উদ্দীপকের চিত্র- A হলো মাশরুম এবং চিত্র- C হলো দোয়েল। মাশরুম ফানজাই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত এবং দোয়েল অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।ফানজাই রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-এদের অধিকাংশ জীবই স্থলজ, মৃতজীবী বা পরজীবী। এরা এককোষী অথবা মাইসেলিয়াম দিয়ে গঠিত। এদের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। কোষপ্রাচীর কাইটিন বস্তু দিয়ে গঠিত। এদের খাদ্য গ্রহণ শোষণ পদ্ধতিতে ঘটে। এই রাজ্যের জীবের ক্লোরোপ্লাস্ট অনুপস্থিত। এরা হ্যাপ্লয়েড স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি ঘটায়। অপরদিকে অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-এদের জীবগুলো নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট ও বহুকোষী প্রাণী। এদের কোষে কোনো জড় কোষপ্রাচীর, প্লাস্টিড ও কোষগহ্বর নেই। প্লাস্টিড না থাকায় এরা হেটারোট্রোফিক অর্থাৎ পরভোজী এবং খাদ্য গলাধঃকরণ করে, দেহে জটিল টিস্যুতন্ত্র বিদ্যমান। এরা প্রধানত যৌন জননের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। পরিণত ডিপ্লয়েড পুরুষ এবং স্ত্রী প্রাণীর জননাঙ্গ থেকে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয়। ভূণ বিকাশকালীন সময়ে ভূণীয় স্তর সৃষ্টি হয়।উপরের দুই রাজ্যের বৈশিষ্ট্যগুলোর আলোচনা থেকে বলা যায় যে, ফানজাই রাজ্যের মাশরুম অপেক্ষা অ্যানিমেলিয়া রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত দোয়েল অধিক উন্নত জীব।