উদ্দীপকে উল্লেখিত নমুনা-২ এর চিত্র-X হলো স্ক্লেরেনকাইমানামক সরল টিস্যু এবং Y হলো ট্রাকিড নামক জটিল টিস্যু। ফ্লেরেনকাইমা এবং ট্রাকিড এর মধ্যে গঠনগত ও কার্যগত বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-ট্রাকিড এবং স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর মধ্যে গঠনগত কিছু বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়। যেমন- ট্রাকিড হচ্ছে জটিল টিস্যু, অন্যদিকে স্কেরেনকাইমা এক প্রকার সরল টিস্যু। ট্রাকিডের কোষগুলো পুরুত্ব অনুসারে কয়েক ধরনের হয়। যেমন- বলয়াকার, সর্পিলাকার, সোপানাকার, জালিকাকার ও কৃপাঙ্কিত। অপরদিকে স্ক্লেরেনকাইমা কোষগুলো প্রধাণত দুই ধরনের হয়। যেমন- ফাইবার ও ফ্লোরাইড। ট্রাকিড প্রান্তদ্বয় সবসময় সরু ও সূঁচালো হয়ে থাকে। কিন্তু স্ক্লেরেনকাইমার ফাইবারের কোষের প্রান্ত সরু হলেও কখনো ভোঁতা হতে পারে।আবার, ট্রাকিড ও স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর মধ্যে কিছু কার্যগত বৈসাদৃশ্যও পরিলক্ষিত হয়, যেমন- ট্রাকিড এর প্রধান কাজ হলো পানি ও খনিজ লবণ পরিবহণ করা। তবে কখনো কখনো খাদ্য সঞ্চয়ও করে থাকে। অপরদিকে স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যুর কাজ হলো যান্ত্রিক দৃঢ়তা প্রদান করা, পানি পরিবহণ ও খাদ্য সঞ্চয় করা এদের প্রধান কাজ নয়।উপর্যুক্ত বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লেখিত স্ক্লেরেনকাইমা (X) এবং ট্রাকিড (Y) এদের মধ্যে গঠনগত ও কার্যগত বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।