SSC জীববিজ্ঞান MCQ ও বোর্ড প্রশ্ন

জীববিজ্ঞান বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, MCQ ও CQ অনুশীলন করো। অধ্যায় বেছে প্রশ্ন দেখো অথবা নিচের সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে শুরু করো।

১,৬৫৪

মোট প্রশ্ন

2

অধ্যায়

science

গ্রুপ

অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ(ii) শৈবাল → জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি(iii) ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি।

Barisal · 2024

জীববৈচিত্র্য কী?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য।
স্বপরাগায়ন ও পর পরাগায়নের পার্থক্য লেখ।

উত্তর

স্বপরাগায়ন ও পর পরাগায়নের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো- question image
উদ্দীপকের (iii) নং খাদ্য শৃঙ্খলটি কেন একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত (iii) নং খাদ্য শৃঙ্খলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল। শিকলটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-উদ্দীপক অনুযায়ী (iii) নং খাদ্য শিকল একটি শিকারজীবী খাদ্যশিকল। এরূপ খাদ্য শিকলে একটি জীবের উপর আরেক ধরনের ক্ষুদ্রতর-জীব তার খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল হয়। এই খাদ্য শিকলের প্রথমে সবুজ উদ্ভিদ বা কোনো উৎপাদক নেই। সেক্ষেত্রে এরূপ শিকলটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। খাদ্য শিকলটিতে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ এবং বড় মাছকে আবার বাজপাখি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এ খাদ্য শিকলের শুরুতে কোনো উৎপাদক নেই।তাই উদ্দীপকের (iii) নং খাদ্যশিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল।
উদ্দীপকের (i) এবং (ii) নং খাদ্য শিকল দুটির কোনটিতে শক্তির অপচয় বেশি হয়? যুক্তিসহ মতামত দাও।

উত্তর

খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তির অপচয় তত বেশি হবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত (i) ও (ii) নং খাদ্য শিকলের মধ্যে (ii) নং এ শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে। সাধারণত খাদ্যশৃঙ্খলে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ ইত্যাদির কারণে শক্তি ব্যয় হবে। (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে পাঁচটি খাদ্যস্তর আছে। এখানে শৈবালকে জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন ভক্ষণ করে। জুয়োপ্ল্যাঙ্কটনকে ছোট মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ, আবার বড় মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাজপাখি। এখানে পাঁচটি স্তরে চারবার শক্তির অপচয় হয়। তাই এই শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে (i) নং শৃঙ্খলে খাদ্যের স্তর তিনটি। তাই এখানে শক্তির অপচয় হবে দুইবার। এ শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় তাই সবচেয়ে কম হবে।কাজেই উপরের বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

(i) জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ(ii) শৈবাল → জুয়োপ্লাঙ্কটন → ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি(iii) ছোট মাছ → বড় মাছ → বাজপাখি।

Barisal · 2024

জীববৈচিত্র্য কী?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য।
স্বপরাগায়ন ও পর পরাগায়নের পার্থক্য লেখ।

উত্তর

স্বপরাগায়ন ও পর পরাগায়নের পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো- question image
উদ্দীপকের (iii) নং খাদ্য শৃঙ্খলটি কেন একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত (iii) নং খাদ্য শৃঙ্খলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল। শিকলটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শৃঙ্খল হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-উদ্দীপক অনুযায়ী (iii) নং খাদ্য শিকল একটি শিকারজীবী খাদ্যশিকল। এরূপ খাদ্য শিকলে একটি জীবের উপর আরেক ধরনের ক্ষুদ্রতর-জীব তার খাদ্যের জন্য নির্ভরশীল হয়। এই খাদ্য শিকলের প্রথমে সবুজ উদ্ভিদ বা কোনো উৎপাদক নেই। সেক্ষেত্রে এরূপ শিকলটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। খাদ্য শিকলটিতে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ এবং বড় মাছকে আবার বাজপাখি খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে এ খাদ্য শিকলের শুরুতে কোনো উৎপাদক নেই।তাই উদ্দীপকের (iii) নং খাদ্যশিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল।
উদ্দীপকের (i) এবং (ii) নং খাদ্য শিকল দুটির কোনটিতে শক্তির অপচয় বেশি হয়? যুক্তিসহ মতামত দাও।

উত্তর

খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তির অপচয় তত বেশি হবে। উদ্দীপকে উল্লিখিত (i) ও (ii) নং খাদ্য শিকলের মধ্যে (ii) নং এ শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে। সাধারণত খাদ্যশৃঙ্খলে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ ইত্যাদির কারণে শক্তি ব্যয় হবে। (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে পাঁচটি খাদ্যস্তর আছে। এখানে শৈবালকে জুয়োপ্ল্যাঙ্কটন ভক্ষণ করে। জুয়োপ্ল্যাঙ্কটনকে ছোট মাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে, ছোট মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বড় মাছ, আবার বড় মাছকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাজপাখি। এখানে পাঁচটি স্তরে চারবার শক্তির অপচয় হয়। তাই এই শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে (i) নং শৃঙ্খলে খাদ্যের স্তর তিনটি। তাই এখানে শক্তির অপচয় হবে দুইবার। এ শৃঙ্খলে শক্তির অপচয় তাই সবচেয়ে কম হবে।কাজেই উপরের বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, (ii) নং খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

Sylhet · 2024

লাইকেন কী?

উত্তর

লাইকেন হলো একটি শৈবাল ও একটি ছত্রাকের সহাবস্থান।
কাক-কে ধাঙর বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধাঙড় হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী। এরা জীবন্ত প্রাণীর চেয়ে মৃত প্রাণীর মাংস বা আবর্জনা খেতে বেশি পছন্দ করে। এজন্য কাকাকে ধাঙড় বলা হয়। এরা মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার করে।
উদ্দীপকের (i) নং শিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল-- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত (i) নং শিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল। নিচে এর যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-উদ্দীপক অনুযায়ী মৃত পাখিকে বিয়োজক (ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) বিশ্লিষ্ট করে সেখান থেকেই পুষ্টিদ্রব্য গ্রহণ করে। আবার পুকুরের তলদেশের মাটিতে অবস্থিত কেঁচো বিয়োজকসমূহকে খাদ্যরূপে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে, যা মৃতজীবী খাদ্যশিকলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মৃতজীবী খাদ্যশিকল একটি অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল। কেননা এরূপ শিকল বাস্তুতন্ত্রের যাবতীয় মিথস্ক্রিয়া বা আন্তঃসম্পর্কের অংশমাত্র তৈরি করে। মৃতজীবী খাদ্যশিকল সব সময়ই অসম্পূর্ণ থাকে। কারণ এখানে কোন উৎপাদক নেই। উদ্দীপকের (i) নং খাদ্যশিকলে উৎপাদক 'অনুপস্থিত থাকার কারণেই একে অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল বলে।
উদ্দীপকের (ii) নং শিকলে P এর সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের উপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ii নং শিকলে P হলো ছোট মাছ। ছোট মাছের সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের উপর যে ধরনের প্রভাব পড়বে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-পরিবেশের কোনো প্রজাতির সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। কাজেই উদ্দীপকের খাদ্যশিকলে যদি ছোট মাছের সংখ্যা কমে যায় তাহলে বড় মাছের সংখ্যাও কমতে থাকবে। কারণ ছোট মাছ কমার কারণে বড় মাছের খাবারের ঘাটতি দেখা দিবে। সেজন্য বড় মাছের সংখ্যাও কমতে থাকবে। আবার ছোট মাছের 'সংখ্যা কমে গেলে প্লাংকটনের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। কারণ উৎপন্ন প্লাংকটনের যথেষ্ট পরিমাণ খাদক পুকুরে নেই। যদি উৎপাদকের পরিমাণ বাড়তে থাকে আবার বড় মাছের পরিমাণ কমতে থাকলে উক্ত বাস্তুতন্ত্রে এক ধরনের জটিলতা দেখা দিবে। যাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। তার সাথে বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং পুষ্টি প্রবাহতেও জটিলতা দেখা দিবে, যাকিনা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, ছোট মাছ অর্থাৎ 'PP^{\prime}-এর সংখ্যা কমে গেলে উক্ত বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

Sylhet · 2024

লাইকেন কী?

উত্তর

লাইকেন হলো একটি শৈবাল ও একটি ছত্রাকের সহাবস্থান।
কাক-কে ধাঙর বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ধাঙড় হলো পরিবেশের আবর্জনাভুক প্রাণী। এরা জীবন্ত প্রাণীর চেয়ে মৃত প্রাণীর মাংস বা আবর্জনা খেতে বেশি পছন্দ করে। এজন্য কাকাকে ধাঙড় বলা হয়। এরা মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার করে।
উদ্দীপকের (i) নং শিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্য শিকল-- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত (i) নং শিকলটি একটি অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল। নিচে এর যথাযথ কারণ ব্যাখ্যা করা হলো-উদ্দীপক অনুযায়ী মৃত পাখিকে বিয়োজক (ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া) বিশ্লিষ্ট করে সেখান থেকেই পুষ্টিদ্রব্য গ্রহণ করে। আবার পুকুরের তলদেশের মাটিতে অবস্থিত কেঁচো বিয়োজকসমূহকে খাদ্যরূপে গ্রহণ করে বেঁচে থাকে, যা মৃতজীবী খাদ্যশিকলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। মৃতজীবী খাদ্যশিকল একটি অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল। কেননা এরূপ শিকল বাস্তুতন্ত্রের যাবতীয় মিথস্ক্রিয়া বা আন্তঃসম্পর্কের অংশমাত্র তৈরি করে। মৃতজীবী খাদ্যশিকল সব সময়ই অসম্পূর্ণ থাকে। কারণ এখানে কোন উৎপাদক নেই। উদ্দীপকের (i) নং খাদ্যশিকলে উৎপাদক 'অনুপস্থিত থাকার কারণেই একে অসম্পূর্ণ খাদ্যশিকল বলে।
উদ্দীপকের (ii) নং শিকলে P এর সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের উপর কী প্রভাব পড়বে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত ii নং শিকলে P হলো ছোট মাছ। ছোট মাছের সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের উপর যে ধরনের প্রভাব পড়বে তা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-পরিবেশের কোনো প্রজাতির সংখ্যা কমে গেলে বাস্তুতন্ত্রের স্থিতিশীলতা নষ্ট হয়। কাজেই উদ্দীপকের খাদ্যশিকলে যদি ছোট মাছের সংখ্যা কমে যায় তাহলে বড় মাছের সংখ্যাও কমতে থাকবে। কারণ ছোট মাছ কমার কারণে বড় মাছের খাবারের ঘাটতি দেখা দিবে। সেজন্য বড় মাছের সংখ্যাও কমতে থাকবে। আবার ছোট মাছের 'সংখ্যা কমে গেলে প্লাংকটনের পরিমাণ বাড়তে থাকবে। কারণ উৎপন্ন প্লাংকটনের যথেষ্ট পরিমাণ খাদক পুকুরে নেই। যদি উৎপাদকের পরিমাণ বাড়তে থাকে আবার বড় মাছের পরিমাণ কমতে থাকলে উক্ত বাস্তুতন্ত্রে এক ধরনের জটিলতা দেখা দিবে। যাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে। তার সাথে বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং পুষ্টি প্রবাহতেও জটিলতা দেখা দিবে, যাকিনা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি, ছোট মাছ অর্থাৎ 'PP^{\prime}-এর সংখ্যা কমে গেলে উক্ত বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

A- শৈবাল → ছোট মাছ → বড় মাছ → মানুষB- পোকামাকড় → পাখি → শিয়াল → বাঘ

Chittagong · 2024

জীব বৈচিত্র্য কী?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।
হরিণকে হার্বিবোরাস বলা হলেও বাঘকে কার্নিবোরাস বলা হয় কেন?

উত্তর

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক। যেমন- হরিণ। অন্যদিকে, যেসব প্রাণী গৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তাদেরকে বলা হয় মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস। এদেরকে বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক। যেমন- বাঘ এই শ্রেণির খাদক। তাই হরিণকে তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস বলা হলেও বাঘকে মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস বলা হয়।
'AA^{\prime} চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিদ্রব্যের প্রবাহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলের প্রথমে আছে শৈবাল ও শেষে আছে মানুষ এবং মাঝখানে আছে ছোট মাছ ও বড় মাছ। নিচে উক্ত খাদ্যশৃঙ্খলের পুষ্টিপ্রবাহ ব্যাখ্যা করা হলো- যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে শক্তির তথা পুষ্টির মূল উৎস সূর্য। পৃথিবীতে সূর্য থেকে যতটুকু আলোকশক্তি আসে তার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ কাজে লাগিয়ে সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে শৈবাল এ কাজ করে থাকে। অর্থাৎ সর্বপ্রথমে শৈবালে শক্তি স্থিতিশীল হয়। শৈবাল খেয়ে বেঁচে থাকে ছোট মাছ। এভাবে শৈবাল থেকে শক্তি ছোট মাছে পৌঁছায়। এরপর ছোট মাছকে খায় বড় মাছ, আবার বড় মাছ খায় মানুষ। অর্থাৎ শেষ পর্যায়ে বড় মাছকে খায় মানুষ। ফলে শক্তি মানুষে সঞ্চারিত হয়। এসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে এবং পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে। এভাবেই খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিপ্রবাহ চলমান থাকে।
'BB^{\prime} চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে কোন জীবের অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে? যুক্তি দেখাও ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} চিহ্নিত খাদ্য শৃঙ্খলটি হলো- পোকামাকড়→ পাখি→ শিয়াল→ বাঘ উল্লিখিত খাদ্য শৃঙ্খলের জীবগুলোর মধ্যে পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কারণ পোকামাকড় হলো প্রথম শ্রেণির খাদক। এদেরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে পাখি। তাই পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি ঘটলে পাখি খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ পাখি প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে। আবার পাখিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে শিয়াল। তাই পাখির বিলুপ্তি ঘটলে শিয়াল খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। আবার শিয়ালকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাঘ। শিয়াল মারা গেলে বাঘ প্রয়োজনীয় খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ বাঘও খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। এ কারণে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে। এভাবেই বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং পুষ্টি প্রবাহেও জটিলতা দেখা দিবে, যা বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

A- শৈবাল → ছোট মাছ → বড় মাছ → মানুষB- পোকামাকড় → পাখি → শিয়াল → বাঘ

Chittagong · 2024

জীব বৈচিত্র্য কী?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।
হরিণকে হার্বিবোরাস বলা হলেও বাঘকে কার্নিবোরাস বলা হয় কেন?

উত্তর

যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক। যেমন- হরিণ। অন্যদিকে, যেসব প্রাণী গৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তাদেরকে বলা হয় মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস। এদেরকে বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক। যেমন- বাঘ এই শ্রেণির খাদক। তাই হরিণকে তৃণভোজী প্রাণী বা হার্বিভোরাস বলা হলেও বাঘকে মাংসাশী প্রাণী বা কার্নিভোরাস বলা হয়।
'AA^{\prime} চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিদ্রব্যের প্রবাহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলের প্রথমে আছে শৈবাল ও শেষে আছে মানুষ এবং মাঝখানে আছে ছোট মাছ ও বড় মাছ। নিচে উক্ত খাদ্যশৃঙ্খলের পুষ্টিপ্রবাহ ব্যাখ্যা করা হলো- যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে শক্তির তথা পুষ্টির মূল উৎস সূর্য। পৃথিবীতে সূর্য থেকে যতটুকু আলোকশক্তি আসে তার শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ কাজে লাগিয়ে সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। A চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে শৈবাল এ কাজ করে থাকে। অর্থাৎ সর্বপ্রথমে শৈবালে শক্তি স্থিতিশীল হয়। শৈবাল খেয়ে বেঁচে থাকে ছোট মাছ। এভাবে শৈবাল থেকে শক্তি ছোট মাছে পৌঁছায়। এরপর ছোট মাছকে খায় বড় মাছ, আবার বড় মাছ খায় মানুষ। অর্থাৎ শেষ পর্যায়ে বড় মাছকে খায় মানুষ। ফলে শক্তি মানুষে সঞ্চারিত হয়। এসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে এবং পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে। এভাবেই খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিপ্রবাহ চলমান থাকে।
'BB^{\prime} চিহ্নিত খাদ্যশৃঙ্খলে কোন জীবের অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে? যুক্তি দেখাও ।

উত্তর

উদ্দীপকের 'BB^{\prime} চিহ্নিত খাদ্য শৃঙ্খলটি হলো- পোকামাকড়→ পাখি→ শিয়াল→ বাঘ উল্লিখিত খাদ্য শৃঙ্খলের জীবগুলোর মধ্যে পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি বাস্তুতন্ত্রের ধারাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কারণ পোকামাকড় হলো প্রথম শ্রেণির খাদক। এদেরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে পাখি। তাই পোকামাকড়ের অনুপস্থিতি ঘটলে পাখি খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ পাখি প্রজাতি বিলুপ্তির সম্মুখীন হবে। আবার পাখিকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে শিয়াল। তাই পাখির বিলুপ্তি ঘটলে শিয়াল খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। আবার শিয়ালকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাঘ। শিয়াল মারা গেলে বাঘ প্রয়োজনীয় খাদ্য পাবে না। অর্থাৎ বাঘও খাদ্যের অভাবে মারা যাবে। এ কারণে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হবে। এভাবেই বাস্তুতন্ত্রের শক্তি প্রবাহ এবং পুষ্টি প্রবাহেও জটিলতা দেখা দিবে, যা বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

Comilla · 2024

ট্রফিক লেভেল কী?

উত্তর

খাদ্য শিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রফিক লেভেল বলে।
নডিউল তৈরি কী ধরনের আন্তঃক্রিয়া? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নডিউল তৈরি করা ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার মিউচুয়ালিজমের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের আন্তঃক্রিয়ায় সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। যেমন- খাদ্য প্রস্তুত করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে।
উদ্দীপকের খাদ্য শৃঙ্খলে পুষ্টি প্রবাহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের খাদ্য শৃঙ্খলটি হলো সবুজ উদ্ভিদ→ হরিণ→ বাঘ।। নিচে উক্ত খাদ্য শৃঙ্খলের পুষ্টি প্রবাহ বর্ণনা করা হলো- যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ তথা পুষ্টির মূল উৎস হলো সূর্য। উল্লিখিত খাদ্য শৃঙ্খলের সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যকে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে নিজদেহে সঞ্চিত রাখে। এ শৃঙ্খলে সবুজ উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে হরিণ। ফলে সবুজ উদ্ভিদের দেহে সঞ্চিত পুষ্টি হরিণের দেহে স্থানান্তরিত হয়। আবার হরিণকে খায় বাঘ। তাই হরিণের দেহের সঞ্চিত পুষ্টি সর্বোচ্চ খাদক বাঘের দেহে স্থানান্তরিত হয়। এসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে এবং পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে।এভাবেই খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিপ্রবাহ চলমান থাকে।
উদ্দীপকের X'X^{\prime} এর অনুপস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বাধাগ্রস্থ হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত X'X^{\prime} চিহ্নিত অংশটি হলো বিয়োজক। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিয়োজকের অনুপস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বাধাগ্রস্ত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- উদ্দীপকের বাস্তুতন্ত্রে বিদ্যমান সবুজ উদ্ভিদ, হরিণ ও বাঘ মারা যাবার পর এদের মৃতদেহগুলো বিয়োজক পঁচিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এদের দেহের সমস্ত জৈব ও অজৈব উপাদান তখন মাটিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। আবার এই জৈব ও অজৈব উপাদান সবুজ উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে শোষণ করে এবং এগুলো ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা তৈরি করে। সবুজ উদ্ভিদে তৈরিকৃত শর্করা হরিণ গ্রহণ করে। হরিণকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাঘ এই শর্করা পায়। এভাবে সবুজ উদ্ভিদ থেকে হরিণ এবং হরিণ থেকে বাঘ এই শর্করা গ্রহণ করে থাকে। আবার তাদের মৃত্যুর পর বিয়োজক এগুলো মাটিতে ফিরিয়ে দেয়। এভাবে চক্রাকারে খাদ্য উপাদান আবর্তিত হয়, যেখানে বিয়োজক প্রধান ভূমিকা পালন করে। এভাবেই বিয়োজক পরিবেশে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদানের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

Comilla · 2024

ট্রফিক লেভেল কী?

উত্তর

খাদ্য শিকলের প্রতিটি স্তরকে ট্রফিক লেভেল বলে।
নডিউল তৈরি কী ধরনের আন্তঃক্রিয়া? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

নডিউল তৈরি করা ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়ার মিউচুয়ালিজমের অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের আন্তঃক্রিয়ায় সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। যেমন- খাদ্য প্রস্তুত করে। রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে।
উদ্দীপকের খাদ্য শৃঙ্খলে পুষ্টি প্রবাহ বর্ণনা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের খাদ্য শৃঙ্খলটি হলো সবুজ উদ্ভিদ→ হরিণ→ বাঘ।। নিচে উক্ত খাদ্য শৃঙ্খলের পুষ্টি প্রবাহ বর্ণনা করা হলো- যেকোনো বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ তথা পুষ্টির মূল উৎস হলো সূর্য। উল্লিখিত খাদ্য শৃঙ্খলের সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্যকে রাসায়নিক শক্তি হিসেবে নিজদেহে সঞ্চিত রাখে। এ শৃঙ্খলে সবুজ উদ্ভিদকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে হরিণ। ফলে সবুজ উদ্ভিদের দেহে সঞ্চিত পুষ্টি হরিণের দেহে স্থানান্তরিত হয়। আবার হরিণকে খায় বাঘ। তাই হরিণের দেহের সঞ্চিত পুষ্টি সর্বোচ্চ খাদক বাঘের দেহে স্থানান্তরিত হয়। এসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীদের মৃত্যুর পর বিয়োজকগুলো এদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অজৈব বস্তুতে রূপান্তরিত করে পরিবেশে ফিরিয়ে দেয়। সবুজ উদ্ভিদ এসব অজৈব বস্তু গ্রহণ করে এবং পুনরায় খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করে থাকে।এভাবেই খাদ্যশৃঙ্খলে পুষ্টিপ্রবাহ চলমান থাকে।
উদ্দীপকের X'X^{\prime} এর অনুপস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বাধাগ্রস্থ হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লেখিত X'X^{\prime} চিহ্নিত অংশটি হলো বিয়োজক। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এর প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। বিয়োজকের অনুপস্থিতিতে পরিবেশের ভারসাম্য বাধাগ্রস্ত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- উদ্দীপকের বাস্তুতন্ত্রে বিদ্যমান সবুজ উদ্ভিদ, হরিণ ও বাঘ মারা যাবার পর এদের মৃতদেহগুলো বিয়োজক পঁচিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এদের দেহের সমস্ত জৈব ও অজৈব উপাদান তখন মাটিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। আবার এই জৈব ও অজৈব উপাদান সবুজ উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে শোষণ করে এবং এগুলো ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শর্করা তৈরি করে। সবুজ উদ্ভিদে তৈরিকৃত শর্করা হরিণ গ্রহণ করে। হরিণকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বাঘ এই শর্করা পায়। এভাবে সবুজ উদ্ভিদ থেকে হরিণ এবং হরিণ থেকে বাঘ এই শর্করা গ্রহণ করে থাকে। আবার তাদের মৃত্যুর পর বিয়োজক এগুলো মাটিতে ফিরিয়ে দেয়। এভাবে চক্রাকারে খাদ্য উপাদান আবর্তিত হয়, যেখানে বিয়োজক প্রধান ভূমিকা পালন করে। এভাবেই বিয়োজক পরিবেশে বিভিন্ন জৈব ও অজৈব উপাদানের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ভারসাম্য রক্ষা করে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম অবস্থান করে।দৃশ্যকল্প-২:(i) শৈবাল → ছোট মাছ → বাজপাখি(ii) ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → বাজপাখি।

Rajshahi · 2024

প্রকৃতির ধাঙড় কাকে বলে?

উত্তর

প্রকৃতির যেসকল প্রাণী পরিবেশের মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে তাদেরকে প্রকৃতির ধাঙড় বলে। যেমন-কাক, শকুন, শিয়াল, হায়েনা ইত্যাদি।
সুবিচার পাওয়ার সাথে DNA এর সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো অপরাধীকে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণে বর্তমানে DNA টেস্ট সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। DNA টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্য প্রথম প্রয়োজন, জৈবিক নমুনা। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত'রা জৈবিক নমুনার DNA নকশার সাথে। যদি অপরাধের শিকার ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত নমুনার সাথে সন্দেহভাজন নমুনার মিল ও অমিল চিহ্নিত করে তুলনা করা হয় তাহলে সহজেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্তকরণ সম্ভব হবে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ব্যক্তি অপরাধী না হলে সে মুক্তি পাবে। কিন্তু অপরাধী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার করার সুযোগ থাকবে।
দৃশ্যকল্প-১: এর জীব দুটি কী ধরনের আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এর জীব দুটি হলো শিম গাছ ও রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া। এরা মিউচুয়ালিজম আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-মিউচুয়ালিজম এক ধরনের ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া। এ ধরনের আন্তঃক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। দৃশ্যকল্প-১ এর রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে। এভাবেই শিম উদ্ভিদ ও রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হওয়ার মাধ্যমে মিউচুয়ালিজম আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে থাকে।
দৃশ্যকল্প-২: এ (i) ও (ii) এর মধ্যে কোনটিতে শক্তির অপচয় বেশি হয়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২: এ (i) ও (ii) নং খাদ্যশিকলের মধ্যে (ii) নং শিকলে শক্তির অপচয় বেশি হবে। কারণ বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তির অপচয় ততো বেশি হবে। সাধারণত খাদ্য শিকলে একস্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তির প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ, বিকিরণ ইত্যাদি কারণে শক্তি ব্যয় হবে। (ii) নং খাদ্যশিকলে পাঁচটি 'শক্তিস্তর রয়েছে। এখানে ঘাসকে পতঙ্গ ভক্ষণ করে। পতঙ্গকে ব্যাঙ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। সাপ খাদ্য হিসেবে ব্যাঙকে গ্রহণ করে। আবার সাপকে খাদ্য হিসেবে বাজপাখি গ্রহণ করে। এখানে পাঁচটি শক্তিস্তরে চার বার শক্তির অপচয় হয়। কিন্তু (i) নং খাদ্যশিকলে শক্তিস্তর রয়েছে তিনটি। এখানে দুইবার শক্তির অপচয় হয়। তাই বলা যায় (i) নং অপেক্ষা (ii) নং শিকলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১ শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম অবস্থান করে।দৃশ্যকল্প-২:(i) শৈবাল → ছোট মাছ → বাজপাখি(ii) ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → বাজপাখি।

Rajshahi · 2024

প্রকৃতির ধাঙড় কাকে বলে?

উত্তর

প্রকৃতির যেসকল প্রাণী পরিবেশের মৃতদেহ বা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে তাদেরকে প্রকৃতির ধাঙড় বলে। যেমন-কাক, শকুন, শিয়াল, হায়েনা ইত্যাদি।
সুবিচার পাওয়ার সাথে DNA এর সম্পর্ক ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

কোনো অপরাধীকে নির্ভুলভাবে শনাক্তকরণে বর্তমানে DNA টেস্ট সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। DNA টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্য প্রথম প্রয়োজন, জৈবিক নমুনা। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত জৈবিক নমুনার DNA নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেওয়া রক্ত'রা জৈবিক নমুনার DNA নকশার সাথে। যদি অপরাধের শিকার ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত নমুনার সাথে সন্দেহভাজন নমুনার মিল ও অমিল চিহ্নিত করে তুলনা করা হয় তাহলে সহজেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্তকরণ সম্ভব হবে। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ব্যক্তি অপরাধী না হলে সে মুক্তি পাবে। কিন্তু অপরাধী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার করার সুযোগ থাকবে।
দৃশ্যকল্প-১: এর জীব দুটি কী ধরনের আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১-এর জীব দুটি হলো শিম গাছ ও রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া। এরা মিউচুয়ালিজম আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-মিউচুয়ালিজম এক ধরনের ধনাত্মক আন্তঃক্রিয়া। এ ধরনের আন্তঃক্রিয়ার মাধ্যমে সহযোগীদের উভয়ই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। দৃশ্যকল্প-১ এর রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া শিমজাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে অবস্থান করে গুটি তৈরি করে এবং বায়বীয় নাইট্রোজেনকে সেখানে সংবন্ধন করে। ব্যাকটেরিয়া এই নাইট্রোজেন সহযোগী শিম উদ্ভিদকে সরবরাহ করে এবং বিনিময়ে সহযোগী উদ্ভিদ থেকে শর্করাজাতীয় খাদ্য পেয়ে থাকে। এভাবেই শিম উদ্ভিদ ও রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হওয়ার মাধ্যমে মিউচুয়ালিজম আন্তঃক্রিয়া প্রদর্শন করে থাকে।
দৃশ্যকল্প-২: এ (i) ও (ii) এর মধ্যে কোনটিতে শক্তির অপচয় বেশি হয়? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২: এ (i) ও (ii) নং খাদ্যশিকলের মধ্যে (ii) নং শিকলে শক্তির অপচয় বেশি হবে। কারণ বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তির অপচয় ততো বেশি হবে। সাধারণত খাদ্য শিকলে একস্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তির প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ, বিকিরণ ইত্যাদি কারণে শক্তি ব্যয় হবে। (ii) নং খাদ্যশিকলে পাঁচটি 'শক্তিস্তর রয়েছে। এখানে ঘাসকে পতঙ্গ ভক্ষণ করে। পতঙ্গকে ব্যাঙ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। সাপ খাদ্য হিসেবে ব্যাঙকে গ্রহণ করে। আবার সাপকে খাদ্য হিসেবে বাজপাখি গ্রহণ করে। এখানে পাঁচটি শক্তিস্তরে চার বার শক্তির অপচয় হয়। কিন্তু (i) নং খাদ্যশিকলে শক্তিস্তর রয়েছে তিনটি। এখানে দুইবার শক্তির অপচয় হয়। তাই বলা যায় (i) নং অপেক্ষা (ii) নং শিকলে শক্তির অপচয় সবচেয়ে বেশি হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-

Dhaka · 2024

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।
জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

জীবের সব দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে জিন। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে এবং কোনো ক্ষেত্রে একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিনও থাকতে পারে। নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ধারণকারী জিন পিতা-মাতা হতে বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত করে। এজন্যই জিনকে বংশগতির ধারক বলা হয়।' বিভিন্ন জীবে জিনের সংখ্যা এক নয়। তবে একই প্রকৃতির জীবে তা প্রায় সবসময় একই থাকে। জিনগুলো সাধারণ নিয়মে ক্রোমোজোমের DNA অণুসূত্রের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পৃথক ও রৈখিকভাবে পরস্পর সাজানো থাকে।
উদ্দীপকের উপাদানসমূহ ব্যবহার করে জলজ বাস্তুতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের উপাদানসমূহ হলো সূর্যের আলো, স্বভোজী (উদ্ভিদ), তৃণভোজী (খাদক), গৌণ খাদক, ছোট পাখি, চিল, কার্প মাছ ও শোল মাছ, এসব উপাদান ব্যবহার করে একটি জলজ বাস্তুতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো-বাস্তুতন্ত্রটিতে উৎপাদক হিসেবে রয়েছে স্বভোজী উদ্ভিদ যারা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করতে পারে। এদেরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তৃণভোজী, কার্প মাছ এবং ছোট পাখি, যারা এই জলজ বাস্তুতন্ত্রে প্রথম স্তরের খাদক। বাস্তুতন্ত্রের এই তিনটি উপাদানের মধ্যে তৃণভোজীকে খায় গৌণ খাদক, কার্প মাছকে খায় শোল মাছ -এবং ছোট পাখিকে খায় চিল যারা এই বাস্তুতন্ত্রে দ্বিতীয় স্তরের খাদকের ভূমিকা পালন করে। আবার এই গৌণ খাদককে ছোট পাখি এবং চিল উভয়ই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, তখন এই উপাদান - দুটি হয়ে যায় তৃতীয় স্তরের খাদক। শুধু গৌণ, খাদকই নয়, ছোট পাখিকেও চিল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, তখন চিল হয়ে যায় এই জলজ বাস্তুতন্ত্রের সর্বোচ্চ স্তরের খাদক। এভাবে একে অপরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার মাধ্যমে এই বাস্তুতন্ত্রে ভারসাম্য বজায় থাকে।
উদ্দীপকের রেখাচিত্রের শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হয় তা চিহ্নিত করে কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে এখানে চারটি খাদ্যশিকল বিদ্যমান। এগুলো হলো- i. স্বভোজী → ছোট পাখি → চিল
ii. স্বভোজী → কার্প মাছ → শোল মাছ → চিল
iii. স্বভোজী → তৃণভোজী → গৌণ খাদক → চিল
iv. স্বভোজী → তৃণভোজী → গৌণ খাদক → ছোট পাখি → চিল সব ধরনের খাদ্যশিকলেই প্রতিটি স্তরে কিছু শক্তি ব্যয় হয়। অর্থাৎ খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তি ব্যয়ের পরিমাণ তত বেশি হবে। তাই উদ্দীপকের রেখাচিত্রে বিদ্যমান চারটি খাদ্যশিকলের মধ্যে (iv) নং শিকলটিতে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হবে। সাধারণত খাদ্যশিকলে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ ইত্যাদির কারণে শক্তি ব্যয় হয়। (iv) নং খাদ্য শিকলে খাদ্য স্তর পাঁচটি। এখানে স্বভোজীকে তৃণভোজী ভক্ষণ করে। এভাবে তৃণভোজীকে গৌণ খাদক, গৌণ খাদককে ছোট পাখি এবং ছোট পাখিকে চিল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। ফলে, পাঁচটি খাদ্যন্তরে চারবার শক্তি ব্যয় হয়।অন্যদিকে (ii) এবং (iii) নং খাদ্যশিকলে চারটি করে খাদ্য স্তর বিদ্যমান, অর্থাৎ এই দুইটি শিকলে তিনবার শক্তি ব্যয় হয়। আবার রেখাচিত্রটির প্রথম শিকলে মাত্র তিনটি খাদ্য স্তর রয়েছে যেখানে শক্তি ব্যয় হয় দুইবার। অর্থাৎ (i) থেকে (iv) নং শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে শক্তির ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হচ্ছে।'তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের রেখাচিত্রে বিদ্যমান শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

SSCজীববিজ্ঞানসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের উদ্দীপকটি লক্ষ কর-

Dhaka · 2024

জীববৈচিত্র্য কাকে বলে?

উত্তর

পৃথিবীতে বিরাজমান জীবসমূহের প্রাচুর্য ও ভিন্নতাকে জীববৈচিত্র্য বলে।
জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের ব্যাখ্যা দাও।

উত্তর

জীবের সব দৃশ্য ও অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে জিন। সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে এবং কোনো ক্ষেত্রে একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিনও থাকতে পারে। নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ধারণকারী জিন পিতা-মাতা হতে বৈশিষ্ট্যসমূহ সন্তানসন্ততিতে স্থানান্তরিত করে। এজন্যই জিনকে বংশগতির ধারক বলা হয়।' বিভিন্ন জীবে জিনের সংখ্যা এক নয়। তবে একই প্রকৃতির জীবে তা প্রায় সবসময় একই থাকে। জিনগুলো সাধারণ নিয়মে ক্রোমোজোমের DNA অণুসূত্রের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত পৃথক ও রৈখিকভাবে পরস্পর সাজানো থাকে।
উদ্দীপকের উপাদানসমূহ ব্যবহার করে জলজ বাস্তুতন্ত্রের বর্ণনা দাও।

উত্তর

উদ্দীপকের উপাদানসমূহ হলো সূর্যের আলো, স্বভোজী (উদ্ভিদ), তৃণভোজী (খাদক), গৌণ খাদক, ছোট পাখি, চিল, কার্প মাছ ও শোল মাছ, এসব উপাদান ব্যবহার করে একটি জলজ বাস্তুতন্ত্রের বর্ণনা দেওয়া হলো-বাস্তুতন্ত্রটিতে উৎপাদক হিসেবে রয়েছে স্বভোজী উদ্ভিদ যারা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে খাদ্য তৈরি করতে পারে। এদেরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তৃণভোজী, কার্প মাছ এবং ছোট পাখি, যারা এই জলজ বাস্তুতন্ত্রে প্রথম স্তরের খাদক। বাস্তুতন্ত্রের এই তিনটি উপাদানের মধ্যে তৃণভোজীকে খায় গৌণ খাদক, কার্প মাছকে খায় শোল মাছ -এবং ছোট পাখিকে খায় চিল যারা এই বাস্তুতন্ত্রে দ্বিতীয় স্তরের খাদকের ভূমিকা পালন করে। আবার এই গৌণ খাদককে ছোট পাখি এবং চিল উভয়ই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, তখন এই উপাদান - দুটি হয়ে যায় তৃতীয় স্তরের খাদক। শুধু গৌণ, খাদকই নয়, ছোট পাখিকেও চিল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, তখন চিল হয়ে যায় এই জলজ বাস্তুতন্ত্রের সর্বোচ্চ স্তরের খাদক। এভাবে একে অপরকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করার মাধ্যমে এই বাস্তুতন্ত্রে ভারসাম্য বজায় থাকে।
উদ্দীপকের রেখাচিত্রের শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হয় তা চিহ্নিত করে কারণ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকের রেখাচিত্রটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে এখানে চারটি খাদ্যশিকল বিদ্যমান। এগুলো হলো- i. স্বভোজী → ছোট পাখি → চিল
ii. স্বভোজী → কার্প মাছ → শোল মাছ → চিল
iii. স্বভোজী → তৃণভোজী → গৌণ খাদক → চিল
iv. স্বভোজী → তৃণভোজী → গৌণ খাদক → ছোট পাখি → চিল সব ধরনের খাদ্যশিকলেই প্রতিটি স্তরে কিছু শক্তি ব্যয় হয়। অর্থাৎ খাদ্যশিকলে স্তরের সংখ্যা যত বেশি হবে শক্তি ব্যয়ের পরিমাণ তত বেশি হবে। তাই উদ্দীপকের রেখাচিত্রে বিদ্যমান চারটি খাদ্যশিকলের মধ্যে (iv) নং শিকলটিতে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হবে। সাধারণত খাদ্যশিকলে এক স্তর থেকে অন্য স্তরে শক্তি প্রবাহকালে শ্বসন, তাপ ইত্যাদির কারণে শক্তি ব্যয় হয়। (iv) নং খাদ্য শিকলে খাদ্য স্তর পাঁচটি। এখানে স্বভোজীকে তৃণভোজী ভক্ষণ করে। এভাবে তৃণভোজীকে গৌণ খাদক, গৌণ খাদককে ছোট পাখি এবং ছোট পাখিকে চিল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে। ফলে, পাঁচটি খাদ্যন্তরে চারবার শক্তি ব্যয় হয়।অন্যদিকে (ii) এবং (iii) নং খাদ্যশিকলে চারটি করে খাদ্য স্তর বিদ্যমান, অর্থাৎ এই দুইটি শিকলে তিনবার শক্তি ব্যয় হয়। আবার রেখাচিত্রটির প্রথম শিকলে মাত্র তিনটি খাদ্য স্তর রয়েছে যেখানে শক্তি ব্যয় হয় দুইবার। অর্থাৎ (i) থেকে (iv) নং শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে শক্তির ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হচ্ছে।'তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকের রেখাচিত্রে বিদ্যমান শিকলগুলোতে পর্যায়ক্রমে সবচেয়ে বেশি শক্তি ব্যয় হয়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

সাধারণ প্রশ্ন

জীববিজ্ঞান MCQ কোথায় পাবো?

এই পেজের অধ্যায় লিংক বা সাম্প্রতিক প্রশ্ন থেকে জীববিজ্ঞান MCQ সমাধানসহ দেখতে পারবে।