হ্যাঁ, উদ্দীপকের ঘটনা-২-এর জনাব বাদশাহর মতো নাগরিক দ্বারাই দেশে সুশাসন সম্ভব বলে আমি মনে করি।সুশাসন বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে এমন পদ্ধতির অনুসরণকে বোঝায়, যেখানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, দায়িত্বশীলতা, আইনের শাসন প্রভৃতি ইতিবাচক দিকসমূহের উপস্থিতিতে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা করা হয়। আর সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে ঘটনা-২-এর জনাব বাদশাহর মতো নাগরিকদের দায়িত্ব পালন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, রাষ্ট্র যেমন-নাগরিককে সুশাসনের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত মাত্রার সুযোগ, অধিকার ও স্বাধীনতার সুযোগ প্রদান করবে, নাগরিকদেরও তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি বিভিন্ন করণীয় রয়েছে। যেমন-উদ্দীপকের জনাব বাদশাহ দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ না করে স্বদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে উন্নত করবে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী জনাব বাদশাহর আমদানি-রপ্তানির কাজটি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতাকে প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে আইনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠাকে নির্দেশ করে। আর 'আইনের অনুশাসন ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব। আবার রাষ্ট্রীয় আয়ের প্রধান উৎস হলো নাগরিকদের প্রদত্ত কর বা খাজনা। জনাব বাদশাহ নিয়মিত কর প্রদান করে তার দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি নির্বাচনের সময় যোগ্য প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। স্পষ্টত জনাব বাদশাহর কার্যাবলি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ও অত্যাবশ্যক।আর তাই আমি প্রশ্নোক্ত মন্তব্যের সাথে একমত।