নাগরিক হিসেবে মুকুল সাহেব একজন সুনাগরিক। একজন সুনাগরিক নিজের অধিকারগুলো যেমন আদায় বা ভোগ করে তেমনি অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করে। নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে প্রধান কর্তব্য হলো রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা। রাষ্ট্রের নির্দেশ মেনে চলা, রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন ও সংবিধান মেনে চলা এবং আইনের প্রতি সম্মান দেখানো। সততা ও সুবিবেচনার সাথে ভোট দেওয়া। রাষ্ট্রের আয়ের প্রধান উৎস নাগরিকদের প্রদেয় কর ও খাজনা আদায় করা। রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব ও কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা। প্রতিটি শিশু, যেহেতু রাষ্ট্রের নাগরিক। অভিভাবক হিসেবে পিতামাতার দায়িত্ব হলো- সন্তানদের জীবন রক্ষার জন্য বিভিন্ন প্রতিষেধক টিকাদান, সুস্থ সবল রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলে পাঠানো। এতে করে সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে অবদান রাখবে। প্রত্যেক নাগরিককে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। নিজস্ব সংস্কৃতি, রাষ্ট্রীয় অর্জন ও সফলতা এবং সবসময় দেশের মঙ্গল কামনা করা নাগরিকের কর্তব্য। প্রত্যেক নাগরিককে একে অপরকে সহ্য করার ক্ষমতা থাকতে হবে। ভিন্ন সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে।উদ্দীপকে মুকুল সাহেবের কর্মকান্ডে নাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্যের কোনো ব্যত্যয় যেহেতু দেখা যায় না, সেহেতু সে একজন সুনাগরিক।