুনাফার পরিমাণ হ্রাস পায়।
উদ্দীপকের 'ঝিনুক ব্যাংক' জনগণের আমানতের একটি বড় অংশ অন্যত্র বিনিয়োগ করে। ফলে ব্যাংকের আয় বৃদ্ধি পেলেও আমানতকারীর জমাকৃত অর্থ চাহিবামাত্র ফেরত দিতে পারছে না। কারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ মূলত আমানতকারীদের অর্থই পরবর্তীতে ঋণদান করে। এক্ষেত্রে আমানতকারীদের সব অর্থ যদি ব্যাংকসমূহ ঋণ হিসেবে দিয়ে দেয় তবে আমানতকারীরা যখন তা উত্তোলন করতে চাইবে তখন ব্যাংক তা প্রদান করতে পারবে না। উদ্দীপকে 'ঝিনুক ব্যাংক' তারল্য নীতি অনুযায়ী যথাযথ তারল্য সংরক্ষণ না করায় একই সমস্যায় পড়েছে। তাই বলা যায়, তারল্য নীতি ভঙ্গ করার কারণেই 'ঝিনুক ব্যাংক' গ্রাহকদের জমাকৃত অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না।