উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে নির্দেশ করে।
ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় জমি, খনি, কলকারখানা প্রভৃতি উৎপাদন উপকরণ ব্যক্তি মালিকানায় থাকে। সর্বাধিক মুনাফা অর্জন করা এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যেকোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে সরকারি হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে। অর্থাৎ এ অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় উদ্যোগ গ্রহণের পূর্ণ স্বাধীনতা বিদ্যমান। সেই সাথে পণ্য ক্রয় ও ভোগের ক্ষেত্রে ভোক্তার স্বাধীনতা বিরাজ করে।
উদ্দীপকের 'ক' দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি মালিকানাধীন, শ্রমিক শোষণ ও মুক্ত বাজার অর্থনীতি হলো প্রধান বৈশিষ্ট্য। এরূপ বৈশিষ্ট্যগুলো স্পষ্টভাবে ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিকে নির্দেশ করে। সুতরাং বলা যায়, 'ক' দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।