উদ্দীপকে চিত্র: Y হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টেরঅনুপস্থিতিতে জীবকূলের জীবনধারণ অসম্ভব হয়ে পড়বে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-সবুজ উদ্ভিদে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকায় এরা নিজেই নিজের খাদ্য সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত করে থাকে। উদ্ভিদের প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি উৎসেচক, CO₂ এবং কোষের ভিতরকার পানি ব্যবহার করে উদ্ভিদ সরল শর্করা তৈরি করে। এই প্রস্তুতকৃত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবনিক কাজে শক্তি জোগায়। ফলে উদ্ভিদ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় এবং পরবর্তীতে ফুল ধারণ করে। পরাগায়ন ও নিষেকের মাধ্যমে ফুল থেকে ফল ও বীজ উৎপন্ন হয়ে প্রজাতির ধারা অব্যাহত থাকে। যেহেতু সব প্রাণী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল, তাই ক্লোরোপ্লাস্টের অনুপস্থিতিতে প্রাণীকুলে খাদ্য সংকট দেখা দেবে।আবার ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণের সময় উদ্ভিদ পরিবেশ থেকে CO₂ গ্রহণ করে এবং O₂ ত্যাগ করে, ফলে পরিবেশে গ্যাসীয় ভারসাম্য রক্ষা পায়। এই ভারসাম্য রক্ষিত না হলে জীবজগতে জীবনধারণ অসম্ভব হয়ে পড়বে।তাই উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, জীবকূলের জীবনধারণের জন্য ক্লোরোপ্লাস্টের ভূমিকা অপরিসীম।